spot_img
27 C
Dhaka

২৭শে নভেম্বর, ২০২২ইং, ১২ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯বাংলা

সর্বশেষ
***জঙ্গি ছিনতাইয়ের মামলার আসামি ইদি আমিনের আত্মসমর্পণ***অনলাইন গণমাধ্যম কর্মীদের নিয়ে জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের প্রশিক্ষণ কর্মশালা***নিজের জন্য পাত্র চাইলেন স্বস্তিকা***জলাশয়ের অপর্যাপ্ত ব্যবস্থাপনাই পাকিস্তানের বন্যা ও খরার মূল কারণ***ইউক্রেনের ক্ষমতা থেকে নব্য-নাৎসীবাদীদের বিতাড়িত করতে হবে : রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী***২০২৩ বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ***পাকিস্তানে নির্বাহী ভাতা না পেয়ে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বিক্ষোভের ডাক***জার্সিতে সমর্থন, জার্সিতে ফ্যাশন***মেসিকে ‘উড়ন্ত চুমু’ দিয়ে যা বললেন পরীমণি***বড় ঋণখেলাপিরা কি ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকবে? : দুদককে হাইকোর্ট

শিল্পীদের এখন থেকে আর দুস্থ শিল্পী বলা যাবে না : সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

- Advertisement -

বিনোদন প্রতিবেদক: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, শিল্পীরাই সংস্কৃতির ধারক ও বাহক। তাদের সৃজনশীল সৃষ্টিকর্ম চিরস্থায়ী করে রাখতে ও নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চলতি অর্থবছরে খ্যাতনামা আরও ২০ শিল্পীর ওয়েবসাইট তৈরি করা হবে। এর মাধ্যমে তাদের সৃজনশীল কর্ম সংরক্ষণের পাশাপাশি যথাযথ রয়্যালটি প্রাপ্তির অধিকারও নিশ্চিত হবে।

তিনি বলেন, ‘শিল্পীদের এখন থেকে আর দুস্থ শিল্পী বলা যাবে না। আমরা বলতে পারি, অসচ্ছল শিল্পী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিল্পীদের সহযোগিতার জন্য ৫০ কোটি টাকার একটি তহবিল করে দিয়েছেন। সেখান থেকে আমরা শিল্পীদের জন্য সহযোগিতার ব্যবস্থা করব।’

তিনি আরও বলেন, সংগীত সংশ্লিষ্ট তিনটি প্রতিষ্ঠান যথাক্রমে গীতিকবি সংঘ বাংলাদেশ, সিংগার্স অ্যাসোসিয়েশন ও মিউজিক কম্পোজার্স সোসাইটির প্রতিনিধিরা সভা করে ঠিক করবেন কোন ২০ শিল্পীর ওয়েবসাইট তৈরি করা হবে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন বাংলাদেশ কপিরাইট অফিস এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেবে।

শনিবার (১২ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় আর্কাইভস ভবনের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ কপিরাইট অফিস আয়োজিত ‘মরমি কবি হাসন রাজা, বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিম এবং প্রখ্যাত রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার সংগীতকর্মের ওয়েবসাইট উদ্বোধন’ এবং রয়্যালিটির চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

কে এম খালিদ বলেন, বর্তমান সরকার শিল্পীদের কল্যাণে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ১৮তম দপ্তর হিসেবে যাত্রা শুরু করেছে ‘বাংলাদেশ শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট’। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংস্থাটিতে সিড মানি হিসেবে ৫০ কোটি টাকা দিয়েছেন।

বর্তমান সরকার সংগীতসহ শিল্পের বিভিন্ন শাখার পৃষ্ঠপোষকতা, চর্চা, সংরক্ষণ ও প্রসারে কাজ করছে। নান্দনিক স্থাপত্য নকশায় নির্মাণাধীন ১৩ তলা কপিরাইট ভবনের একটি ফ্লোর ‘মিউজিক মিউজিয়াম’ প্রতিষ্ঠার জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের গানগুলোর ডিজিটাল আর্কাইভিংয়ের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

রেজিস্ট্রার অব কপিরাইটস দাউদ মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন প্রাক্তন রেজিস্ট্রার অব কপিরাইটস জাফর রাজা চৌধুরী, সংগীত শিল্পী খুরশিদ আলম, রফিকুল আলম, সুজিত মোস্তফা, মনির খান, গীতিকবি আসিফ ইকবাল, প্রয়াত আইয়ুব বাচ্চুর স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার চন্দনা, প্রয়াত এন্ড্রু কিশোরের স্ত্রী লিপিকা এন্ড্রু। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কপিরাইট ডেপুটি রেজিস্ট্রার প্রিয়াংকা দেবী পাল।

ওয়েবসাইটগুলো সম্পর্কে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন দেন জেডএম স্টুডিওর স্বত্বাধিকারী গোলাম মোর্শেদ জুয়েল। অনুভূতি প্রকাশ করেন প্রখ্যাত রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, হাসন রাজার প্রপৌত্র সামারীন দেওয়ান ও বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিমের ছেলে বিশিষ্ট বাউল শিল্পী শাহ নূর জালাল।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিমের ছেলে বিশিষ্ট বাউল শিল্পী শাহ নূর জালালের হাতে গত এক বছরে শাহ আব্দুল করিমের গানের রয়্যালটি বাবদ বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যম হতে প্রাপ্ত ১০ হাজার ডলারের চেক হস্তান্তর করেন।

এসি/

আরো পড়ুন:

রাজের ভাষায় পরীমনি কি তবে মিথ্যাবাদী?

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ