spot_img
27 C
Dhaka

৩০শে নভেম্বর, ২০২২ইং, ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯বাংলা

সর্বশেষ
***আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতলে বাংলাদেশের উচ্ছ্বাস দেখতে আসবেন আর্জেন্টাইন সাংবাদিক***যৌনপল্লীর গল্প নিয়ে পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘রঙবাজার’***কেন ক্ষমা চাইলেন কিংবদন্তি গায়ক বব ডিলান***বিলুপ্তপ্রায় কুমিরের সন্ধান, পুনর্ভবা নদীর তীরে মানুষের ভিড়***সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নয়, নয়াপল্টনেই হবে সমাবেশ : বিএনপি***পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসী দল টিটিপি ইসলামাবাদের গলার কাঁটা?***পাকিস্তান-আফগানিস্তানের সম্পর্ক কি শেষের পথে?***শীত মৌসুম, তুষার এবং বরফকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে রাশিয়া : ন্যাটো***নানা সুবিধাসহ বাংলাদেশ ফাইন্যান্সে চাকরির সুযোগ***বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার সূচি ও আসনবিন্যাস প্রকাশ

মহাকাশে পাড়ি জমাতে চলেছে ভারতের প্রথম বেসরকারি রকেট

- Advertisement -

ডেস্ক রিপোর্ট: ভারতীয় বেসরকারি মহাকাশ নির্মাতা এবং বাণিজ্যিক লঞ্চ পরিষেবা সরবরাহকারী একটি সংস্থা স্কাইরুট। ভারতের প্রথম বেসরকারি উদ্যোগে নির্মিত রকেট তৈরি করেছে এ সংস্থাটি।

স্কাইরুট ঘোষণা করেছে, তাদের কোম্পানির নির্মিত এ রকেটটি আগামী ১৫ নভেম্বর, মঙ্গলবার, সকাল ১১ টায় উৎক্ষেপণ করা হবে। বিক্রম-এস’ নামের সাব-অরবিটাল রকেটটিকে ভারতের মহাকাশবন্দর সতীশ ধাওয়ান মহাকাশ কেন্দ্র, শ্রীহরিকোটা, অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে উৎক্ষেপণ করা হবে।

এই রকেটটি ভারতীয়রা নিজে ডিজাইন করেছে। যদিও এর আগে রকেটের উৎক্ষেপণের তারিখ ১২-১৬ নভেম্বরের ভেতর হবে বলে জানানো হয়েছিল। তবে উত্তর-পূর্ব মৌসুমী বায়ুর কারণে ভারতের পূর্ব উপকূলের আবহাওয়ার উপর ভিত্তি করে ১৫ তারিখটিকে নির্ধারণ করা হয়েছে।

“বিক্রম-এস” নামের স্কাইরুটের এই রকেটটি সাব-অরবিটাল কেন্দ্রে (সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার উপরে) তিনটি পেলোড তুলার ক্ষমতা রাখে। উল্লেখ্য সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার উপরে রয়েছে কারমাইন লাইন। এর উপরে থাকা যেকোন কিছুকেই মহাকাশে প্রবেশের পথ হিসেবে গণ্য করা হয় এবং এই কারমাইন লাইনের নিচের অংশ উচ্চ বায়ুমণ্ডলীয় পরীক্ষার জন্য অরবিটাল ফ্লাইট হিসেবে পরিচিত।

এ রকেটটি মহাকাশের বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা নিরীক্ষা সম্পন্ন করার জন্য সাহায্য করবে, যার ফলে মহাকাশ গবেষণায় ভারত আরো এক ধাপ এগিয়ে যাবে। ভারতীয় পদার্থবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী ডক্টর বিক্রম এ সারাভাইয়ের নামে এই বিক্রম সিরিজের রকেটের নামকরণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ভারতীয়দের সুযোগ সুবিধা এবং বিশ্বের বুকে ভারতের অবস্থান সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে ভারতীয় মহাকাশ কর্মসূচি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ডক্টর বিক্রম এ সারাভাই।

স্কাইরুট এরোস্পেসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও, পবন চন্দনা বলেছেন, ইসরো এবং ইনস্পেসের সহযোগিতায় এবং উন্নত প্রযুক্তির কল্যাণে রকেট নির্মাণের মাত্র কয়েকদিনের মধ্যেই তা উৎক্ষেপণ করতে সক্ষম হয়েছে ভারত। এ অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে “প্রারম্ভ”।

পবন আরো জানান যে, বিক্রম-এস একক পর্যায়ের একটি রকেট৷ জ্বালানি হিসেবে এখানে ব্যবহার করা হয়েছে এলুমিনিয়াম এবং এমোনিয়াম পারক্লোরেট। উল্লেখ্য, ইসরো (পূর্বে ইনকোস্পার নামে পরিচিত) ১৯৬০ এর দশকের শুরুতে ছোটখাটো রকেট নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা শুরু করে এবং ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির সূচনা করে। এ পর্যায়ে এসে বেসরকারি এ রকেট উৎক্ষেপণ ইসরোর জন্যেও এক নতুন যুগের সূচনা করবে।

পূর্বে ভারতের মহাকাশ গবেষণায় সরকারি প্রতিষ্ঠান, ইসরো এবং ইসরোর কয়েকটি প্রতিষ্ঠানই প্রাধান্য পেতো। তবে ২০২০ সালে সরকার মহাকাশ সেক্টর সংস্কারের কাজ শুরু করে। এর ফলে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোও যেন তাদের নিজস্ব রকেট, স্যাটেলাইট ইত্যাদি নির্মাণ করতে পারে সেজন্য তাদের সাহায্য সহযোগিতা করা হয়। এর মূল উদ্দেশ্য হলো বিশ্বে ভারতের অবস্থানকে আরো শক্ত করা এবং অর্থনৈতিকভাবেও লাভবান হওয়া।

এখনো বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা ক্ষেত্র অত্যন্ত ক্ষুদ্র। তবে কঠোর পরিশ্রম ও বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে মহাকাশ গবেষণা ক্ষেত্রে এ দেশকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে সবাই।

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ