spot_img
26 C
Dhaka

২৬শে নভেম্বর, ২০২২ইং, ১১ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯বাংলা

সর্বশেষ
***বিজয়ের মাসে ২টি প্রদর্শনী নিয়ে আসছে বাতিঘরের নাটক ‘ঊর্ণাজাল’***মহিলা আওয়ামী লীগের নতুন সভাপতি চুমকি, সাঃ সম্পাদক শবনম***সরকার নারীদের উন্নয়নে কাজ করে চলেছে : মহিলা আ. লীগের সম্মেলনে শেখ হাসিনা***তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া কোনো নির্বাচন হতে দেয়া হবে না : কুমিল্লায় মির্জা ফখরুল***দেশে আর ইভিএমে ভোট হতে দেওয়া হবে না : রুমিন ফারহানা***রংপুর সিটি নির্বাচনে অপ্রীতিকর কিছু ঘটলে ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দেয়া হবে : নির্বাচন কমিশনার***সৌদি আরবে চলচ্চিত্র উৎসবে সম্মাননা পাচ্ছেন শাহরুখ খান***ভূমি অফিসে সরাসরি ঘুস গ্রহণের ভিডিও ভাইরাল***আজ মাঠে নামলেই ম্যারাডোনার যে রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলবেন মেসি***স্বাধীনতা কাপের সেমিফাইনালে শেখ রাসেল

পাকিস্তানে ঋণের হার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি

- Advertisement -

ডেস্ক রিপোর্ট, সুখবর ডটকম: চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসেই পাকিস্তানের মোট ঋণ ২৩.৭ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ১২ ট্রিলিয়ন রুপি। এর কারণ হিসেবে বিশ্লেষকরা আইএমএফ থেকে ঋণ গ্রহণ ও রুপির অবমূল্যায়নকে দায়ী করছেন।

গত অর্থবছরের একই সময়ে ঋণ ৫০.৪৯ ট্রিলিয়ন রুপি ছিল, যেখানে এ বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বরে ঋণ এসে দাঁড়িয়েছে ৬২.৪৬ ট্রিলিয়ন রুপিতে।

ইসমাইল ইকবাল সিকিউরিটিজ এর রিসার্চ প্রধান ফাহাদ রউফ এ ঋণ বৃদ্ধির জন্য বাহ্যিক কারণকে দায়ী করেন। তার মতে এ ঋণ বৃদ্ধির ১২ কোটিই হলো আইএমএফের ঋণের অংশ এবং এক্ষেত্রে অন্য কারণ হলো রুপির অবমূল্যায়ন।

সরকারি অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ ১৮.৭ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১.৪০ ট্রিলিয়নে। ২০২৩ অর্থবছরের জুলাই- সেপ্টেম্বরে বিদেশি ঋণের পরিমাণ ছিল ১৭.৯৯ ট্রিলিয়ন রুপি, যা এক বছর আগের তুলনায় ৩০.২ শতাংশ বেশি।

মোট বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৩৩.৪ শতাংশ বেড়ে ২৮.৯৪ ট্রিলিয়ন রুপিতে এসে দাঁড়িয়েছে।

টরাস সিকিউরিটিজের গবেষণা প্রধান মোস্তফা মুস্তানসির এ ব্যাপারে বলেন, “এ ঋণ বৃদ্ধির হার কমিয়ে ঋণ পরিশোধ করা সরকারের জন্য একটি অনেক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। রুপির অবমূল্যায়ন বাহ্যিক ঋণের পরিমাণকে প্রভাবিত করে। একইভাবে পলিসি রেট বাড়লে স্থানীয় ঋণের খরচ বেড়ে যায়।”

এসবিপি-এর তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসে ঋণের পরিমাণ ২২.৭ শতাংশ বেড়ে বার্ষিক ৯.১ ট্রিলিয়নে এসে দাঁড়িয়েছে।

আরিফ হাবিব লিমিটেডের তথ্য অনুসারে, পাকিস্তানের পাঁচ বছরের ক্রেডিট ডিফল্ট অদলবদল (সিডিএস), দেশটির সার্বভৌম ঋণের বিমার খরচ, সোমবারের ১৯২৯ বিপিএস এর তুলনায় মঙ্গলবারে বেসিস পয়েন্টে ৭৫৫০ বিপিএস বেড়েছে।

চলতি সপ্তাহে দেশের সিডিএস স্তর উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। বিনিয়োগকারীরা সরকারের উপর ঋণ পরিশোধের ব্যাপারে ভরসা করতে পারছে না।

তবে একজন বিশ্লেষকের ধারণা, পাকিস্তান হয়তোবা একদম শেষ মূহুর্তে টাকা পরিশোধ করতে সক্ষম হবে।

যদিও এখনো তারিখ নির্ধারণ করা হয় নি, তবে ধারণা করা হচ্ছে এ মাসের শেষ দিকে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে আইএমএফের কর্মীসভা বসতে পারে।

সরকার বন্যা পরিস্থিতিতে আরো অসুবিধায় পড়েছে। বন্যাপরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে সরকার হয়তো ঋণ মওকুফ কিংবা ঋণ পরিশোধের সময় বৃদ্ধির জন্য আর্জি জানাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে আইএমএফের পর্যালোচনায় বিলম্বের কারণে পাকিস্তান বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকেও কোন ধরনের সাহায্য সহযোগিতা নিতে পারছে না।

তবে দেশটির রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক মন্দা সব মিলিয়ে আসছে বছর দেশের জন্য খুব কঠিন সময় হবে বলা যাচ্ছে।

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ও যে বাহ্যিক ঋণের পরিমাণ ১২৭ বিলিয়ন ছিল তা এখন কমে দাঁড়িয়েছে ১২৬.৯ বিলিয়নে।

তবে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করতে দেশকে অনেক বাধাবিপত্তির সম্মুখীন হতে হবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ