spot_img
27 C
Dhaka
spot_imgspot_imgspot_imgspot_img

১৫ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

৩১শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

বাঁচতে হলে লাঙ্গল ধরো রে, আবার চলো গাঁয়

- Advertisement -

খোকন কুমার রায়:

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে এবং ডিসিদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে নির্দেশনা দিয়েছেন, কোনো জমি যেন অনাবাদী না থাকে। কিন্তু কেন? কারণ উনি দূরদর্শী। ভবিষ্যতের খাদ্য সংকট দেখতে পাচ্ছেন। করোনা সংকটময় পৃথিবীতে আগামীতে সবচেয়ে বড় সংকট হতে পারে খাদ্য। করোনা সংক্রমণে বিগত অনেকদিন যাবৎ বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ লক ডাউনে। ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং কৃষিকার্য। এ অবস্থায় আমরা যে সকল দেশ হতে খাদ্যদ্রব্যাদি আমদানি করি সেগুলোর অবস্থা ক্রমশ খারাপের দিকেই যাচ্ছে।

বর্তমানে সবাই করোনা সংক্রমণ হতে মুক্ত থাকতে ঘরবন্দী অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। ফলে সার্বিক উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। করোনার প্রকোপ হতে মুক্তি পাবার পর তাদের খাদ্য ঘাটতি সামাল দেয়াই মুশকিল হবে। কবে নাগাদ মারণঘাতী এই ভাইরাসের প্রকোপ হতে বিশ্ব মুক্ত হয়ে স্বাভাবিক হবে উৎপাদন প্রক্রিয়া তা সবারই অজানা।

আমাদের দেশেও বর্তমানে অচলাবস্থা বিরাজমান, উৎপাদন প্রক্রিয়া বন্ধ, জনজীবন থমকে গেছে। এ অবস্থায় আমরাও ভবিষ্যতে খাদ্য ঘাটতিতে পড়তে পারি। আর আমাদের অনেক শ্রমজীবী মানুষ কৃষিকাজ ছেড়ে শহরমুখী হয়েছে এবং নানান পেশায় জড়িয়ে পড়েছে। ঢাকা শহরে ছিন্নমূল ও বস্তিবাসীর সংখ্যা বিগত কয়েক দশকে বেড়েই চলেছে। এ অবস্থা স্পষ্টত: টের পাই বিভিন্ন খাদ্যশস্যের মওসুমে কৃষি শ্রমিক না পাওয়ার চিত্র দেখে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শহরমুখী এসব শ্রমজীবী মানুষকে আহ্বান জানিয়েছেন বিভিন্ন সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্পে যাওয়ার জন্য যেখানে বাড়িঘরসহ প্রয়োজনীয় কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। বিভিন্ন এলাকায় যারা গৃহহীন রয়েছেন তাদের জন্য নতুন গৃহের ব্যবস্থা করার জন্যও নির্দেশনা দিয়েছেন।

তাই আমাদের উচিত হবে এ সকল সরকারি সুযোগ গ্রহণ করে শহরের ওপর চাপ না বাড়িয়ে গ্রামে গিয়ে সাবলম্বী হওয়া, যাতে দুর্যোগে সংকটে ভুগতে না হয়।

কাজেই আসুন আমরা প্রধানমন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে সমগ্র আবাদযোগ্য জমিতে বিভিন্ন ফলমূল, সব্জি ও খাদ্যশস্যের আবাদ করি। নয়তো এমন দিন আসতে পারে যেদিন টাকা থাকলেও প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী পাওয়া কঠিন হতে পারে। এ অবস্থায় ভবিষ্যত খাদ্য সংকট মোকাবেলায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব আরোপ করতে হবে কৃষি কাজে।

বাংলার গতিশীল ও গৌরবময় কৃষিকার্য অব্যাহত থাকুক স্বনির্ভরতায়- এটাই প্রত্যাশা।

লেখক: সম্পাদক ও প্রকাশক, সুখবর.কম।

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ