spot_img
27 C
Dhaka

২৯শে নভেম্বর, ২০২২ইং, ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯বাংলা

সর্বশেষ
***পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসী দল টিটিপি ইসলামাবাদের গলার কাঁটা?***পাকিস্তান-আফগানিস্তানের সম্পর্ক কি শেষের পথে?***শীত মৌসুম, তুষার এবং বরফকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে রাশিয়া : ন্যাটো***নানা সুবিধাসহ বাংলাদেশ ফাইন্যান্সে চাকরির সুযোগ***বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার সূচি ও আসনবিন্যাস প্রকাশ***পৃথিবীর কিছু অবিশ্বাস্য সৃষ্টি, যা আপনার কাছে খুবই আশ্চর্যজনক লাগবে***পাকিস্তান সেনাপ্রধানের দায়িত্ব নিলেন জেনারেল মুনির***মহেশখালীতে ধরা পড়া ৮ কালো পোয়ার দাম ২৫ লাখ টাকা!***বিএনপিকে ২৬ শর্তে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের অনুমতি***গোবিন্দগঞ্জে ম্যাজিস্ট্রেটের স্বামী কেন আসামি?

বিদ্যুৎ ব্যবহারে মিতব্যয়ী হোন, সমস্যা সবসময় থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী

- Advertisement -

ডেস্ক নিউজ, সুখবর বাংলা: বিদ্যুৎ ব্যবহারে মিতব্যয়ী হতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বর্তমান বিদ্যুৎ সংকট সবসময় থাকবে না বলেও জানান তিনি।

বুধবার (১৯ অক্টোবর) রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের (আরএনপিপি) ইউনিট-২-এ রিঅ্যাক্টর প্রেসার ভেসেল (আরপিভি) স্থাপন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সারাবিশ্ব যখন অর্থনৈতিক মন্দা দেখা যায় তার ধাক্কাটা কিন্তু আমাদের উপর এসে পড়েন। আমাদের কিছুটা মিতব্যায়ী হতে হচ্ছে। তার মানে এই না বিদ্যুৎ দেশের মানুষ পাবে না। বিদ্যুৎ মানুষ পাচ্ছে, পাবে। সবাইকে একটি মিতব্যয়ী হতে হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমাদের মিতব্যায়ী হতে হচ্ছে। পরিস্থিতির কারণে। যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে, তারপরও সেনশন দেওয়ার ফলে আরও বেশি সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। আমি আশা করি পৃথিবীর অবস্থা থেকে খুব দ্রুত মুক্তি পাবে।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘২০২৩ সালে প্রথম ও ২০২৪ সালে দ্বিতীয় ইউনিট উৎপাদনে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য ছিল সব ঘরে বিদ্যুৎ দেওয়ার, আমরা দিয়েছি। কিন্তু বিশ্বে জ্বালানি সংকট চলছে, অর্থনৈতিক মন্দা চলছে। এর প্রভাব বাংলাদেশে পড়েছে।’

রূপপুর প্রকল্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট ২০২৩ সালে ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে এবং ২০২৪ সালে দ্বিতীয় ইউনিট থেকে একই পরিমাণ বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে।

প্রকল্পটির প্রায় ৫৩ শতাংশ আর্থিক অগ্রগতি এবং ৫৫ শতাংশ ভৌত অগ্রগতি হয়েছে। তবে প্রথম ইউনিটের সার্বিক অগ্রগতি ৭০ শতাংশ।

রাশিয়ার কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। জনশক্তি প্রশিক্ষণসহ প্রকল্পটির নির্মাণ ব্যয় ১২৬৫ কোটি টাকা ডলার এবং এর ৯০ শতাংশ রাশিয়া অর্থায়ন করে।

ওআ/

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ