spot_img
20.4 C
Dhaka

১লা ডিসেম্বর, ২০২২ইং, ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯বাংলা

পাতাঝরা শরতে পর্যটকদের আনাগোনা ভূস্বর্গ কাশ্মিরে

- Advertisement -

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, সুখবর বাংলা: শরতের শুরুর সাথে সাথে পর্যটকদের ভিড় জমেছে জম্মু-কাশ্মিরে। এখানকার পপলার গাছ হয়ে উঠেছে কাশ্মিরি সংস্কৃতির অংশ। এর উচ্চতা এবং নিজস্ব সৌন্দর্য এ অঞ্চলের সৌন্দর্যকে দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এই পপলার গাছের টানেই দেশি-বিদেশি পর্যটকেরা ছুটে আসেন এখানে।

গ্রীষ্মে যখন পপলারের পাতা কড়া লাল, হলুদ কিংবা হলদে বাদামী রঙ ধারণ করে, অক্টোবর-নভেম্বরে তা ভিন্ন এক রঙ ধারণ করে। বাতাসে হালকা শীতলতা, সারাদিনের মিষ্টি রোদ, সকাল-সন্ধ্যার হালকা শীত এবং চারদিকে পপলার গাছের সৌন্দর্য এ অঞ্চলকে স্বর্গীয় করে তোলে।

পপলার গাছে সমৃদ্ধ মোঘল গার্ডেন পর্যটকদের কাছে দারুণ জনপ্রিয়। একেক ঋতুতে কাশ্মিরের এক এক সৌন্দর্যের কারণেই কাশ্মির সারাবিশ্বে জনপ্রিয়। এখানকার সব ঋতুরই আলাদা আকর্ষণ রয়েছে।

কিন্তু পাতাঝরা শরতে, পপলার গাছের ঝরে যাওয়া পাতার উপর দিয়ে হেঁটে যাওয়ার অনুভূতিটাই প্রত্যেক পর্যটকদের কাছে সবচেয়ে প্রিয়।

মুম্বাইয়ের বুশা পাটেল তার কাশ্মির ভ্রমণ সম্পর্কে বলেন, “এমন দৃশ্য শুধুমাত্র মুভিতে দেখতে পেতাম। আর আজ যখন নিজে এমন দৃশ্য উপভোগ করছি তখন আমার আনন্দ যে কতটুকু তা আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না।”

জার্মানি থেকে আসা এলেক্স তার প্রথম কাশ্মির ভ্রমণ সম্পর্কে বলেন, “জার্মানির শরতটাও সুন্দর, কিন্তু কাশ্মিরের মতো এতো সুন্দর নয়।” ডাল লেকের সামনে পপলার গাছের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে তিনি বলেন, “সত্যিই কাশ্মির পৃথিবীর স্বর্গ।”

উল্লেখ্য, পপলার একটি ফলহীন গাছ হলেও এর কাঠ অত্যন্ত মূল্যবান। গ্রীষ্মে এটি পথিকদের ছায়া দেয়, বর্ষায় আশ্রয়। স্থানীয় লোকেরা পপলারের পাতা সংগ্রহ করে কাঠকয়লা তৈরি করে যা ভারী তুষারপাতের সময় কাজে লাগায়।

এম এইচ/

আরো পড়ুন:

সময় করে দেখে আসুন টাঙ্গাইলের ২০১ গম্বুজ মসজিদ

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ