spot_img
19 C
Dhaka

৬ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ইং, ২৩শে মাঘ, ১৪২৯বাংলা

বাংলাদেশকে ডিজিটাল যন্ত্রের রপ্তানিকারী দেশ হতে হবে : টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

- Advertisement -

ডেস্ক নিউজ, সুখবর ডটকম: ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, বাংলাদেশকে ডিজিটাল যন্ত্রের আমদানি নির্ভরতা থেকে উৎপাদন ও রপ্তানিকারী দেশ হিসেবে রূপান্তর করতে হবে। আগামী দিনের ডিজিটাল প্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ডিজিটাল বাংলাদেশের ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করার বিকল্প নেই। আমরা কম্পিউটার, রোবট, এআই কিংবা আইওটি যন্ত্র উৎপাদন করবো এবং রপ্তানিও করবো। সকলের  জন্য ডিজিটাল যন্ত্র সহজলভ্য করার মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশের শক্তিশালী ভিত্তির উপরেই স্মার্ট বাংলাদেশ ভিশন-২০৪১ বাস্তবায়িত হবে।

তিনি নতুন সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে নীতিনির্ধারক ও ট্রেডবডিসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ বিষয়ে সমন্বিত উদ্যোগে কাজ করতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

মন্ত্রী শনিবার (১৪ জানুয়ারি) রাতে ঢাকায় এক হোটেলে মতিঝিল কম্পিউটার সোসাইটি আয়োজিত সোসাইটির ২০২৩-২৪ মেয়াদের নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী পরিষদের অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী দেশে কম্পিউটার প্রযুক্তির বিকাশের ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, এক সময় দেশে কম্পিউটারসহ ডিজিটাল যন্ত্রের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি  উপেক্ষিত ছিল। নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করে দেশে গ্রাহক সৃষ্টিতে কম্পিউটার সমিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। কম্পিউটার সাধারণের নাগালে পৌঁছে দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভ্যাট ট্যাক্স প্রত্যাহার করে কম্পিউটার বিকাশে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সূচনা করেন।

বিসিএস এর সাবেক সভাপতি মোস্তাফা জব্বার কম্পিউটার ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে ট্রেডবডির ভূমিকা তুলে ধরে বলেন, আমরা কম্পিউটার বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরিতে কম্পিউটার মেলাসহ মানুষের দোরগোড়ায় গিয়েছি। কম্পিউটার সহজলভ্য করতে নীতিনির্ধারকদের পরামর্শ দিয়েছি। ১৯৮৭ সালে কম্পিউটারে বাংলা সফটওয়ার উদ্ভাবনের পর দেশে কম্পিউটার বিকাশের নতুন দিগন্তের সূচনা হয়।

কম্পিউটারে বাংলা সফটওয়্যার বিজয় এর এই উদ্ভাবক বলেন, মানুষের পরিবর্তিত চাহিদার প্রয়োজনে নতুন নতুন ডিভাইসের চাহিদা মেটাতে বিক্রয় ও সেবার বিষয়টি নতুন করে এখন ভাবতে হবে। দেশে মোবাইল সেটের একটি বড় বাজার তৈরি হয়েছে। গ্রাহকরা কম্পিউটার বিপণীতে মোবাইল সেটসহ ডিজিটাল ডিভাইস যাতে  কিনতে পারে সে ব্যবস্থা প্রবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন বিসিএস ও বেসিস এর সাবেক এই সভাপতি।

তিনি মতিঝিল কম্পিউটার সোসাইটিকে কম্পিউটার বাজারজাত ও জনগণকে কম্পিউটার বিষয়ে ব্যাপক সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী  কম্পিউটার বিপনন কেন্দ্র হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, সামনের দিনে মানুষ আইওটি ডিভাইস কিংবা রোবট খুঁজবে কম্পিউটারের দোকানে। মন্ত্রী সে বিষয়টি খেয়াল রেখে তাদের ব্যবসায়িক পরিকল্পনা সাজাতে সংশ্লিষ্টদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের যোদ্ধা হিসেবে মতিঝিল কম্পিউটার সোসাইটির সংশ্লিষ্ট নেত্ববৃন্দকে ঐক্যবদ্ধ থেকে  সমন্বিত উদ্যোগে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান।

মতিঝিল কম্পিউটার সোসাইটির নবনির্বাচিত সভাপতি আবুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত সরকার, সাবেক সভাপতি শাহীদ-উল মুনীর, মহাসচিব কামরুজ্জামান ভূইয়াসহ ট্রেডবডির বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ বক্তৃতা করেন।

এর আগে মন্ত্রী মতিঝিল কম্পিউটার সমিতির নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দকে শপথ বাক্য পাঠ করান।

এম/ আই. কে. জে/

আরো পড়ুন:

তালিকায় যুক্ত হচ্ছে ৩০ লাখ নতুন ভোটার

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ