spot_img
19 C
Dhaka

৬ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ইং, ২৩শে মাঘ, ১৪২৯বাংলা

সিরাজগঞ্জে মধু সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ৩০০ মেট্রিক টন

- Advertisement -

নিজস্ব প্রতিবেদক, সুখবর ডটকম: এ বছর সিরাজগঞ্জে মধু সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০০ মেট্রিক টন। লক্ষ্য বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে সরিষা ক্ষেতের পাশে তিন শতাধিক চাষি তাদের খামারের মৌ বাক্স স্থাপন করেছে। আর এ মধু সংগ্রহের সময় মৌমাছির পরাগায়নের ফলে সরিষার ফলন বাড়বে বলে আশা করেছেন স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

মৌমাছি চাষিরা বলছেন, মধু উৎপাদন অব্যাহত রাখতে ও মৌমাছি বাঁচাতে সরিষা ফুলে  অযাচিত কীটনাশক ব্যবহার বন্ধে কৃষকদের সচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, এ বছর জেলায় ৬১ হাজার হেক্টরের বেশি জমিতে রবি সরিষার আবাদ হয়েছে। আর এ থেকে মধু সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০০ মেট্রিক টন মধু।

জেলা কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়, এই পদ্ধতিতে মধু আহরণে চাষি ও কৃষক দুপক্ষই লাভবান হন। মৌমাছি মধু সংগ্রহের সময় ফুলে ফুলে উড়ে উড়ে পরাগায়ন ঘটায়। এতে সরষের উৎপাদন ১৫ শতাংশ বেশি হয়। মৌসুমে মধু চাষিদের উৎপাদিত মধু মাঠ থেকে বড় বড় কোম্পানি কিনে নিয়ে যায়। প্রতি কেজি মধু ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হয়।

উল্লাপাড়া উপজেলার বয়ড়া গ্রামের মধু চাষি আব্দুল মান্নান বলেন, উপজেলার ধরইল চরপাড়া এলাকার সরিষা মাঠে ৩০০ মৌ বাক্স বসিয়েছি। এখনো মধু সংগ্রহ শুরু করিনি। আশা করছি এ বছর এক মেট্রিক টন মধু সংগ্রহ করতে পারবো।

সিরাজগঞ্জ মৌচাষি সমিতির সাবেক সভাপতি আব্দুর রশিদ বলেন, আমার খামারে ২৫০টি মৌ বাক্স রয়েছে। মধু সংগ্রহের প্রস্তুতি নিয়েছি। তবে গত বছর কৃষকরা জমিতে অধিক ফলনের আশায় সরিষা ফুলে হরমন জাতীয় কীটনাশক প্রয়োগ করে। এতে অনেক মৌমাছি মারা যায়। অনেক চাষি লোকসানে পড়েন। এবার যাতে কৃষকরা জমিতে কীটনাশক স্প্রে করতে না পারেন সেজন্য কৃষি বিভাগের মাধ্যমে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সূবর্ণা ইয়াসমিন সুমি গণমাধ্যমকে বলেন, এ বছর উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় এক হাজার ৭৫০ হেক্টর বেশি জমিতে সরষের আবাদ হচ্ছে। উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি প্রণোদনায় বহু ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে ফলনশীল সরিষা বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হয়েছে।

সিরাজগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক বাবুল কুমার সূত্রধর গণমাধ্যমকে বলেন, আগামী তিন বছরে জেলায় ৪০ ভাগ তৈল উৎপাদন বৃদ্ধির পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আমরা সরিষা চাষের ওপর জোর দিয়েছি। এবার ৬১ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষাবাদ হয়েছে।

তিনি বলেন, এ বছর জেলায় সরিষা ফুল থেকে ৩০০ মেট্রিক টন মধু সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আবহাওয়া অনুকূলে মধু সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে বলে জানান এই কৃষি কর্মকর্তা।

এম/

আরো পড়ুন:

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ