spot_img
27 C
Dhaka

২৬শে নভেম্বর, ২০২২ইং, ১১ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯বাংলা

সর্বশেষ
***বিজয়ের মাসে ২টি প্রদর্শনী নিয়ে আসছে বাতিঘরের নাটক ‘ঊর্ণাজাল’***মহিলা আওয়ামী লীগের নতুন সভাপতি চুমকি, সাঃ সম্পাদক শবনম***সরকার নারীদের উন্নয়নে কাজ করে চলেছে : মহিলা আ. লীগের সম্মেলনে শেখ হাসিনা***তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া কোনো নির্বাচন হতে দেয়া হবে না : কুমিল্লায় মির্জা ফখরুল***দেশে আর ইভিএমে ভোট হতে দেওয়া হবে না : রুমিন ফারহানা***রংপুর সিটি নির্বাচনে অপ্রীতিকর কিছু ঘটলে ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দেয়া হবে : নির্বাচন কমিশনার***সৌদি আরবে চলচ্চিত্র উৎসবে সম্মাননা পাচ্ছেন শাহরুখ খান***ভূমি অফিসে সরাসরি ঘুস গ্রহণের ভিডিও ভাইরাল***আজ মাঠে নামলেই ম্যারাডোনার যে রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলবেন মেসি***স্বাধীনতা কাপের সেমিফাইনালে শেখ রাসেল

পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় নানা সমস্যা

- Advertisement -

ডেস্ক রিপোর্ট: পাকিস্তানের সিন্ধুতে ৫ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশুদের বিনামূল্যে শিক্ষা দেওয়ার ব্যাপারে শিক্ষা সচিব, আকবর লাঘারি আদালতে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। এ প্রতিবেদনে তিনি স্বীকার করেন যে, সিন্ধু প্রদেশ শিক্ষা ব্যবস্থায় অনেক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।

বন্যা পরিস্থিতিতে সিন্ধু প্রদেশের বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, গবাদিপশু মারা গেছে, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার অবনতি হয়েছে এবং শিক্ষার আরো বেশি অবনতি হয়েছে। তবে শিক্ষার এ অবনতি নিয়ে কর্তৃপক্ষের কোন মাথাব্যথাই নেই।

প্রতিবেদনটিতে, লাঘারি, স্কুল ভবন, শিক্ষকের অভাব, আসবাবপত্রের তীব্র ঘাটতি, পলাতক ও অনুপস্থিত শিক্ষক, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অসম অনুপাত এবং প্রশাসনিক সমস্যার মতো বিষয়গুলি তুলে ধরেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৪০,৫২৯ টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ৬৪০৭ টিই “আশ্রয়হীন বা ছাদবিহীন” যার ফলে এই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম। এছাড়াও, বর্তমান বার্ষিক প্রকল্পে ৬২২টি বিদ্যালয় নির্মাণাধীন রয়েছে। বাকি স্কুলগুলো আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে নির্মাণের কথা রয়েছে। তাছাড়াও শিক্ষকদের “তীব্র ঘাটতির” কারণে ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে হাজার হাজার স্কুল বন্ধ রয়েছে।

৩৫,৪৮৭ জন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক এখনও নিয়োগের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং ৫৯৭০ টি বিদ্যালয় আগেই শিক্ষকের অনুপস্থিতির কারণে বন্ধ হয়ে গেছে। ইতিমধ্যে, ৩৪৮৪ টি স্কুল এখন পুনরায় চালু করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনেক বছর ধরে আসবাবপত্রের তীব্র ঘাটতি শিশুদের প্রায়ই স্কুল থেকে ঝরে পড়ার আরেকটি কারণ। এছাড়া প্রায় ৪৫৩৩ জন শিক্ষক বিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালনে অনুপস্থিত রয়েছেন। ৪৪২৭টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের তুলনায় ৩৬,১০২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উপস্থিতি শিক্ষার অবস্থার অসম কাঠামোকে প্রদর্শন করে।

বিদ্যালয়ের অসম কাঠামোর জন্য হাজার হাজার শিক্ষার্থী উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা শেষ করতে পারে না। প্রতিবেদনে শাসন সংক্রান্ত বিষয়গুলোও তুলে ধরা হয়েছে। অধিকাংশ কর্মকর্তার ব্যবস্থাপনা দক্ষতার অভাব রয়েছে এবং শিক্ষা বিভাগ জেলা শিক্ষা অফিসারদের দ্বারা পরিচালিত হওয়ায় তারা আইনগতভাবে বা সঠিকভাবে বিষয়গুলি পরিচালনা করতে অক্ষম। এছাড়াও, প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিশুর অনিচ্ছা, ব্যয়বহুল শিক্ষা, দারিদ্র্যের মতো অর্থনৈতিক অবস্থা যা শিশুশ্রমের দিকে তাদের পরিচালিত করে এবং মেয়েদের জন্য সাংস্কৃতিক কারণ এবং আইনের সুষ্ঠু ব্যবহার না থাকায় শিশুরা স্কুলে আসতে চায় না। তাছাড়া গ্রামীণ এলাকার শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অভিভাবকদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ায়।

আদালতে দাখিল করা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘স্কুল বহির্ভূত শিশুদের’ সংখ্যা কমানোর পরিকল্পনা করছে সরকার। তবে প্রদেশ সরকারের পূর্ববর্তী রেকর্ড এবং বিশেষ করে সিন্ধ প্রদেশে বন্যার পরবর্তী পরিস্থিতির কারণে সরকারের এ পরিকল্পনাটি কয়েক বছর সময় নিতে পারে এমন সম্ভাবনাও রয়েছে।

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ