spot_img
33 C
Dhaka
spot_imgspot_imgspot_imgspot_img

৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ইং, ১৫ই আশ্বিন, ১৪২৯বাংলা

সেঞ্চুরিটা স্ত্রী আনুশকা ও মেয়ে ভামিকার জন্য: বিরাট কোহলি

- Advertisement -

ক্রীড়া ডেস্ক, সুখবর বাংলা: সেঞ্চুরি করাটা এক প্রকার অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছিলেন বিরাট কোহলি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে করে ফেলেছিলেন ৭০টি সেঞ্চুরি। শচীন টেন্ডুলকারের ১০০টি সেঞ্চুরির রেকর্ড তিনি ভেঙে ফেলবেন এমন আলোচনাও হয়েছিল একটা পর্যায়ে। সেই কোহলিই পাল্টে গেলেন হঠাৎ। প্রায় তিন বছর ধরে পাচ্ছিলেন না তিন অংকের দেখা। তবে ৭১তম সেঞ্চুরিটি যে কত তৃষিত তাঁর! ২০১৯ সালের ২৩ নভেম্বর সর্বশেষ তিন অঙ্কের দেখা পেয়েছিলেন। অবশেষে ফুরাল ১ হাজার ২০ দিনের অপেক্ষা!

এশিয়া কাপ দিয়েই ফর্মে ফিরছিলেন। তবে এর মধ্যেই বিদায় নিল ভারত, আফগানিস্তানের বিপক্ষে আজকের ম্যাচটি তাই নিয়ম রক্ষারই। নিয়মিত অধিনায়ক রোহিত শর্মাকে বিশ্রাম দিল ভারত, লোকেশ রাহুলের সঙ্গে ইনিংস ওপেন করতে এলেন কোহলি। আইপিএলে এখন নিয়মিতই ইনিংস ওপেন করেন তিনি, তবে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সর্বশেষ এ পজিশনে এসেছিলেন গত বছরের মার্চে। সেখানে ফিরেই সেঞ্চুরি–খরা কাটালেন তিনি।

৭১টি সেঞ্চুরি নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এখন যৌথভাবে রিকি পন্টিংয়ের সঙ্গে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তিন অঙ্কের মালিক হলেন কোহলি। ১০০টি সেঞ্চুরি নিয়ে সবার ওপরে শচীন টেন্ডুলকার।

মাত্র ৩২ বলেই ফিফটি করেছেন, সেঞ্চুরি করতে আজ কোহলির লেগেছে ৫৩ বল। মানে পরের ৫০ রান করতে মাত্র ২১ বল খেলেছেন তিনি। ইনিংসে সব মিলিয়ে ১২টি চারের সঙ্গে মেরেছেন ৬টি ছক্কা। আফগান স্পিনারদের ওপর বিশেষভাবে চড়াও হয়েছেন আজ, প্রিয় ফ্লিক শটে করেছেন ৪২ রান।

সেঞ্চুরির উদ্‌যাপনের অংশ হিসেবেই গলায় ঝোলানো লকেটে চুমু খেয়েছেন কোহলি। পরে সঞ্জয় মাঞ্জরেকারকে স্টার স্পোর্টসে বলেছেন, সেঞ্চুরিটা স্ত্রী আনুশকা শর্মা ও মেয়ে ভামিকার জন্য, ‘গত আড়াই বছর আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। এক মাসের মধ্যে ৩৪ পূর্ণ করব আমি। বুনো যে উদ্‌যাপন (সেঞ্চুরির পর), সেগুলো আসলে অতীত এখন। আসলে আমি অবাকই হয়েছি। এ সংস্করণে সেঞ্চুরি পাব, ভাবতেই পারিনি। আসলে অনেক কিছুর সমন্বয় এটি।’

‘দল আমাকে সহায়তা করেছে। আমি জানতাম, বাইরে অনেক কিছুই ঘটছে। লকেটে চুমু খেয়েছি; কারণ, আপনি আমাকে এখানে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখছেন শুধু একজনের জন্যই। সে আমাকে অনেক কিছুই অন্যভাবে দেখতে শিখিয়েছে। সে আনুশকা। আমার এই সেঞ্চুরি তার জন্য, আমাদের ছোট মেয়ে ভামিকার জন্যও। যখন আপনার পাশে বসে কেউ কথাবার্তাকে এভাবে নিতে পারবে, যেমন আনুশকা করেছে…আমি আসলে মরিয়া ছিলাম না। ছয় সপ্তাহে তরতাজা হয়ে এসেছি। বুঝেছিলাম, কতটা ক্লান্ত আমি। প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, এ বিরতির কারণেই আমার খেলাকে আবার উপভোগ করতে পারছি,’ বলেন কোহলি।

আরও পড়ুন:

কোহলির অপেক্ষা শেষের ম্যাচে ভারতের বড় জয়

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ