spot_img
30 C
Dhaka
spot_imgspot_imgspot_imgspot_img

১লা অক্টোবর, ২০২২ইং, ১৬ই আশ্বিন, ১৪২৯বাংলা

বাংলাদেশে শিশুমৃত্যুর হার ৮৫% কমেছে

- Advertisement -

নিজস্ব প্রতিবেদক, সুখবর ডটকম:বাংলাদেশে গত ৫০ বছরে শিশুস্বাস্থ্যের উন্নতিতে শিশুমৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। স্বাধীনতার সময় শিশুমৃত্যুর হার ছিল ১৪১, এখন তা ২১। অর্থাৎ, শিশুমৃত্যুর হার কমেছে ৮৫ শতাংশ।

শিশুস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশে মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লা বলেন, স্বাধীনতার সময়ে মূল জোর ছিল প্রাপ্তবয়স্কদের স্বাস্থ্য ও চিকিৎসার ওপর। ওই সময় হাম, নিউমোনিয়া, টিটেনাস, ডিফথেরিয়ায় বহু শিশুর মৃত্যু হতো। সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির ফলে এসব রোগে মৃত্যু কমে আসতে থাকে। ডায়রিয়ায় অনেক শিশু মারা যেত। স্যালাইনের ব্যাপক ব্যবহার ডায়রিয়ায় মৃত্যু কমায়। অপুষ্টিও শিশুমৃত্যুর কারণ ছিল। পুষ্টি কর্মসূচি পরিস্থিতির উন্নতি করে।

স্বাধীনতার পর থেকেই মাতৃস্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা, শিশুপুষ্টি—এসব বিষয়ে সরকার গুরুত্ব দিয়েছিল। দেশের সংবিধানে, বিভিন্ন সময়ে নেওয়া পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, স্বাস্থ্যনীতি এবং সর্বশেষ স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি খাত কর্মসূচিতে এসব বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়। গত ৫০ বছরে ধারাবাহিকভাবে এসব কাজ হয়ে এসেছে।

শিশুর জীবন রক্ষায় ১৯৭৮ সালে দেশে শুরু হয় সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই)। এই কর্মসূচি লাখ লাখ শিশুকে প্রতিবন্ধিতা ও অকালমৃত্যু থেকে রক্ষা করেছে। ২০১৪ সালের ২৭ মার্চ বাংলাদেশ থেকে পোলিও নির্মূল হয়েছে বলে ঘোষণা দেয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এটি স্বাস্থ্য খাতের একটি বিরাট অর্জন। এটি সম্ভব হয়েছে ইপিআইয়ের কারণে।

ইপিআইয়ের আওতায় এখন শিশুদের বিসিজি, ডিফথেরিয়া, টিটেনাস, পোলিও, হুপিং কাশি, হাম ও রুবেলা, হেপাটাইটিস-বি, হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা, নিউমোনিয়ার টিকা দেওয়া হয়।

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ