spot_img
30 C
Dhaka
spot_imgspot_imgspot_imgspot_img

১লা অক্টোবর, ২০২২ইং, ১৬ই আশ্বিন, ১৪২৯বাংলা

সৌদির অনুদানে কিউবায় প্রথম মসজিদ

- Advertisement -

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, সুখবর বাংলা: ল্যাটিন আমেরিকার দেশ কিউবায় প্রথমবারের মতো একটি মসজিদ তৈরি হচ্ছে। রাজধানী হাভানায় মসজিদটি নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ৯৩ লাখ মার্কিন ডলার। আর এর পুরো অর্থই অনুদান হিসেবে দিচ্ছে সৌদি আরব। রিয়াদে নিযুক্ত কিউবার রাষ্ট্রদূত এ তথ্য নিশ্চিত করেন। খবর মিডলইস্ট মনিটর।

প্রতিবেদনমতে, গত সপ্তাহে সৌদি রাষ্ট্রীয় টিভিতে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে কিউবার রাষ্ট্রদূত ভ্লাদিমির গঞ্জালেজ বলেন, ‘সৌদি আরবের দেয়া অনুদানে আমরা হাভানায় দেশের প্রথম মসজিদ নির্মাণ করতে যাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দেশে একটি ছোট মুসলিম সম্প্রদায় রয়েছে। তারা খুবই ঐক্যবদ্ধ। কিউবার মুসলিম জনগণের জীবনকে কিছুটা সহজ করতে পেরে আমি সম্মানিত।’

গত বছর সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্টের একটি প্রতিনিধিদল কিউবা সফর করে এবং দেশটির মধ্যাঞ্চলে একটি পানি ও পয়োনিষ্কাশন প্রকল্প উদ্বোধন করে। সে সময় প্রতিনিধিদল হাভানায় কিং সালমান মসজিদ প্রকল্পটিও পরিদর্শন করে। মসজিদটি নির্মাণে ব্যয় হবে আনুমানিক ৯৩ লাখ মার্কিন ডলার।

কিউবা ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জের একটি দেশ। উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার মধ্যস্থলে অবস্থিত দেশটি। কিউবা প্রায় ৪০০ বছর ধরে স্পেনের উপনিবেশ ছিল। এরপর ১৮৯৮ সালের এক যুদ্ধে মার্কিন ও কিউবান যোদ্ধাদের কাছে পরাজয়ের পর কিউবা ত্যাগ করে স্পেন। এরপর প্রায় চার বছর ধরে দেশটি দখল করে রাখে মার্কিন বাহিনী। ১৯০২ সালে একটি সরকারের হাতে কিউবার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ তুলে দেয় যুক্তরাষ্ট্র।

এরপরও কিউবার রাজনৈতিক উত্থান-পতন কখনো নির্দিষ্ট কোনো ধারায় ছিল না। নানা মত-পথ ও শাসন-শোষণ শেষে ১৯৫৯ সালে স্বৈরশাসক বাতিস্তা সরকারকে উৎখাত করেন বিপ্লবী নেতা ফিদেল ক্যাস্ত্রো। প্রবর্তন করেন একদলীয় কমিউনিস্ট শাসন, যা এখনও চলমান।

কমিউনিস্ট আদর্শ অনুসারে কিউবায় ধর্মপালন নিরুৎসাহিত করা হয়। ধর্মীয়ভাবে ক্যাথলিক খ্রিস্টানপ্রধান কিউবায় বহু গোষ্ঠী ও সংস্কৃতির সহাবস্থান ঘটেছে। তবে মুসলিমদের সংখ্যা এখনও তেমন উল্লেখযোগ্য নয়। দেশটিতে আনুমানিক নয় হাজার মুসলিম রয়েছে। তবে সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে।

মুসলিমরা স্বাধীনভাবে তাদের ধর্ম পালন করতে পারে না। মসজিদ না থাকায় দেশটির মুসলিমরা হয় বাড়িতে, না হয় অস্থায়ী কোনো জায়গায় নামাজ আদায় করে নেন। তবে জুমার নামাজে লোক বেশি হওয়ায় আরব হাউস নামে একটি ভবনে নামাজ পড়া হয়।

আরব হাউসে সাধারণত কিউবায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের মুসলিম কূটনীতিক ও পর্যটকরা নামাজ আদায় করে থাকেন। হাউসটি আসলে ছিল ধনী এক আরব অভিবাসীর। ১৯৪০-এর দশকে তিনি কিউবায় বসবাস করতেন এবং একসময় বাড়িটি নির্মাণ করেন।

আরো পড়ুন:

যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ