spot_img
20 C
Dhaka

৪ঠা ডিসেম্বর, ২০২২ইং, ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯বাংলা

আশা জাগালেও ভাগ্য সুপ্রসন্ন ছিল না বাংলাদেশের

- Advertisement -

ক্রীড়া প্রতিবেদক, সুখবর বাংলা: আজ সকালেও এ ম্যাচের সমীকরণ ছিল এমন—জিতলেও সেটি যথেষ্ট না-ও হতে পারে বাংলাদেশ বা পাকিস্তানের জন্য। দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারত খেলবে আগে-পরে, যেখানে তুলনামূলক ‘সহজ’ প্রতিপক্ষ দুই দলের জন্যই। ওই দুই ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ভারত জিতলেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত তাদের, মাঝে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচের ফল কোনো প্রভাবই ফেলবে না। তবে অ্যাডিলেডে দিনের প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডস ঘটাল বিশ্বকাপের অন্যতম বড় অঘটন। দক্ষিণ আফ্রিকার হারে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সমীকরণটা হয়ে গেল সরল—জিতলেই সেমিফাইনাল!

কিন্তু বিতর্কিত আম্পায়ারিংয়ের কবলে পড়ে শেষ পর্যন্ত সেই স্বপ্ন পূরণ হলো না টাইগারদের। ফলে সাকিবদের ইতিহাস গড়া হলো না। শেষ পর্যন্ত গ্রুপ-২ থেকে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিলো পাকিস্তান।

রোববার (৬ নভেম্বর) অ্যাডিলেড ওভালে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১২৮ রান করেছিল বাংলাদেশ। জবাবে রান তাড়া করতে নেমে ১৮ ওভার ১ বলেই ৫ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় পাকিস্তান। ফলে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলার ইতিহাস গড়তে পারল না সাকিবরা।

বাংলাদেশের দেওয়া ১২৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান ইনিংসের প্রথম ওভারেই উইকেটের দেখা পেতে পারত বাংলাদেশ। কিন্তু তাসকিন আহমেদের ওভারের তৃতীয় বলে উইকেটকিপার নুরুল হাসান সোহান সহজ ক্যাচ ছেড়ে দেন। যার ফলে পাক ওপেনার মোহাম্মদ রিজওয়ান বেঁচে যান। এরপর অধিনায়ক বাবর আজমকে নিয়ে বড় জুটিও গড়ে ফেলেন তিনি।

সহজ লক্ষ্য হলেও সেমিফাইনালে যেতে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই বেশ সতর্ক ছিলেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার। তাই ধীর গতিতে এগুতে থাকেন তারা। কিন্তু টানা দুই ওভারে জোড়া উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দেন টাইগার বোলাররা।

পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের জুটি গড়ে ফেলেন ইনিংসের ১১তম ওভারে ফেরেন বাবর আজম (২৫)। বাঁহাতি স্পিনার নাসুম আহমেদের বলে ক্যাচ আউটের ফাঁদে বিদায় নেন তিনি। এর পরেই দলীয় ৬২ রানে পেসার এবাদত হোসেন আঘাত হানেন পাক শিবিরে, ফিরিয়ে দেন মোহাম্মদ রিজওয়ানকে। ক্যাচ আউটের ফাঁদে ফেলে ৩২ রানে রিজওয়ানকে বিদায় করেন সিলেটের এই পেসার।

জোড়া উইকেট হারানো পাকিস্তানকে চাপে ফেলার চেষ্টা করছিল টাইগার। কিন্তু মোহাম্মদ নওয়াজ ও তরুণ মোহাম্মদ হারিস মিলে সে আশা নিরাশায় পরিণত করে দেন। এই জুটি দ্রুত ৩১ রানের জুটি গড়েন। যদিও বেশি আক্রমণাত্বক ছিলেন হারিসই। এই ব্যাটার ১৮ বলে ৩১ রান করেন। তাকে ফেরান সাকিব। তবে শান মাসুদের ১৪ বলে অপরাজিত ২৪ রানে ১১ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় তারা।

এর আগে লিটন দাসের ১০, শান্ত ৫৪, সৌম্য ২০ ও আফিফ হোসেনের অপরাজিত ২৪ রানে ভর করে সর্বসাকুল্যে ৮ উইকেট হারিয়ে ১২৭ রান তুলতে পারে টিম টাইগার। পাকিস্তানের পক্ষে শাহিন আফ্রিদি ৪ উইকেট নেন। এ ছাড়াও শাদাব খান ২টি এবং হারিস রউফ ও ইফতিখার আহমেদ নেন ১টি করে উইকেট।

এম/

আরো পড়ুন:

সাকিবের বিতর্কিত আউট নিয়ে সরগরম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম

 

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ