spot_img
26 C
Dhaka

৩০শে নভেম্বর, ২০২২ইং, ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯বাংলা

সর্বশেষ
***আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতলে বাংলাদেশের উচ্ছ্বাস দেখতে আসবেন আর্জেন্টাইন সাংবাদিক***যৌনপল্লীর গল্প নিয়ে পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘রঙবাজার’***কেন ক্ষমা চাইলেন কিংবদন্তি গায়ক বব ডিলান***বিলুপ্তপ্রায় কুমিরের সন্ধান, পুনর্ভবা নদীর তীরে মানুষের ভিড়***সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নয়, নয়াপল্টনেই হবে সমাবেশ : বিএনপি***পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসী দল টিটিপি ইসলামাবাদের গলার কাঁটা?***পাকিস্তান-আফগানিস্তানের সম্পর্ক কি শেষের পথে?***শীত মৌসুম, তুষার এবং বরফকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে রাশিয়া : ন্যাটো***নানা সুবিধাসহ বাংলাদেশ ফাইন্যান্সে চাকরির সুযোগ***বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার সূচি ও আসনবিন্যাস প্রকাশ

ইমরান খানের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন অবমাননা মামলা

- Advertisement -

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, সুখবর বাংলা: পিটিআই চেয়ারম্যান ইমরান খান এবং তার দলের অন্য দুই নেতা আগামী মাসে একটি অবমাননার মামলায় অভিযুক্ত হতে পারেন বলে গত বুধবার ইঙ্গিত দিয়েছে পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন (ইসিপি)।

চার সদস্যের বেঞ্চের নেতৃত্বে সিন্ধুর ইসিপি সদস্য নিসার আহমেদ দুররানি বলেছেন, “১০ নভেম্বরের পর, ইমরান খান, আসাদ উমর এবং ফাওয়াদ চৌধুরী যদি তাদের উপর করা অবমাননার মামলায় হাজির হতে ব্যর্থ হন তবে তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট করা ছাড়া আমাদের কাছে আর কোনো বিকল্প থাকবে না।”

চার সদস্যের বেঞ্চের নেতৃত্বে সিন্ধুর ইসিপি সদস্য নিসার আহমেদ দুররানি এ তিন নেতার বিরুদ্ধে ইসিপি ও সিইসি অবমাননা মামলার শুনানি করেন।

ইমরান খানের আইনজীবী আনোয়ার মনসুর যুক্তি দেখিয়েছিলেন যে কারণ দর্শানোর নোটিশের বৈধতার ব্যাপারে প্রথমে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। কারণ তিনি দাবি জানান যে এই নোটিশটি পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন নয়, বরং নির্বাচন কমিশনের সচিব দ্বারা জারি করা হয়েছিল। তাই নোটিশটি কি আদৌ বৈধ কি না সে বিষয়ে প্রশ্ন তুলেন তিনি।

তিনি যুক্তি দেন, এই সমস্যার সমাধান না হলে কারণ দর্শানোর নোটিশগুলো আদতে অবৈধ।

জবাবে ইসিপি সদস্য দুররানি বলেন, কমিশনের পক্ষ থেকে সচিব কর্তৃক নোটিশ জারি করা হয়েছে এবং এটি ইসিপিরই নোটিশ, অর্থাৎ সম্পূর্ণ বৈধ।

মনসুর বেঞ্চকে ৩১ অক্টোবরের পরে শুনানির জন্য অনুরোধ করেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে দুররানি জানান যে ১০ নভেম্বর বা তার পরে চার্জ গঠন করা ছাড়া তাদের কাছে আর কোনও বিকল্প থাকবে না।

মনসুর জোর দিয়ে বলেন, ইসিপি কোনো আদালত নয়। এই বিষয়ে, দুররানি বলেন, “যখন আমরা বলেছি পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন একটি আদালত, তখন অবশ্যই আমাদের এ বিষয়ে এখতিয়ার আছে”।

পরে মামলার শুনানি অনির্দিষ্টকালের জন্য মুলতবি করা হয়।

ইসিপি গত ১৯ আগস্ট ইমরান খান, আসাদ উমর এবং ফাওয়াদ চৌধুরীকে নোটিশ জারি করে।

তাদের মধ্যে দুজনের লিখিত জবাব ‘অসন্তোষজনক’ ছিল বলে প্রত্যাখ্যান করা হয়। পরবর্তীতে তিনজনকেই ২৭ সেপ্টেম্বর ব্যক্তিগতভাবে ইসিপিতে হাজির হতে বলা হয়।

পিটিআই নেতাদের বিরুদ্ধে নোটিশগুলি তাদের সংবাদ সম্মেলন, জনসভায় বক্তৃতা এবং টিভি সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে জারি করা হয়েছিল, যেখানে তারা ইসিপির বিরুদ্ধে তাদের বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ তুলে ধরে।

উপ-নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে, ইমরান খান দাবি করেন যে তারা কেবল এই (পিডিএম) দলের বিরুদ্ধে নয়, বরং প্রশাসন, রাষ্ট্রযন্ত্র এবং ইসিপির বিরুদ্ধেও লড়াই করছে।

পিটিআই প্রধান আরও বলেন যে ইসিপি যেভাবে পিটিআইকে ‘পরাজিত’ করার জন্য নির্বাচনী প্রক্রিয়া পরিচালনা করছে তার জন্য তাদের ‘শাস্তি’ হওয়া উচিত।

এসব কথার পরিপ্রেক্ষিতেই প্রধান নির্বাচন কমিশনারের অবমাননা করার জন্য পিটিআই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নোটিশ জারি করা হয়।

আরো পড়ুন:

জনসমাগম কাকে বলে তা শনিবার থেকে বিএনপিকে বোঝানো হবে : ওবায়দুল কাদের

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ