spot_img
26 C
Dhaka

৩০শে নভেম্বর, ২০২২ইং, ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯বাংলা

সর্বশেষ
***আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতলে বাংলাদেশের উচ্ছ্বাস দেখতে আসবেন আর্জেন্টাইন সাংবাদিক***যৌনপল্লীর গল্প নিয়ে পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘রঙবাজার’***কেন ক্ষমা চাইলেন কিংবদন্তি গায়ক বব ডিলান***বিলুপ্তপ্রায় কুমিরের সন্ধান, পুনর্ভবা নদীর তীরে মানুষের ভিড়***সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নয়, নয়াপল্টনেই হবে সমাবেশ : বিএনপি***পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসী দল টিটিপি ইসলামাবাদের গলার কাঁটা?***পাকিস্তান-আফগানিস্তানের সম্পর্ক কি শেষের পথে?***শীত মৌসুম, তুষার এবং বরফকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে রাশিয়া : ন্যাটো***নানা সুবিধাসহ বাংলাদেশ ফাইন্যান্সে চাকরির সুযোগ***বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার সূচি ও আসনবিন্যাস প্রকাশ

পাকিস্তান ও চীনের সংক্রামক জীবাণু নিয়ে গোপন গবেষণা : বিশ্বব্যাপী উদ্বেগ

- Advertisement -

ডেস্ক রিপোর্ট, সুখবর বাংলা: যখন কোভিড-১৯ এবং এর রূপান্তর পৃথিবীকে এখনো জর্জরিত করছে, সেই মুহূর্তে রাওয়ালপিন্ডির কাছে পাকিস্তান এবং চীন এক গোপন জৈব অস্ত্র গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে।

কুখ্যাত উহান ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজি এবং পাকিস্তান সেনাবাহিনী পরিচালিত, প্রতিরক্ষা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সংস্থা (ডিএসটিও) পাকিস্তানে মারাত্মক সব রোগজীবাণু নিয়ে গবেষণা করছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে গবেষণাগারের অবস্থান এখনো গোপনীয় রাখা হয়েছে।

বৈশ্বিক মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, চীন কোভিডের মতোই ঘাতক প্যাথোজেনের আবিষ্কার চালাচ্ছে পাকিস্তানে, যা কোভিডের চেয়েও ভয়ানক পরিমাণে সংক্রমণ ছড়ানোর ক্ষমতা রাখে।

২০২০ সালে অবশ্য পাকিস্তান এসব বিষয় অস্বীকার করে। এ বিষয়ে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছিল, পাকিস্তানের বায়ো সেইফটি লেভেল-৩ (বিএসএল-৩) সম্পর্কে গোপনীয়তার কিছু নেই।

এফও জানায়, পাকিস্তান বায়োলজিক্যাল এন্ড টক্সিন উইপনস কনভেনশন (বিটিডব্লিউসি) এর রাষ্ট্রপক্ষকে সমস্ত তথ্য জানিয়েছে যেন রাষ্ট্রপক্ষ এদের উপর আস্থা রাখেন।

তথ্যমতে, এই সুবিধাটি স্বাস্থ্য হুমকি এবং রোগের প্রাদুর্ভাবের কারণগুলো গবেষণার মাধ্যমে ডায়াগনস্টিক ব্যবস্থা এবং সুরক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি ঘটাবে।

রাওয়ালপিন্ডির চাকলালা ক্যান্টনমেন্টে অবস্থিত জেনারেলের নেতৃত্বে একটি ডিএসটিও রয়েছে। এ গবেষণাগার কি বায়োসেফটি লেভেল ৪ (বিএসএল-৪) এবং এখানে কি সংক্রামক রোগের পরীক্ষা নিরীক্ষা চলে, এ ব্যাপারে প্রশ্নচিহ্ন থেকেই যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বিএসএল-৪ গবেষণাগারগুলোতে যেসব সংক্রামক রোগ মানুষের মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায় এবং যেগুলোর প্রতিষেধক কিংবা চিকিৎসা এখন পর্যন্ত আবিষ্কার করা যায়নি, তাদের সম্পর্কে গবেষণা করা হয়।

গোয়েন্দা বিভাগ এবং বৈজ্ঞানিকরা সতর্কবার্তা প্রদান করে বলেছেন, পাকিস্তানকে ব্যবহার করে চীনারা গবেষণাগারে কোভিডের থেকেও শতগুণ বেশি সংক্রামক জীবাণু তৈরি করছে।

জৈব অস্ত্র বিশেষজ্ঞদের মতে, সেনাবাহিনী দ্বারা পরিচালিত পাকিস্তানের গবেষণাগার এবং পিএলএ পরিচালিত একাধিক গবেষণাগার ও প্রতিষ্ঠান বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা নিরীক্ষা নয় বরং সংক্রামক প্যাথোজেন আবিষ্কারের খুঁজে কাজ করছে।

গোপন এ পরিকল্পনার নামঃ সংক্রামক রোগ সৃষ্টিতে সহযোগিতা এবং ক্রমাগত পোষকদেহ পরিবর্তনকারী রোগের জৈবিক নিয়ন্ত্রণের উপর গবেষণা।

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ