spot_img
26 C
Dhaka

১লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ইং, ১৮ই মাঘ, ১৪২৯বাংলা

মোদির সঙ্গে পুতিনের ফোনালাপ, ইউক্রেন বিষয়ে আলোচনা

- Advertisement -

ডেস্ক রিপোর্ট, সুখবর ডটকম: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সাথে ফোনালাপ করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ফোনালাপে এ দুই শীর্ষ নেতা পারস্পরিক বিনিয়োগ, জ্বালানি, কৃষি, পরিবহন সরবরাহ ইত্যাদি খাতের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাসমূহ নিয়ে আলোচনা করেন।

গতকাল শুক্রবার এই ফোনালাপে রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতও স্থান পায়। পুতিন তখন সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেন সংশ্লিষ্ট সমস্ত ঘটনাবলী সম্পর্কে মোদিকে অবহিত করেন।

এই দুই শীর্ষ নেতা, জি-২০ এবং সাংহাই সহযোগিতা সংস্থায় ভারতের সভাপতিত্বের কথা উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাঠামোর মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় অব্যাহত রাখার গুরুত্বের উপর জোর দেন।

এ বিষয়ে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, “রাশিয়া এবং ভারত বিশেষ কৌশলগত অংশীদারিত্বের নীতির উপর ভিত্তি করে উচ্চ স্তরের দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বিকাশ নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। নেতারা পারস্পরিক বিনিয়োগ, শক্তি, কৃষি, পরিবহন এবং সরবরাহ খাতে বাস্তবিক মিথস্ক্রিয়ার সম্ভাবনাগুলো বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেন। এসময়, নরেন্দ্র মোদির অনুরোধে, ইউক্রেনের বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা করেন পুতিন।”

ভারতের প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এক বিবৃতি থেকে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে শক্তি সহযোগিতা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা। তাছাড়াও এসসিও শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে সমরখন্দে তাদের বৈঠকের সময় যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছিল, সেগুলো নিয়েও আবার আলোচনা করেন তারা।

ইউক্রেনে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী মোদি আলোচনা ও কূটনীতিকে এগিয়ে যাওয়ার একমাত্র পথ বলে তার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন।

তাছাড়া জি-২০ সম্মেলনে ভারতের সভাপতিত্বের কথা উল্লেখ করে মোদি এর মূল অগ্রাধিকারগুলোকে তুলে ধরেন। সেই সাথে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থায় ভারতের সভাপতিত্বের সময় রাশিয়ার কাছ থেকে সহযোগিতারও আশা করেন। নেতারা একে অপরের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার ব্যাপারেও সম্মত হন।

চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে, সমরকন্দে তাদের শেষ বৈঠকের সময়, তারা বিভিন্ন স্তরে যোগাযোগসহ দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অগ্রগতির প্রশংসা করেন।

মোদি পুতিনকে বলেন, “আজকের যুগ যুদ্ধের নয়, বরং শান্তি প্রতিষ্ঠার। আমরা কিভাবে শান্তির পথে অগ্রসর হতে পারি আমাদের এ চিন্তাটাই করা উচিত। ভারত-রাশিয়া কয়েক দশক ধরে পরস্পরের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে চলছে। আমরা ভারত-রাশিয়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বেশ কয়েকবার ফোনে আলোচনা করেছি। এখন আমাদের খাদ্য, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং সারের সমস্যাগুলোর সমাধানের পথ খুঁজে বের করা উচিত।”

আই.কে.জে/

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ