spot_img
28.3 C
Dhaka

১লা ডিসেম্বর, ২০২২ইং, ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯বাংলা

সর্বশেষ
***ইবিতে ‘গ্লোবাল সিটিজেনশিপ এন্ড সিভিক এডুকেশন’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত***ইসলামি গানের মডেল হলেন মিশা সওদাগর***১৮ লাখ টাকার সোনা-হীরা বিক্রি করতে গিয়ে আটক গৃহপরিচারিকা***নিজেদের ওপর বিশ্বাস রাখো, শিষ্যদের প্রতি জাপান কোচ মোরিইয়াসু***ভারতের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে খেলা হচ্ছে না তাসকিন আহমেদের***নানা সুবিধাসহ যমুনা গ্রুপে চাকরির সুযোগ***১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত ‘বিশেষ অভিযান’ চালাবে পুলিশ***সোহরাওয়ার্দীতে পা‌কিস্তান আত্মসমর্পণ করায় বিএনপি সেখানে সমাবেশ করতে চায় না : হাছান মাহমুদ***বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত***জিতের বাড়ির সামনে এক ভিন্নরকম জন্মদিনের চিত্র

নবান্নের মাছের মেলায় নন্দিত বগুড়ার নন্দীগ্রাম

- Advertisement -

ডেস্ক রিপোর্ট, সুখবর ডটকম: সুন্দর করে থরে থরে সাজানো সিলভার কার্প, কাতলা, চিতল, রুই, ব্লাডকার্প, বির্গেড, বাঘা আইড়, বোয়ালসহ হরেক রকমের মাছ। সারি সারি দোকান। চলছে হাঁকডাক, দরদাম। এক কেজি থেকে শুরু করে ২৫ কেজি ওজনের মাছ আছে এখানে। লোকজনও ব্যাপক উৎসাহের সঙ্গে কিনছেন এসব মাছ। অনেকেই আবার এসেছেন কেবল মাছ দেখতে।

জানা গেছে, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উৎসবের পঞ্জিকা অনুসারে শুক্রবার অগ্রহায়ণের এইদিনে প্রতিবছর নবান্ন উৎসব পালন করা হয়। এ উৎসবকে ঘিরে বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার ওমরপুর, রণবাঘায় মাছের মেলা বসে। এছাড়া উপজেলার নাগরকান্দি, হাটকড়ই, ধুন্দার বাজারেও মাছের মেলা বসেছে। জেলে থেকে শুরু করে মাছ খামারি ও মাছ ব্যবসায়ীরা তাদের মাছ নিয়ে এনেছেন। মেলা উপলক্ষে উপজেলাজুড়ে প্রতিটি বাড়িতেই মেয়ে-জামাইসহ স্বজনদের আগে থেকেই দাওয়াত দেওয়া হয়।

২০০ থেকে ৭৫০ টাকা কেজি দরে বির্গেড ও সিলভার কার্প মাছ বিক্রি হচ্ছে। রুই ও কাতলা মাছ বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ৬৫০ টাকা কেজি দরে। চিতল ব্লাডকার্প মাছ ওজনভেদে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও ৪৫ কেজি ওজনের বাঘা আইড় মাছ ১২০০ টাকা কেজি দরে দাম চাওয়া হচ্ছে।

এদিকে, মেলায় শীতকালীন হরেক রকমের সবজি ছড়াছড়ি। প্রতিবারের মতো এবারও ক্রেতা সমাগম চোখে পড়ার মতো। মাছের দামও অনেকটা স্বাভাবিক বলে জানান ক্রেতা ও বিক্রেতারা।

কালিকাপুর গ্রামের ধীরেন চন্দ্র সাংবাদিকদের বলেন, ‘যুগ যুগ ধরে অগ্রহায়ণ মাসের এইদিন মাছের মেলা বসে। দিন যতই যাচ্ছে এই মেলার ঐতিহ্য ততই বাড়ছে। ’

মাছ বিক্রেতা মিলন হোসেন বলেন, মেলায় ছোট-বড় মিলে প্রায় শতাধিক মাছের দোকান বসেছে। প্রত্যেক বিক্রেতা অন্তত ১০ থেকে ২০ মণ করে মাছ বিক্রি করেছেন। গুন্দইল গ্রামের অপর মাছ বিক্রেতা মোস্তফা আলী বলেন, নবান্ন উৎসবকে ঘিরেই তারা মূলত মেলায় বড় বড় মাছ বিক্রি করতে আনেন। ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতা মাথায় রেখে তারা মাছের দাম নির্ধারণ করেন। এলাকা মানুষদের সঙ্গে খুব একটা দামাদামি করেন না।

উপজেলার তৈয়বপুর গ্রাম থেকে অতিথি আপ্যায়নের জন্য মাছ কিনতে এসেছেন আজমল হোসেন। তিনি সাংবাদিকদের জানান, দীর্ঘ দিন ধরে এখানে নবান্ন উৎসব উপলক্ষে মেলা বসে। দিনব্যাপী এই মেলায় নিত্যনতুন জিনিস পাওয়া যায়। তবে এ মেলার প্রধান আকর্ষণ মাছ। পুকুরের বড় বড় মাছ মেলায় বিক্রি করতে আনা হয়। এ মেলায় মাছের পাশাপাশি অন্য সকল পণ্যও পাওয়া যায়।

এম/

আরো পড়ুন:

বিশ্বকাপ উন্মাদনা : বগুড়ার পল্লীতে পতাকা তৈরির উৎসব

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ