spot_img
24 C
Dhaka

২রা ডিসেম্বর, ২০২২ইং, ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯বাংলা

পাকিস্তান সম্পর্কে কী জানালো এফএটিএফ?

- Advertisement -

ডেস্ক রিপোর্ট: জম্মু-কাশ্মীরে পাকিস্তানী সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে সেখানকার জনগণকে রক্ষা করতে ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান একটি নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এফএটিএফ পূর্বে পাকিস্তানকে সন্ত্রাসীদেরকে অর্থায়নের দায়ে ধূসর তালিকাভুক্ত করেছিল। তবে সম্প্রতি এ দেশকে সে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। তারপর থেকেই পাকিস্তান আরো দৃঢ় ভাবে সন্ত্রাসীদেরকে প্রশিক্ষণ, অর্থায়ন এবং তাদের অস্ত্রশস্ত্রের ব্যবস্থা করছে।

প্যারিসে দুইদিনের বৈঠকে এফএটিএফ জানায় যে পাকিস্তান ৩৪ দফা কর্মসূচি সুন্দরভাবেই সম্পন্ন করেছে। যদিও বিশেষজ্ঞদের মতামত হলো, এ ৩৪ দফা মূলত পরিসংখ্যানগত আমলাতান্ত্রিক অনুশীলন, যা পাকিস্তানের পক্ষে সম্পন্ন করা অসম্ভব কিছু ছিল না।

এ ব্যাপারে প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক অভিজিৎ আইয়ার মিত্র জানান, এগুলো শুধুমাত্র পরিসংখ্যানগত আমলাতান্ত্রিক অনুশীলন। এগুলোর দ্বারা একটি দেশ সন্ত্রাসীদের সাথে কতটুকু সম্পৃক্ত কিংবা আদৌ সম্পৃক্ত কি না সে ব্যাপারে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায় না।

অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে সশস্ত্র ও বেআইনি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর ঘাঁটি বলে অভিহিত করেছে। কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিস জানায়, এ অঞ্চলে পাঁচ ধরনের সন্ত্রাসী দল রয়েছে। এরা বিশ্বমুখী, আফগানিস্তানকেন্দ্রিক, ভারতকেন্দ্রিক, অঞ্চলভিত্তিক এবং সাম্প্রদায়িক, যেমনঃ শিয়া বিরোধী।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাস সম্পর্কিত জরিপ,২০২০, যা মূলত ২০২১ সালের ডিসেম্বরে প্রকাশিত হয়, সেখানে বলা হয় পাকিস্তানে বসবাসরত সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে পাকিস্তান সরকার কোন ধরনের পদক্ষেপই গ্রহণ করেন নি।

সন্ত্রাস বিরোধী জাতীয় পরিকল্পনা-২০১৫ মোতাবেক সন্ত্রাস বিরোধী কার্যক্রম রুখতে খুব কমই কাজ করেছে পাকিস্তান সরকার।

ভূরাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ, জিতেন্দ্র কুমার ওঝা বলেন, “পাকিস্তান সারাবিশ্বেই সন্ত্রাসের এক অদৃশ্য জাল ছড়িয়ে রেখেছে। যেখানে সন্ত্রাসবাদের মাধ্যমে তারাই সবচেয়ে বেশি লাভবান হচ্ছে, তাই সন্ত্রাসবাদ রুখতে তারা কোনো ধরনের পদক্ষেপ নিবে বলে আমার মনে হয় না।”

নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের ধারণা, জাতিসংঘে নিষিদ্ধকৃত অনেক সন্ত্রাসীরাই চ্যারিটি সংগঠনের মাধ্যমে টাকা রোজগার করে যা পরবর্তীতে বিশ্বে সন্ত্রাসবাদ এবং ইসলামী উগ্রবাদ ছড়াতে ব্যবহৃত হয়। এই সন্ত্রাসীদের পৃষ্ঠপোষক হচ্ছে পাকিস্তান।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারত উভয়েই এই সন্ত্রাসবাদের শিকার। তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে বিশ্বের বুক থেকে এই সন্ত্রাসবাদকে মুছে ফেলতে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারত উভয়ই জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১২৬৭ নং আল কায়েদা নিষেধাজ্ঞা কমিটির অধীনে এই সন্ত্রাসীদের কালো তালিকাভুক্ত করার চেষ্টা করছে।

যদিও পাকিস্তানের বন্ধু চীন, এ ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের এ চেষ্টায় বাধাপ্রদান করেছে। যার ফলে এখনো বিশ্ব সন্ত্রাসবাদের করালগ্রাস থেকে মুক্ত হতে পারেনি।

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ