spot_img
23 C
Dhaka

২২শে মার্চ, ২০২৩ইং, ৮ই চৈত্র, ১৪২৯বাংলা

ভারতীয় পেঁয়াজের ট্রাক আজ ঢুকবে বাংলাদেশে | বিভিন্ন দেশ থেকেও সমুদ্রপথে আসছে চালান

- Advertisement -

নিজস্ব প্রতিবেদক, সুখবর ডটকম: স্থলবন্দরে আটকে থাকা পেঁয়াজের ট্রাক শর্তসাপেক্ষে বাংলাদেশে ঢোকার অনুমতি দিয়েছে ভারত। আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) থেকে বেনাপোল ও হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দেশে পেঁয়াজ আমদানি পুনরায় শুরু হবে।

হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক হারুন উর রশিদ হারুন জানান, আগের খোলা এলসির ঋণপত্রের বিপরীতে সীমান্তের ওপারে আটকে পড়া পেঁয়াজ বোঝাই ট্রাক দেশে প্রবেশ করবে।

দিল্লিতে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সরকারি পর্যায়ে এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের বরাত দিয়ে জানিয়েছেন দেশের পেঁয়াজ আমদানিকারকরা।

হিলি স্থলবন্দরের সীমান্তের ওপারে পেঁয়াজ বোঝাই দুই শতাধিক ট্রাক দেশে প্রবেশের অপেক্ষায় আটকা পড়ে আছে বলে জানান আমদানিকারকরা।

সংকট নিরসনে সমুদ্রপথে আসছে পেঁয়াজ

এদিকে, ভারত বাংলাদেশেপেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ ঘোষণা করার পর পিয়াজের বাজারে এক অস্তিরতা বিরাজ করছে। গতকাল সকাল থেকে প্রায় দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছেপেঁয়াজ। খুচরা বাজারে পিয়াজ ৯০-১০০ টাকায় বিক্রি হলেও পাড়া-মহল্লায় সেটা ১১০-১২০ টাকা।

অথচ সোমবার দেশিপেঁয়াজের কেজি ছিল ৬০ থেকে ৬৫ টাকা এবং আমদানি করাপেঁয়াজের কেজি ছিল ৫০ থেকে ৫৫ টাকা।

পেঁয়াজের বাড়তি দামে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ক্রেতা ও বিক্রেতারা। ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজারেপেঁয়াজের সংকট না থাকলেও ইচ্ছে করেই দাম বাড়ানো হয়েছে। তবে বিক্রেতাদের দাবি, বাজারে সংকটে দাম বেড়েছে।

এদিকে দেশেপেঁয়াজের বাজারে সরবরাহ সংকটের বিষয়টি আঁচ করতে পেরে সেপ্টেম্বরের শুরু থেকেই মিসর, চীন, তুরস্ক, মিয়ানমার ও পাকিস্তান থেকেপেঁয়াজ আমদানি করছেন ব্যবসায়ীরা।

এ জন্য সরকারের কৃষি বিভাগের উদ্ভিদ সংগনিরোধ বা কোয়ারেন্টিন দপ্তর থেকে গত সোমবার পর্যন্ত ৯ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি (আইপি) সনদ নিয়েছেন তারা। মঙ্গলবার এক দিনেই আরো ১০ হাজার ৭৪২ টন আমদানির অনুমতি নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আসছে মিয়ানমার ও পাকিস্তান থেকে। আর সবপেঁয়াজের চালান দেশে আসবে সমুদ্রপথে।

চট্টগ্রাম থেকে সবচেয়ে বেশি ৩ হাজার টনপেঁয়াজ আমদানির অনুমতি নেওয়া ট্রেড ইমপেক্সের ফারুক আহমদ বলেন, ‘অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে আমি চালানটি আনার চেষ্টা করছি। অনুমতি নেওয়ার এক দিন পর ব্যাংক থেকে ঋণপত্র খুলেছি। জাহাজীকরণের পর চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে ১৪ দিন লাগবে। পাকিস্তান ও চীন দুই দেশ থেকেই বিভিন্ন চালানেপেঁয়াজ আসবে। জাহাজে তোলার পর বলতে পারব কখন চালানটি দেশে পৌঁছাবে।

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ