spot_img
25 C
Dhaka

২রা ডিসেম্বর, ২০২২ইং, ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯বাংলা

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

- Advertisement -

নিজস্ব প্রতিবেদক, সুখবর বাংলা: রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। সোমবার (০৭ নভেম্বর) রাজশাহী মেট্টোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত-৪ এর বিচারক ফয়সাল তারেক শুনানি শেষে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন।

ওই দুই কর্মকর্তা হলেন- উপ-পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) মঞ্জুর রহমান খান ও উপ-সচিব (ক্রীড়া অফিসার) ওয়ালিদ হোসেন। এদের মধ্যে মঞ্জুর রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের অফিসার্স কল্যাণ সমিতির সভাপতি ও ওয়ালিদ হোসেন সাধারন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

গত বছরের ১৮ অক্টোবর রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের সাবেক সচিব অধ্যাপক মোয়াজ্জেম হোসেন বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিলেন।

২০২১ সালের ১২ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সচিবের কক্ষে ঢুকে তাঁকে মারধরের চেষ্টা ও ত্রাস সৃষ্টির অভিযোগে মামলাটি করা হয়।
বাদীর আইনজীবী একরামুল হক জানান, এ মামলায় আসামিদের হাজির হতে সমন জারি করেছিলেন আদালত। কিন্তু দুই আসামি মামলার নির্ধারিত দিন সোমবার আদালতে হাজির হননি। তাই আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন। নগরীর রাজপাড়া থানার পুলিশকে গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, ঘটনার সময় মামলার বাদী অধ্যাপক মোয়াজ্জেম প্রেষণে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের সচিব পদে কর্মরত ছিলেন। তিনি বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা। এজাহারে বলা হয়, তিনি ২০২১ সালের ১২ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় বোর্ডের হিসাব বিভাগের উপপরিচালক অধ্যাপক বাদশা হোসেনের সঙ্গে নিজ দপ্তরে বৈঠক করছিলেন।

এ সময় বোর্ডের উপসচিব ওয়ালিদ হোসেন ও হিসাব কর্মকর্তা মানিক চন্দ্র সেন জোর করে কক্ষে প্রবেশ করেন। ওয়ালিদ হোসেন মারমুখী হয়ে সচিবকে চড় মারতে উদ্যত হন। কিছুক্ষণ পরেই কক্ষে প্রবেশ করেন উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মঞ্জুর রহমান খান। তারা সঙ্গবদ্ধ হয়ে সচিবের কক্ষে তাণ্ডব চালান।

এদিকে পরিস্থিতি দেখে দায়িত্বরত আনসার সদস্য তাদের দরজা আটকে দেন। ওয়ালিদ হোসেন ও মঞ্জুর রহমান খান সচিবের কক্ষের ভেতরে কিছু সময় ত্রাস সৃষ্টি করেন এবং সচিবকে গালাগাল দিতে থাকেন। প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেন তারা।

সচিবের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে। পুরো ঘটনাটি শিক্ষা বোর্ডের সিসিটিভিতে রেকর্ড হয়। অন্যদিকে এ ঘটনার তদন্ত করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তদন্তে বোর্ডের দুই কর্মকর্তাসহ আরও কয়েকজনকে দোষী সাব্যস্ত করে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।

বাদীর আইনজীবী একরামুল হক বলেন, দুই আসামি যেদিন জামিনের জন্য আদালতে উপস্থিত হবে, সেদিনই বোর্ড কর্তৃপক্ষ তাদের সাময়িক বরখাস্ত করতে পারবে। সরকারি চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আদালতের কাছে আবেদন করা হবে বলেও জানান তিনি।

এসি/

আরো পড়ুন:

এইচএসসির প্রশ্নপত্রে সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক কথা, জড়িতদের চিহ্নিত করার কাজ শুরু

 

 

 

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ