spot_img
26 C
Dhaka

৩০শে নভেম্বর, ২০২২ইং, ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯বাংলা

সর্বশেষ
***আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতলে বাংলাদেশের উচ্ছ্বাস দেখতে আসবেন আর্জেন্টাইন সাংবাদিক***যৌনপল্লীর গল্প নিয়ে পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘রঙবাজার’***কেন ক্ষমা চাইলেন কিংবদন্তি গায়ক বব ডিলান***বিলুপ্তপ্রায় কুমিরের সন্ধান, পুনর্ভবা নদীর তীরে মানুষের ভিড়***সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নয়, নয়াপল্টনেই হবে সমাবেশ : বিএনপি***পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসী দল টিটিপি ইসলামাবাদের গলার কাঁটা?***পাকিস্তান-আফগানিস্তানের সম্পর্ক কি শেষের পথে?***শীত মৌসুম, তুষার এবং বরফকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে রাশিয়া : ন্যাটো***নানা সুবিধাসহ বাংলাদেশ ফাইন্যান্সে চাকরির সুযোগ***বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার সূচি ও আসনবিন্যাস প্রকাশ

৫৩০ কোটি মোবাইল ই-বর্জ্য পরিবেশের ওপর কী প্রভাব ফেলছে?

- Advertisement -

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক, সুখবর বাংলা: মার্কেটে গিয়ে নতুন মডেলের একটি স্মার্ট মোবাইল ফোন পছন্দ হয়েছে তো কিনে নিলাম। নতুন মডেলের টিভি এসেছে স্মার্ট টিভি, তাও কিনে নিলাম। এই রকম অনেক নিত্য নতুন ইলেকট্রনিক্স পণ্য প্রতিনিয়তই বাজারে আসছে। এখন প্রশ্ন আগেরগুলোর কী অবস্থা বা পুরনোটার কি হবে? এই পুরানো ফোন, যা কিনা পড়ে থাকছে ঘরের ড্রয়ার, আলমারি অথবা গোডাউন বা এখানে সেখানে। এভাবেই এই বছরে বাতিল হবে ৫৩০ কোটি মোবাইল এবং যার ফলশ্রুতিতে এই ই-বর্জ্যের কারণে পরিবেশ দূষণের মাত্রা বাড়ছে।

আন্তর্জাতিক বর্জ্য বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম (ডব্লিউইইই) ফোরাম জানিয়েছে, বিশ্বব্যাপী এই মুহূর্তে আনুমানিক ১৬ বিলিয়ন বা এক হাজার ৬০০ কোটি মোবাইল ফোন রয়েছে। তার মধ্যে ৫ বিলিয়ন বা ৫০০ কোটির বেশি ফোন ২০২২ সালেই স্রেফ ফেলে দেওয়া হবে বা ব্যবহার করা বন্ধ করে দেওয়া হবে। বর্তমানে প্রচলিত অনেক ফোনই একবার নষ্ট হলে তা সারানো বা ব্যাটারি বদলের কোনো উপায়ই নেই। তাই ফেলে দেওয়াকেই নিয়তি মনে করা হচ্ছে।

কিন্তু এর ফলে পরিবেশের যে ক্ষতি হচ্ছে, তা সত্যিই অকল্পনীয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বছরে যে পরিমাণ ফোন বাতিলের খাতায় চলে যাচ্ছে, যদি সবগুলো ফোন একে অপরের উপর সমানভাবে রাখা হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে উচ্চতা ৫০ হাজার কিলোমিটার ছাড়িয়ে যাবে, যা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের চেয়েও একশো গুণ বেশি।

তারা বলছেন, ফোন তৈরির ক্ষেত্রে সোনা, তামা, রূপো, প্যালাডিয়ামসহ পুনর্ব্যবহারযোগ্য নানা ধরনের উপাদান থাকে। কিন্তু পুরাতন মোবাইল থেকে তা সংগ্রহ করে কাজে লাগানোর পরিকাঠামোই নেই বিশ্বজুড়ে। ফলে বাতিল হয়ে যাওয়া এসব অবাঞ্ছিত ডিভাইসগুলোর ভবিষ্যৎ বলতে কিছুই নেই। এগুলো স্রেফ ফেলে দেওয়া বা পুড়িয়ে ফেলা হবে। এর ফলে স্বাস্থ্যগত বা পরিবেশগত প্রভাব তো রয়েছেই। এর বাইরেও অন্য ধরনের ক্ষতি রয়েছে।

ডব্লিউইইই ফোরামের ডিরেক্টর প্যাসকেল লেরয় বলেন, আমরা যদি ফোনের মধ্যে থাকা এই উপাদানগুলো পুনর্ব্যবহার না করি, তাহলে আমাদেরকে এসব পদার্থের জন্য চীন বা কঙ্গোর মতো দেশে খনন কাজ বাড়াতে হবে। যাতে পরিবেশগত অন্য ধরনের ক্ষতি বিদ্যমান। এসবকে আপাতদৃষ্টিতে নগণ্য বস্তু মনে হতে পারে। তবে পুরো বিশ্বের হিসেব করলে তা বেশ বড় ধরনের ক্ষতির জোগান দিচ্ছে।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, বিশ্বের ই-বর্জ্যের মাত্র ১৭ শতাংশ পুনর্ব্যবহৃত হয়। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক টেলি কমিউনিকেশন ইউনিয়ন ২০২৩ সালের মধ্যে পুনর্ব্যবহারের মাত্রা ৩০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

এম এইচ/

আরো পড়ুন:

৩,২০০ মেগাপিক্সেলের ছবি তুলতে সক্ষম এই ডিজিটাল ক্যামেরা!

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ