spot_img
29 C
Dhaka
spot_imgspot_imgspot_imgspot_img

৩রা অক্টোবর, ২০২২ইং, ১৮ই আশ্বিন, ১৪২৯বাংলা

সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তা কর্মচারীদের ঘুষ না খাওয়ার শপথ

- Advertisement -

সুখবর রিপোর্ট : সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঘুষ না খাওয়ার শপথ পড়িয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। সোমবার রাজধানীর আইডিবি ভবনে ব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলনে এ শপথ পড়ান তিনি।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অর্থমন্ত্রী কুরআনের একটি আয়াত সকলকে তিলাওয়াত করিয়ে ঘুষ না খাওয়ার প্রতিশ্রুতি নেন কর্মকর্তাদের কাছ থেকে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান আশরাফুল মকবুল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী বলেন, ঘুষ খাওয়া এবং দেওয়া দু’টিই সমান অপরাধ। তাকে ইনজেকশন দিয়েও কেউ ঘুষ খাওয়াতে পারবে না। আগামীতে ঘুষ না খেয়ে ভালো গ্রাহকদের ঋণ দিতে হবে। যে কোনো মূল্যে খেলাপি ঋণ কমাতে হবে। সবাই মিলে চাইলে সেটা সম্ভব।

পরিকল্পনামন্ত্রী থাকা অবস্থায় ট্যাগলাইন দিয়েছিলাম, ‘এখানে আপনার একটি স্বপ্ন আছে’। এ শ্লোগান সফল হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের এবারের ট্যাগলাইন ‘আমরা আপনার সততায় বিশ্বাসী’। আমি বিশ্বাস করি সততার সঙ্গে কাজ করলে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে আমরা অবশ্যই পৌঁছাব।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ এবং মাথাপিছু আয় এক হাজার ৯০৯ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ পৃথিবীর বুকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আগামী চার বছরের মধ্যে আমাদের জিডিপি প্রবৃদ্ধি দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির বলেন, অনেক সেক্টরে ভালো করলেও সোনালী ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি অনেক বেশি। অবলোপনকৃত লোনের পরিমাণ খুব একটা কমেনি এবং শ্রেণিকৃত ঋণেরও তেমন উন্নতি দেখা যাচ্ছে না। শ্রেণিকৃত ঋণের ৯০ শতাংশই কঠিন।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলাম বলেন, সোনালী ব্যাংককে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে। যাতে অন্য ব্যাংকগুলো সোনালীকে অনুসরণ করে।

সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ বলেন, ২০১৬ সালে দায়িত্ব নেওয়ার সময় ব্যাংকের নানা সমস্যা ছিল। এখন অর্জন হয়েছে। অর্জন সংহত রাখাই হবে আমাদের সবার দায়িত্ব।

এদিকে সম্মেলনে উপস্থাপিত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, খেলাপি ঋণ আগের বছরের প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা থেকে কমে ১২ হাজার কোটি টাকায় নেমেছে। খেলাপিদের থেকে আদায় বেড়েছে তিনগুণেরও বেশি।

ঋণখেলাপিদের থেকে ব্যাংকটি এবারে মোট তিন হাজার ৬৬৭ কোটি টাকা আদায় করেছে। এর মধ্যে শুধু শীর্ষ ২০ খেলাপি থেকে আদায় হয়েছে এক হাজার ৮১১ কোটি টাকা। সম্মেলনে ২০১৯ সালকে ‘অর্জন সংহত করার বছর’ ঘোষণা করা হয়।

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ