spot_img
33 C
Dhaka
spot_imgspot_imgspot_imgspot_img

৫ই অক্টোবর, ২০২২ইং, ২০শে আশ্বিন, ১৪২৯বাংলা

সয়াবিন তেল আমদানিতে বাংলাদেশ তৃতীয়

- Advertisement -

সুখবর রিপোর্ট : সয়াবিন তেল আমদানিকারকদের বৈশ্বিক তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিসের তালিকা অনুযায়ী বাংলাদেশ সয়াবিন তেলের অষ্টম শীর্ষ ভোক্তা দেশ।

২০০৯ সালের পর থেকে দেশে ভোজ্যতেলটির অভ্যন্তরীণ চাহিদায় ধারাবাহিক চাঙ্গাভাব বজায় রয়েছে। এ ধারাবাহিকতায় ২০১৬ সালে দেশে সয়াবিন তেলের চাহিদা দাঁড়িয়েছিল ১০ লাখ ৫ হাজার টনে, যা আগের বছরের তুলনায় ২৮ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ বেশি। দেশের ইতিহাসে এটাই সয়াবিন তেলের সর্বোচ্চ চাহিদা।

২০১৭ সালে দেশে ভোজ্যতেলটির অভ্যন্তরীণ চাহিদা ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৯ লাখ ৯০ হাজার টনে। তবে সদ্যবিদায়ী ২০১৮ সালে বাংলাদেশে সয়াবিন তেলের চাহিদা ১ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ টনে, যা আগের বছরের তুলনায় ১০ হাজার টন বেশি।

অভ্যন্তরীণ চাহিদায় বিদ্যমান প্রবৃদ্ধির বিপরীতে ২০০৯ সালের পর থেকে দেশে সয়াবিন তেলের উৎপাদনে ধারাবাহিক চাঙ্গাভাব বজায় রয়েছে। ইউএসডিএর তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ সালে বাংলাদেশে সাকল্যে ২০ হাজার টন সয়াবিন তেল উৎপাদন হয়েছিল।

আট বছরের ব্যবধানে ২০১৭ সালে দেশে সয়াবিন তেলের উৎপাদন দাঁড়িয়েছে ২ লাখ টনে, যা আগের বছরের তুলনায় ২ দশমিক ৫৬ শতাংশ বেশি।

আর গত বছর দেশে সব মিলিয়ে ২ লাখ ৩২ হাজার টন সয়াবিন তেল উৎপাদন হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ১৬ শতাংশ বেশি। এর মধ্য দিয়ে ভোজ্যতেলটির উৎপাদনকারীদের বৈশ্বিক তালিকায় বাংলাদেশ ২১তম অবস্থানে উঠে এসেছে।

স্বাভাবিকভাবেই দেশের বাজারে সয়াবিন তেলের চাহিদা ও পণ্যটির নিজস্ব উৎপাদনের মধ্যে প্রায় সাড়ে সাত লাখ টনের ব্যবধান রয়েছে।

এ ব্যবধান পূরণের জন্য দেশীয় আমদানিকারকরা প্রতি বছর আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সয়াবিন তেল আমদানি করেন। অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়াসহ কয়েকটি দেশ থেকে সয়াবিন তেল আমদানি করা হয়।

ইউএসডিএর তথ্য অনুযায়ী, টানা চার বছরের চাঙ্গাভাবের ধারাবাহিকতায় ২০১৬ সালে দেশে সব মিলিয়ে ৮ লাখ ৩০ হাজার টন সয়াবিন তেল আমদানি করা হয়েছিল, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি। দেশের ইতিহাসে এটাই সয়াবিন তেল আমদানির সর্বোচ্চ রেকর্ড।

পরের বছর দেশের বাজারে ভোজ্যতেলটির মোট আমদানি ৬ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৭ লাখ ৮০ হাজার টনে।

এর মধ্য দিয়ে ভোজ্যতেলটির আমদানিকারকদের বৈশ্বিক তালিকায় বাংলাদেশ ভারতের পর দ্বিতীয় শীর্ষ অবস্থানে ছিল। সদ্যবিদায়ী ২০১৮ সালে দেশের বাজারে একই পরিমাণ সয়াবিন তেল আমদানি হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউএসডিএ।

তবে বছরের ব্যবধানে ভোজ্যতেলটির আমদানিকারকদের তালিকায় বাংলাদেশ নিজের অবস্থান এক ধাপ হারিয়েছে। ২০১৮ সালে চীন দ্বিতীয় শীর্ষ অবস্থানে উঠে আসায় বাংলাদেশ সয়াবিন তেল আমদানিকারকদের বৈশ্বিক তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে নেমে গেছে।

আর গত বছর ৩৪ লাখ টন সয়াবিন তেল আমদানির মধ্য দিয়ে তালিকায় শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে ভারত। ২০১৭ সালে চীন ৫ লাখ ৪৬ হাজার টন সয়াবিন তেল আমদানি করলেও গত বছর দেশটিতে ভোজ্যতেলটির আমদানির পরিমাণ ৪৬ দশমিক ৫২ শতাংশ বেড়ে ৮ লাখ টনে দাঁড়িয়েছে।

সেই হিসাবে, ২০১৮ সালে চীন বাংলাদেশের তুলনায় ২০ হাজার টন অতিরিক্ত সয়াবিন তেল আমদানি করেছে। চলতি বছর শেষে চীনের সয়াবিন তেল আমদানি বাড়লেও বাংলাদেশে সামান্য কমে আসতে পারে বলে মনে করছে প্রতিষ্ঠানটি।

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ