spot_img
29 C
Dhaka
spot_imgspot_imgspot_imgspot_img

২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ইং, ১১ই আশ্বিন, ১৪২৯বাংলা

প্রয়াত গুণীজনদের স্মৃতি এফডিসিতে সংরক্ষণের আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

- Advertisement -

বিনোদন ডেস্ক, সুখবর বাংলা: বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের (এফডিসি) নতুন ভবনের কোনো একটা জায়গায় চলচ্চিত্র ও সংগীতের প্রয়াত গুণীজনদের স্মৃতি সংরক্ষণের আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। প্রয়াত সুরস্রষ্টা আলম খান ও অভিনেত্রী শর্মিলী আহমেদের স্মরণে শনিবার এফডিসিতে আয়োজিত এক স্মরণসভায় তিনি এ আহ্বান জানান।

এফডিসির জহির রায়হান কালার ল্যাব মিলনায়তনে যৌথভাবে এ স্মরণসভার আয়োজন করে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি ও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘মহাকালের বিচারে মানুষের জীবন যে কী, সেটা চিন্তারও বাইরে। পৃথিবীটা কিছু নয়। সেই পৃথিবীর মানুষ আমরা। এর মধ্যেও কিছু কিছু মানুষ দেশকে, মানুষকে কাঁদায়। আলম খান ও শর্মিলী আহমেদের সঙ্গে আমার পরিচয় নেই। যতটা চিনি, টিভি পর্দায়। এই দুজন মানুষ আমাদের সংস্কৃতির অঙ্গনকে সমৃদ্ধ করে গেছেন। তাদের স্মৃতি ধরে রাখা আমাদের দায়িত্ব। এফডিসির নতুন ভবনে প্রয়াত এ গুণীদের স্মৃতি সংরক্ষণের ব্যবস্থা করলে পরবর্তী প্রজন্ম তাদের সম্পর্কে জানতে পারবে।’

স্মরণসভায় স্মৃতিচারণা করেন চলচ্চিত্র নায়ক আলমগীর, এফডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত ইয়াসমিন, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন, গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার, প্রয়াত আলম খানের ছেলে শিল্পী আরমান খান, শর্মিলী আহমেদের বোন অভিনেত্রী ওয়াহিদা মল্লিক জলি প্রমুখ।

স্মরণসভায় আলমগীর বলেন, ‘এই দুজনকে আমি ১৯৭২ সাল থেকে চিনি। শর্মিলী আহমেদ কখনো বড় বোন, কখনো ভাবি, আবার কখনো মা হিসেবে অভিনয় করেছেন। তার অনেক স্নেহ, ভালোবাসা ও আদর পেয়েছি। “আমার জন্মভূমি” ছবিতে প্রথম কাস্ট হলাম, আলমগীর কুমকুমের কাছে জানলাম আলম খান ছবিটির সংগীত পরিচালক। গীতিকার মুকুল চৌধুরীর সঙ্গে তখন পরিচয়। ফোন করলে কখনো হ্যালো বলতেন না। বলতেন, “বলো, মিতা।” যে কাজ তারা করে গেছেন, যদি সংরক্ষণ না–ও করি, তাদের কর্ম এত বড় যে তারা বিস্মৃত হবেন না।’

ওয়াহিদা মল্লিক জলি বলেন, ‘এই সভা আয়োজনের জন্য আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। আমাদের পরিবার বা চলচ্চিত্র পরিবারের পক্ষ থেকে তাদের স্মৃতি ধরে রাখার জন্য কিছু একটা করতে হবে। হতে পারে, তাদের কাজের বিশ্লেষণাত্মক একটি বই।’

শিল্পী সমিতির সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘সুরকার আলম খানের সঙ্গে আমার সখ্য ছিল না তেমন। আপনাদের মুখ থেকে তাদের সম্পর্কে যা জানতে পেরেছি, তাতে বুঝতে পারছি, কীভাবে তারা শুক্রবার ও হজের মতো পবিত্র একটা সময়ে চলে গেলেন। কর্মের মাধ্যমে তারা মানুষের ভালোবাসা পেয়ে সৌভাগ্যবান মানুষের মতো মৃত্যুবরণ করেছেন।’

আরমান খান বলেন, ‘বাবা এফডিসিকে নিজের বাড়িঘর মনে করতেন। গানের চেয়ে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক করতে বেশি পছন্দ করতেন, গুরুত্ব দিতেন। চলচ্চিত্র সম্পর্কে, মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি সম্পর্কে সব সময় ইতিবাচক কথা বলতেন। পরবর্তী প্রজন্মের কাছে আলম খানকে পৌঁছে দেওয়াই থাকবে আমাদের লক্ষ্য। তার নামে এফডিসিতে একটি চত্বর করার অনুরোধ থাকবে।’

চলচ্চিত্র পরিচালক সোহানুর রহমান সোহানের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন চলচ্চিত্রকার মসিহ উদ্দিন সাকের, প্রয়াত কণ্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোরের স্ত্রী লিপিকা এন্ড্রু, পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, মুশফিকুর রহমান গুলজার, ফোয়াদ নাসের বাবু, গীতিকার মিল্টন খন্দকার, কবির বকুল, অভিনেতা সাইমন সাদিক প্রমুখ।

আরো পড়ুন:

কোটি ক্লাবে মেহজাবীন চৌধুরী

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ