spot_img
20 C
Dhaka

৫ই ডিসেম্বর, ২০২২ইং, ২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯বাংলা

সর্বশেষ
***অসাধু ব্যবসায়ীদের জেলে পাঠানোর হুঁশিয়ারি দিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী***ইইউতে পোশাক রপ্তানিতে চীনকে ছাড়িয়ে গেছে বাংলাদেশ***চীনের লকডাউন নীতি প্রভাব ফেলছে রপ্তানি-জ্বালানি শিল্পের ওপর***বিশ্বকাপে দল না থাকলেও মাঠে দর্শকের তালিকায় দ্বিতীয় ভারত***চীনা ভ্যাকসিনের অকার্যকারিতার পরও বিদেশি ভ্যাকসিন নিতে অস্বীকৃতি চীন সরকারের***পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলায় তিন পুলিশ সদস্য নিহত***চীনের শূন্য কোভিড নীতি প্রভাব ফেলেছে অর্থনীতিতে***মিরাজ-মুস্তাফিজ জুটিতে টাইগারদের ঐতিহাসিক জয়***শিক্ষক নিয়োগ দেবে রোকেয়া বেগম ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ***শিক্ষক নিয়োগ দেবে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ

স্নায়ুরোগ নিয়ে হতে হবে আরো সচেতন

- Advertisement -

নিজস্ব প্রতিবেদক, সুখবর বাংলাএমন বহু রোগ রয়েছে, যা সম্পর্কে সাধারণ মানুষ অবহিত নন। এমনই একটি ভাইরাসজনিত স্নায়ুর রোগ রামসে হান্ট সিন্ড্রোম। ঠিক সময়ে ধরা না পড়লে এটি গুরুতর হতেও পারে।

এমনিতেই রোগ নিয়ে মানুষের সচেতনতা কম। সাধারণত যে সব রোগ নিয়ে প্রচার বেশি হয় সেই রোগ নিয়েই সামান্য সচেতনতা দেখা যায়। তার ওপর স্নায়ুরোগ সম্পর্কে প্রচার হয় না বললেই চলে। ফলে তা নিয়ে সচেতনতাও কম। কিন্তু সঠিক সময় চিকিৎসা হলে রোগী রোগমুক্ত হতে পারেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হারপিস সাধারণত চামড়ার রোগ। ছোট ছোট ফুসকুড়ির মতো হারপিস মুখ বা শরীরের যে কোনো অঙ্গের চামড়ায় হতে পারে। কানের ভেতরের একটি সংবেদনশীল নার্ভে যখন হারপিস হয়, তখন তাকে বলা হয় রামসে হান্ট সিন্ড্রোম। হারপিস রোগ সাধারণত বয়স্কদের বেশি হয়। তবে রামসে হান্ট সিন্ড্রোম যে কোনো বয়সের মানুষের হতে পারে। হারপিস ভাইরাস একবার শরীরে প্রবেশ করলে তা থেকে যাওয়ার আশঙ্কা বেশি।

চিকিৎসকরা বলছেন, কানের ভেতরে দুটি গুরুত্বপূর্ণ নার্ভের অবস্থান। একটি শোনার জন্য, অন্যটির সঙ্গে মুখের পেশির যোগ রয়েছে। কানের লতির পেছন দিক দিয়ে ওই নার্ভ বেরিয়ে মুখের পেশির সঙ্গে যুক্ত হয়। রামসে হান্ট সিন্ড্রোম হলে কান ও মুখের নার্ভ দুটিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ভারতীয় স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জয়ন্ত রায় জানিয়েছেন, চিকেন পক্সের নেপথ্যে যে ভ্যারিসেলা ভাইরাসটি থাকে, সেই গোত্রের একটি ভাইরাস হলো হারপিস জোস্টার। রামসে হান্ট সিন্ড্রোম রোগটি হয় এই ভাইরাসের কারণে।

তিনি জানান, কারও চিকেন পক্স ভালো হয়ে যাওয়ার অনেক দিন পরেও এর জীবাণু স্নায়ুতন্ত্রের মধ্যে সুপ্ত অবস্থায় থাকতে পারে। পরবর্তীকালে কোনো কারণে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে এ জীবাণু সুপ্ত অবস্থা থেকে সক্রিয় হয়ে আক্রমণ করতে পারে। মূলত একে ‘হারপিস জোস্টার’ বলে।

এ রোগের উপসর্গ হিসেবে প্রথমে কানে ব্যথা হয়। এরপর কানে শুনতে সমস্যা হয়। কানের চামড়ায় (বাইরে থেকে দৃশ্যমান) হারপিস বা জলফোসকার মতো হয়। এর সঙ্গে মুখের পেশির যোগ থাকায় মুখটাও বেঁকে যায়, যা এক ধরনের ফেশিয়াল প্যারালিসিস। পেশিগুলো দুর্বল হয়ে যাওয়ায় কুলকুচি করতে সমস্যা হতে পারে। চোখের পাতা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। অর্থাৎ মুখের পেশি দ্বারা যে কাজগুলো সাধারণত হয়ে থাকে, সেগুলোকে প্রভাবিত করে রামসে হান্ট সিন্ড্রোম। শ্রবণশক্তিও ক্রমশ কমতে পারে।

ডা. জয়ন্ত রায় জানিয়েছেন, যত তাড়াতাড়ি শনাক্ত করা যায়, ততই ভালো। হারপিসের ভালো ওষুধ রয়েছে, যা থেকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রোগের প্রতিকার সম্ভব। এ ছাড়া মুখের পেশির দুর্বলতার জন্য ফিজ়িয়োথেরাপির প্রয়োজন পড়ে। রোগের গুরুত্বের নিরিখে কারও সারতে বেশি সময় লাগতে পারে, কারও বা খানিক কম। তবে সেরে যায়। তাই যত তাড়াতাড়ি সচেতন হওয়া যায়, ততই ভালো। উপসর্গগুলো দেখলে সময়মতো রোগের চিকিৎসা করানোই সমীচীন।

আরও পড়ুন:

এবার নাসার টেলিস্কোপে ধরা পড়ল দূর গ্রহে পানির অস্তিত্ব

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ