spot_img
26 C
Dhaka

৩০শে নভেম্বর, ২০২২ইং, ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯বাংলা

সর্বশেষ
***আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতলে বাংলাদেশের উচ্ছ্বাস দেখতে আসবেন আর্জেন্টাইন সাংবাদিক***যৌনপল্লীর গল্প নিয়ে পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘রঙবাজার’***কেন ক্ষমা চাইলেন কিংবদন্তি গায়ক বব ডিলান***বিলুপ্তপ্রায় কুমিরের সন্ধান, পুনর্ভবা নদীর তীরে মানুষের ভিড়***সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নয়, নয়াপল্টনেই হবে সমাবেশ : বিএনপি***পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসী দল টিটিপি ইসলামাবাদের গলার কাঁটা?***পাকিস্তান-আফগানিস্তানের সম্পর্ক কি শেষের পথে?***শীত মৌসুম, তুষার এবং বরফকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে রাশিয়া : ন্যাটো***নানা সুবিধাসহ বাংলাদেশ ফাইন্যান্সে চাকরির সুযোগ***বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার সূচি ও আসনবিন্যাস প্রকাশ

বিনয় মুখোপাধ্যায় : এক ছদ্মনামী সাহিত্যিক

- Advertisement -

ডেস্ক নিউজ, সুখবর বাংলা: পঞ্চাশের দশকে বাঙালি পাঠক মহলে ‘যাযাবর’ ছদ্মনামে যার লেখা ‘দৃষ্টিপাত’ গ্রন্থটি আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল, সেই ছদ্মনামি লেখকের নাম বিনয় মুখোপাধ্যায়। একজন বিশিষ্ট ভারতীয় বাঙ্গালী সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও প্রাবন্ধিক।

১৯০৮ খ্রিস্টাব্দের ১০ই জানুয়ারি বৃটিশ ভারতের অধুনা বাংলাদেশের ঢাকার, ফেগুনামা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন বিনয় মুখোপাধ্যায়। পিতার নাম ফণীভূষণ মুখোপাধ্যায় ও মায়ের নাম মনোরমা দেবী।

বিনয় কুমার চাঁদপুরের জুবিলি হাই স্কুল থেকে ম্যাট্রিক, সেন্ট পলস কলেজ থেকে আই.এ ও কলকাতার বঙ্গবাসী কলেজ থেকে বি. এ. পাশ করেন।  ছাত্রাবস্থাতেই তিনি বেশ কয়েকটি গান লিখেছিলেন যা পরবর্তীতে সুরসাধক হিমাংশু দত্তের সুরারোপে রেকর্ড হিসাবে প্রকাশিত হয়। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য গানগুলি হল – শচীন দেববর্মণের কণ্ঠে “নতুন ফাগুনের দিনে” এবং উমা বসুর কণ্ঠে “ঝরানো পাতার পথে”।

“যুগান্তর” পত্রিকায় সাংবাদিকতা দিয়েই কর্মজীবন শুরু করেন। সেখানে “শ্রীপথচারী” ছদ্মনামে রাজনৈতিক কলমে লিখতেন। এর পর ভারত সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের উচ্চপদস্থ কর্মচারী হয়ে দিল্লি যান এবং দীর্ঘদিন কাজ করার পর প্রেস কাউন্সিলের সচিব পদে উন্নীত হয়ে অবসর নেন। কর্মজীবনে নেতৃস্থানীয় বহু ব্যক্তির সান্নিধ্যে এসেছেন তবে সাহিত্যরচনা করেছেন “যাযাবর” ছদ্মনামে। ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে কর্মজীবনেই “দৃষ্টিপাত”  রম্যরচনা লিখে যাযাবর নামে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ জনপ্রিয় লেখক হয়ে ওঠেন।

ছোটগল্প, উপন্যাস ও প্রবন্ধ সংকলন মিলিয়ে তার গ্রন্থের সংখ্যা ছয়। তার রচনাসমূহ হলো দৃষ্টিপাত, জনান্তিকে, ঝিলম নদীর তীরে, লঘুকরণ,  হ্রস্ব ও দীর্ঘ ও যখন বৃষ্টি নামে। এছাড়া ক্রিকেট খেলা নিয়ে বাংলা ভাষায় তার স্বনামে লেখা গ্রন্থ দুটি হল – ‘খেলার রাজা ক্রিকেট’ ও ‘মজার খেলা ক্রিকেট’ ।

‘দৃষ্টিপাত’ সমকালীন বাংলা সাহিত্যে সর্বশ্রেষ্ঠ পুস্তক হিসাবে বিবেচিত হওয়ায় বিনয় মুখোপাধ্যায় সাহিত্যকর্মের জন্য ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের নরসিংহ দাস পুরস্কার এবং ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দে   পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ‘বিদ্যাসাগর পুরস্কার’ লাভ করেন। খ্যাতনামা সাহিত্যিক বিনয় মুখোপাধ্যায় ২০০২ খ্রিস্টাব্দের ২২ অক্টোবর দিল্লিতে প্রয়াত হন।

আরো পড়ুন:

ভক্ত হৃদয়ে আজও বেঁচে আছেন রুপালি গিটারের জাদুকর আইয়ুব বাচ্চু

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ