spot_img
25 C
Dhaka

২৭শে নভেম্বর, ২০২২ইং, ১২ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯বাংলা

সর্বশেষ

সাবিনা-কৃষ্ণার উত্তরসূরির খোঁজে ছোটন

- Advertisement -

ক্রীড়া ডেস্ক, সুখবর বাংলা: নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে নতুন ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ। নেপালকে হারিয়ে প্রথমবার সাফে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা । সেই ধারাবাহিকতার স্বপ্ন নিয়ে আজ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে সাফ অনুর্ধ-১৫ টুর্নামেন্ট।

উদ্বোধনী দিনে স্বাগতিক বাংলাদেশের মুখোমুখি হবে ভুটান। বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে বিকেল সাড়ে চারটায়। টুর্নামেন্টের তৃতীয় দল নেপাল। অনুর্ধ্ব পর্যায়ে বাংলাদেশের সাফল্য রয়েছে বেশ কয়েকটি। ভারত না থাকায় এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশই ফেভারিট।

বাংলাদেশের কোচ ছোটন টুর্নামেন্টের লক্ষ্য সম্পর্কে বলেন, ‘আমাদের প্রথম উদ্দেশ্য সাবিনা-কৃষ্ণা ও সানাজিদাদের উত্তরসূরি বের করা। যেহেতু টুর্নামেন্ট তাই শিরোপা জেতাটাও উদ্দেশ্য। তবে এটা দ্বিতীয় লক্ষ্য।’

গত সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ সিনিয়র নারী ফুটবল দল নেপালকে নেপালের মাটিতে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে। এবার অনুর্ধ্ব-১৫ টুর্নামেন্টে বাংলাদেশকে হারিয়ে শিরোপা জিতে প্রতিশোধ নিতে চান নেপালের কোচ ভাগ্যতী রানা মাগার, ‘আমরা অবশ্যই প্রতিশোধ নিতে চাই।

শিরোপা নিয়ে ফিরতে চাই।’ ভারত না থাকায় এই টুর্নামেন্টে প্রতিদ্বন্দ্বিতা কমবে কিনা এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘ভারত নেই তো কি হয়েছে, তিন দলই সমান যোগ্যতা সম্পন্ন।

ভুটানের কোচ ইয়াংচেনের কণ্ঠ অতটা দৃঢ় নয়, ‘আমাদের এই মেয়েরা দেশের বাইরে প্রথম খেলবে। এই টুর্নামেন্ট দিয়েই আন্তর্জাতিক অভিষেক হবে তাদের।’

তিন দলের সকল ফুটবলারেরই আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অভিষেক ঘটবে এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমে। ভুটান ও নেপালের দায়িত্বে রয়েছেন ২ নারী কোচ।

দুই দলের সিনিয়র কোচরা অনুর্ধ্ব দলের দায়িত্ব নেননি। সেক্ষেত্রে ব্যতিক্রম বাংলাদেশ। গোলাম রব্বানী ছোটন সাবিনাদের মতো জুনিয়র টুর্নামেন্টেও কোচের দায়িত্বে।

নারী ফুটবলে অনুর্ধ্ব পর্যায়ে অনেক সাফল্য রয়েছে ছোটনের অধীনে। এই টুর্নামেন্টে স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে অভিজ্ঞ ছোটন।

তার অভিজ্ঞতা অন্যদের চেয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে রাখলেও প্রতিপক্ষদের কোচকেও যথেষ্ট সমীহ তাঁর, ‘প্রতিপক্ষ দুই দলের কোচও যথেষ্ট যোগ্য। আমার অভিজ্ঞতা দিয়ে চেষ্টা করব বাংলাদেশকে সফল করতে।’

১-১১ নভেম্বর চলবে এই টুর্নামেন্ট। তিন দল একে অন্যের সঙ্গে দুই বার করে মুখোমুখি হবে। চার ম্যাচ শেষে সর্বোচ্চ পয়েন্টধারী দল চ্যাম্পিয়ন হবে। একাধিক দলের পয়েন্ট সমান হলে হেড টু হেড বিবেচনা করে চ্যাম্পিয়ন নির্ধারণ করা হবে।

২০১৭ সালে নারীদের সাফ অ-১৫ বয়স ভিত্তিক টুর্নামেন্ট শুরু হয়। বাংলাদেশ প্রথম আসরের চ্যাম্পিয়ন দল। এর পর দুই বার রানার  আপও হয়েছিল লাল-সবুজ মেয়েরা। সেই দুই বারই ভারত চ্যাম্পিয়ন ছিল।

এসি/

আরো পড়ুন:

পাঁচ মাসে চার টুর্নামেন্ট খেলবে নারী ফুটবলাররা

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ