spot_img
20 C
Dhaka

৪ঠা ডিসেম্বর, ২০২২ইং, ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯বাংলা

সচিবকে অবসরে পাঠানোর কারণ জানি না: তথ্যমন্ত্রী

- Advertisement -

নিজস্ব প্রতিবেদক, সুখবর বাংলা: চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তথ্যসচিব মো. মকবুল হোসেনকে বাধ্যতামূলক অবসর পাঠানোর অন্তর্নিহিত কারণ জানেন না তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

সোমবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে টেলিভিশন শিল্পী, পরিচালক, প্রযোজক, কুশলীলবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্য সচিবকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর কারণ জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কাল দেখেছি। কি কারণ এটা আমি জানি না। অন্তর্হিত কারণ জানি না। এটা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বলতে পারে। ব্যাখ্যা তারাই দিতে পারবে। তবে তথ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ স্বাভাবিকভাবেই চলছিল।’

তিনি বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা সরকারের মধ্যে অতীতেও ঘটেছে। সচিবের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে সরিয়ে দেয়া বা তাকে অবসর দিয়ে অন্যত্র যুক্ত করার ঘটনাও ঘটেছে। এর যথাযথ ব্যাখ্যা একমাত্র জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় দিতে পারবে।’

মন্ত্রণালয়ের নানা প্রকল্প নিয়ে অনিয়ম দুর্নীতির কোনো অভিযোগ ছিল কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়ার পর তা মনিটর করি। যে কাউকে নিয়েই আমি কাজ করতে পারি। কারণ সব কাজ আমি নিজে তদারকি করি।’

গতকাল রোববার (১৬ অক্টোবর) তাকে অবসরে পাঠানোর বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

সোমবার (১৭ অক্টোবর) তথ্য মন্ত্রণালয় ও সচিবালয়ের বিভিন্ন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, এ ব্যাপারে তারা কিছুই জানেন না।

তবে মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আর্থিক অনিয়ম ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন সব দফতর ও সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদোন্নতির ফাইল আটকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। এই কারণেই তাকে সরিয়ে দেওয়ার কথা চাউড় হয়।

মকবুল হোসেনকে দায়িত্ব থেকে অপসারণ করা হলেও সোমবার দুপুর পর্যন্ত তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে তার নাম দেখা গেছে।

স্বাভাবিকভাবে ২০২৩ সালের ২৫ অক্টোবর চাকরি থেকে অবসরে যাওয়ার কথা ছিল মকবুল হোসেনের। তবে রোববার ‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’এর ধারা ৪৫ অনুযায়ী জনস্বার্থে সরকারি চাকরি থেকে তাকে অবসরে পাঠায় সরকার।

সরকারি চাকরির ৪৫ ধারাতে বলা হয়েছে, ‘কোনো সরকারি কর্মচারীর চাকরির মেয়াদ ২৫ (পঁচিশ) বছর পূর্ণ হওয়ার পর যেকোনো সময় সরকার, জনস্বার্থে, প্রয়োজন মনে করলে কোনো কারণ ছাড়াই তাকে চাকরি থেকে অবসরে পাঠাতে পারবে। তবে সেক্ষেত্রে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ রাষ্ট্রপতির অনুমোদন গ্রহণ করবে।

গত বছরের ৩১ মে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে যোগ দেন মকবুল হোসেন। এর আগে তিনি যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদফতরে রেজিস্ট্রার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাছাড়া বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

ওআ/

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ