spot_img
34 C
Dhaka
spot_imgspot_imgspot_imgspot_img

৬ই অক্টোবর, ২০২২ইং, ২১শে আশ্বিন, ১৪২৯বাংলা

শিল্পকলার পরিক্ষণ থিয়েটার হলে মঙ্গলবার মঞ্চস্থ হবে ‘মাধব মালঞ্চী’

- Advertisement -

বিনোদন প্রতিবেদক, সুখবর বাংলা: দেশের শীর্ষসারির নাট্যদল থিয়েটার আর্ট ইউনিট মঞ্চে এনেছে দলের ৩৬তম প্রযোজনা ‘মাধব মালঞ্চী’। মৈমনসিংহ গীতিকা অবলম্বনে বিভাস চক্রবর্তী রচিত নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন রোকেয়া রফিক বেবী। আগামী ২৬ জুলাই, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমীর জাতীয় নাট্যশালার পরীক্ষণ থিয়েটার মিলনায়তনে নাটকটির ৫ম প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে।

নাটকের সংগীত পরিকল্পনায় রয়েছেন সেলিম মাহবুব। আলো ও মঞ্চ পরিকল্পনা করেছেন জুনায়েদ ইউসুফ। সহ-নির্দেশনায় রয়েছেন মোকাদ্দেম মোরশেদ।

নির্দেশক রোকেয়া রফিক বেবী বলেন, প্রায় ৩২ বছর আগে বিভাস চক্রবর্তীর এই নাটকটি দেখেছিলাম, তখন থেকেই মনে দাগ কেটেছিল। কোভিড পরিস্থিতির পর আমাদের নাট্যদল নতুন প্রযোজনা হিসেবে এটি মঞ্চে এনেছে। নাটকটি নির্দেশনা দিতে গিয়ে নাটকের মালঞ্চীকে আমি দেখতে চেয়েছি নারী শক্তির প্রতীক হিসেবে।

‘মাধব মালঞ্চী’ বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের বহুল প্রচলিত ‘মাধব মালঞ্চী’ পালা। নাটকে দেখা যায়, দুর্লভ রাজা জীবনের শেষ প্রান্তে মাতৃহীন শিশুপুত্র মাধবকে পুত্রবধূ চন্দ্রবনের হাতে দিয়ে যান। ভাইদের ষড়যন্ত্রের ফলে কিশোর মাধবকে পালিয়ে দূর দেশে চলে যেতে হয়। সেখানে এক নাটকীয়তায় রাজকন্যা মালঞ্চীর প্রেমে পড়ে। কিন্তু মালঞ্চীর তখন বিয়ে অন্যত্র ঠিক। মালঞ্চী শর্ত দেয়, যদি এক রাতের মধ্যে মনপবনের নাও নিয়ে গুরগুরি গাছের নিচে অপেক্ষা করতে পারে, তবে মালঞ্চী সব ছেড়ে চলে আসবে। মালঞ্চীর কথামতো সে ব্যবস্থা করে মাধব। কিন্তু ঘটে উল্টো।  এরপর মালঞ্চী তাকে নানা বেশে খুঁজে বেড়ায়। নানা চড়াই-উতরাই পারি দিয়ে অবশেষে মালঞ্চী মাধবকে পায়। নির্দেশক রোকেয়া রফিক বেবী ঐতিহ্যবাহী পালারীতির মূল ধারা অক্ষুণ্ণ রেখে আধুনিক প্রসেনিয়াম থিয়েটারে উপস্থাপন করেছেন।

পালানাট্য একক অভিনয়ে পরিবেশনের রীতি  থাকলেও এতে পালারীতির মতোই বর্ণনা, বন্দনা, নৃত্য-গীত, অভিনয়, দলীয় ও দৃশ্যপরম্পরায় উপস্থাপন করেছেন। এর কাহিনি রাজরাজাদের হলেও এ যেন প্রাত্যহিক গ্রামীণ জীবনের মানবিক সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে। শুরুতেই সূত্রধর মধ্যমঞ্চে এসে দাঁড়ান। রাগ, ফোকের মিশ্রিত কণ্ঠের গান চলতে থাকে। সূত্রধর ঘটনার সূত্রপাত ঘটান। শুরু হয় বন্দনা। বর্ণনা, বন্দনা ও নৃত্য-গীতে যেন মঞ্চ কেঁপে  ওঠে।

গল্পে আদি-মধ্য-অন্ত্যের মধ্যে কোনো জটিলতা নেই। মূল সূত্রধর কখনও বর্ণনাকারী, কখনও অভিনেতা। নৃত্য-গীত, অভিনয় ও বর্ণনার অপূর্ব কৌশলে পালাটিকে অন্য মাত্রায় নিয়ে গেছে। অনন্যান্য কলাকুশলীরাও প্রাণবন্ত অভিনয় করে পালাটিকে এক অনন্য সাধারণ রুপ দিয়েছেন।

নাটকটিতে অভিনয় করেছেন নুরুজ্জামান বাবু, মানিক, সজল, ইসমাইল সিরাজী, রানা সিকদার, লেমন, ক্ষমা, ঐতিহ্য, বাঁশরী, তানভীর, ভাবনা, সুজন, লেলিন, ইন্দ্রাণী, দোলন, ফারহানা, ফুয়াদ, প্রদীপ ও মোকাদ্দেম। বাদক দলে ছিলেন সেলিম মাহবুব, সুজন, সান্টু, শাফিন, জামিল, শাপলা ও বিপ্লব। আলোক পরিকল্পনায় জুনায়েদ ইউসুফ, সংগীত পরিকল্পনায় সেলিম মাহবুব, কোরিওগ্রাফি ফেরদৌস, পোশাক পরিকল্পনায় এনাম তারা সাকি।

আরো পড়ুন:

চেষ্টা করেছি লাবণ্য চরিত্রটি করার: জয়া

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ