spot_img
28 C
Dhaka
spot_imgspot_imgspot_imgspot_img

১৪ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

৩০শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ
***‘বেহেশতে আছি’: নিজের মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী***জেনে নিন তারকাদের আসল ফেসবুক আইডি চেনার উপায়***কথাবার্তায়, আচার-আচরণে দায়িত্বশীল হতে নেতাকর্মীদের প্রতি ওবায়দুল কাদেরের আহ্বান***কচ্ছপের ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ৩ দিনব্যাপী অনুষ্ঠান! ***দিনে সাশ্রয় হচ্ছে দেড় হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ***অর্থবছরের প্রথম চল্লিশ দিনেই ৪০ কোটি টাকার খাজনা আদায়***সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে দৃষ্টান্ত মনে করেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট***টি-টোয়েন্টি: এশিয়া কাপ-বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অধিনায়ক সাকিব***বই পড়তে ভালবাসেন? বইয়ের যত্ন নেবেন কী ভাবে?***তারুণ্য হোক উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগ ঝুঁকিমুক্ত

ভাইরাসরোধী কাপড় তৈরি করলো বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠান: ২ মিনিটেই করোনা উধাও, বিশ্বে ব্যাপক চাহিদা

- Advertisement -

সুখবর প্রতিবেদক: সারা বিশ্ব যখন করোনা ভাইরাস বশে এনে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফিরিয়ে আনার চেষ্টায় মরিয়া, সে সময়ে বাংলাদেশের একটি প্রতিষ্ঠান করোনা ভাইরাস প্রতিরোধক কাপড় তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির নাম হলো- ‘জাবের অ্যান্ড জুবায়ের’। এটি দেশের অন্যতম শীর্ষ বস্ত্র উৎপাদনকারী কোম্পানি। এ কাপড় তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে বিশেষ রাসায়নিক পদার্থ। ফলে ওই কাপড়ে করোনা ভাইরাসসহ অন্য কোনো ভাইরাস টিকতে পারবে না। যদি কোনোভাবে কোনো ভাইরাস ওই কাপড়ে লাগে, মাত্র ১২০ সেকেন্ডে ওই কাপড় ৯৯.৯ শতাংশ ভাইরাসমুক্ত হবে।

জাবের অ্যান্ড জুবায়ের ফেব্রিকস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এস এম রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা করানো ভাইরাস প্রতিরোধক কাপড় তৈরি করতে যাচ্ছি। দেশের চাহিদা মেটানোর পাশপাশি বিদেশে রফতানি করা হবে।’

বস্ত্র খাতে প্রতিযোগী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশেই প্রথম এ কাপড় উদ্ভাবিত হয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে অন্য দেশগুলোও এ কাপড় তৈরিতে এগিয়ে আসবে বলেও আশাবাদী তিনি।

প্রতিষ্ঠানটির ব্র্যান্ড অ্যান্ড কমিউনিকেশন ম্যানেজার অনল রায়হান বলেন, সাধারণ সব ধরনের পোশাক তৈরিতে ভাইরাস প্রতিরোধক এ কাপড় ব্যবহার করা যাবে। তবে বিশেষায়িত কাপড় হওয়ায় এ কাপড়ে তৈরি পোশাকের দাম তুলনামূলক বেশি হবে।

জাবের অ্যান্ড জুবায়ের রপ্তানির জন্য এ কাপড় তৈরি করেছে বলে জানান এ কর্মকর্তা। এরই মধ্যে তাদের এ কাপড় আন্তর্জাতিকভাবে মান সনদের স্বীকৃতি পেয়েছে। আইএসও ১৮১৮৪-এর অধীনে এটি পরীক্ষা করা হয়েছে। কাপড় তৈরির মূল উপাদানগুলো যুক্তরাষ্ট্রের বিষাক্ত পদার্থ নিয়ন্ত্রণ আইন ও পরিবেশগত সুরক্ষা সংস্থায় নিবন্ধিত।

তবে ভাইরাস রোধে এ কাপড় প্রায় শতভাগ নিরাপত্তা দিলেও ২০বার ধোয়ার পর এর কার্যকারিতা কতখানি থাকবে, তা নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা। তার পরও এই কাপড় নেওয়ার ব্যাপারে ইউরোপ-আমেরিকার ক্রেতাদের কাছ থেকে বিপুল সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ কাপড় উদ্ভাবনের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। উদ্বোধনের পর সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা শুরু করবে প্রতিষ্ঠানটি। দেশের প্রয়োজনে সরকার এ কাপড় ব্যবহার করতে চাইলে সরবরাহ করতে চান তারা। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির কথা হয়েছে বলে জানায় কর্তৃপক্ষ।

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ