spot_img
27 C
Dhaka

২৯শে নভেম্বর, ২০২২ইং, ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯বাংলা

সর্বশেষ
***যৌনপল্লীর গল্প নিয়ে পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘রঙবাজার’***কেন ক্ষমা চাইলেন কিংবদন্তি গায়ক বব ডিলান***বিলুপ্তপ্রায় কুমিরের সন্ধান, পুনর্ভবা নদীর তীরে মানুষের ভিড়***সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নয়, নয়াপল্টনেই হবে সমাবেশ : বিএনপি***পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসী দল টিটিপি ইসলামাবাদের গলার কাঁটা?***পাকিস্তান-আফগানিস্তানের সম্পর্ক কি শেষের পথে?***শীত মৌসুম, তুষার এবং বরফকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে রাশিয়া : ন্যাটো***নানা সুবিধাসহ বাংলাদেশ ফাইন্যান্সে চাকরির সুযোগ***বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার সূচি ও আসনবিন্যাস প্রকাশ***পৃথিবীর কিছু অবিশ্বাস্য সৃষ্টি, যা আপনার কাছে খুবই আশ্চর্যজনক লাগবে

রবার্ট এফ কেনেডি মানবাধিকার পুরস্কার পেলেন হ্যারি–মেগান

- Advertisement -

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, সুখবর ডটকম: সম্মানজনক রবার্ট এফ কেনেডি মানবাধিকার পুরস্কার পেয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রিন্স হ্যারি ও তাঁর স্ত্রী মেগান মার্কেল। ব্রিটিশ রাজপরিবারের জৌলুশপূর্ণ জীবনের আড়ালে নারীদের অবর্ণনীয় কষ্ট ও বর্ণবাদের কথা প্রকাশ করায় তাঁরা এই পুরস্কার পেয়েছেন। আগামী ৬ ডিসেম্বর নিউইয়র্কে এই দম্পতির পুরস্কার গ্রহণ করার কথা রয়েছে। খবর এনডিটিভির।

গত বছরের মার্চে জনপ্রিয় মার্কিন উপস্থাপক অপরাহ্‌ উইনফ্রেকে দেওয়া বিশেষ এক সাক্ষাৎকারে কয়েকশ বছরের পুরোনো ব্রিটিশ রাজপরিবার সম্পর্কে অনেক অজানা ও অপ্রিয় কথা প্রকাশ করেন ডিউক ও ডাচেস অব সাসেক্স হ্যারি ও মেগান। ওই সাক্ষাৎকারে মেগান বলেন, বাকিংহাম প্যালেসের একজন শিকারে পরিণত হয়েছিলেন তিনি। তাঁর ছেলে আর্চির গায়ের রং কত কালো হতে পারে, সে অনুমান থেকে শুরু করে তিনি বন্ধুদের সঙ্গে কতবার মধ্যাহ্নভোজে গেছেন, সবকিছুতে নাক গলাত প্যালেস।

এর আগে ২০২০ সালের জানুয়ারিতে আনুষ্ঠানিকভাবে রাজদায়িত্ব ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাকাপাকি বসবাস শুরু করেছিলেন এই দম্পতি। হ্যারি-মেগানের পুরস্কার প্রাপ্তির বিষয়ে মানবাধিকারকর্মী ক্যানি কেনেডি এক সাক্ষাৎকারে মঙ্গলবার বলেন, ব্রিটিশ রাজপরিবারের বর্ণবাদের গল্প পৃথিবীর সামনে প্রকাশ করায় হ্যারি-মেগানকে সম্মানজনক মানবাধিকার পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।

ক্যানি কেনেডি আরও বলেন, তাঁরা (হ্যারি ও মেগান) যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে পুরোনো একটি প্রতিষ্ঠান ছেড়ে এসেছেন। তাঁরা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছেন, রাজপরিবার যুগের পর যুগ ধরে ভুল কাজ করে এসেছে। তাঁরা কাঠামোগত বর্ণবাদের ভেতরে বসবাস করতে পারেন না। এমনকি তাঁরা তাঁদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে ভুল-বোঝাবুঝির মধ্যে বসবাস করতে পারেন না। তাঁদের যা করার, তাঁরা সেটাই করেছেন। বিশ্ববাসী রাজপরিবারের ভেতরের অন্ধকারের কথা জানতে পেরেছে।

বিশ্বজুড়ে সমতা প্রতিষ্ঠা, মানবাধিকার রক্ষা ও সামাজিক পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা ব্যক্তিদের সম্মানজনক এই পুরস্কার দেওয়া হয়। এ বছর হ্যারি-মেগান ছাড়াও এ পুরস্কার পেয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও মার্কিন বাস্কেটবল খেলোয়াড় বিল রাসেল।

এম/আইকেজে

আরো পড়ুন:

বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এরদোয়ান-সিসির বিরল করমর্দন

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ