spot_img
28.3 C
Dhaka

১লা ডিসেম্বর, ২০২২ইং, ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯বাংলা

সর্বশেষ
***নানা সুবিধাসহ যমুনা গ্রুপে চাকরির সুযোগ***১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত ‘বিশেষ অভিযান’ চালাবে পুলিশ***সোহরাওয়ার্দীতে পা‌কিস্তান আত্মসমর্পণ করায় বিএনপি সেখানে সমাবেশ করতে চায় না : হাছান মাহমুদ***বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত***জিতের বাড়ির সামনে এক ভিন্নরকম জন্মদিনের চিত্র***বীর মুক্তিযোদ্ধা হত্যা মামলায় এক্সেল কামালের ফাঁসি কার্যকর***চেক ডিজঅনার মামলা : হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগে স্থগিত***‘মিসেস ইউনিভার্সেস বাংলাদেশ-২০২২’ এর আয়োজক গ্রেফতার***করোনার টিকার চতুর্থ ডোজ দেওয়া হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী***যাচাইয়ের পর বিদ্যুতের দাম বাড়ানো নিয়ে সিদ্ধান্ত : নসরুল হামিদ

করাচিতে ধর্মীয় অবমাননার মামলায় আটক নারীর ওপর বিক্ষুব্ধ জনতার হামলা

- Advertisement -

ডেস্ক রিপোর্ট, সুখবর বাংলা: পাকিস্তানে পবিত্র কুরআনের অবমাননার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এক নারীকে গ্রেপ্তারের পর, বিক্ষুব্ধ জনতা করাচির পুলিশ স্টেশনে হামলা চালায়। এতে মামলায় আটক মহিলার উপর আক্রমণ করা হয়।

ধর্মীয় অবমাননার দায়ে আটককৃত নারী জানান যে তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ এবং এজন্য তিনি চিকিৎসাও নিচ্ছেন।

গত বৃহস্পতিবার বিক্ষুব্ধ জনতা আইনগত পদ্ধতিতে নিজেদের অসন্তোষ প্রকাশ করে সন্দেহভাজন নারীকে নিজহাতেই শাস্তি দেওয়ার জন্য নিউ করাচি থানায় প্রবেশ করে।

ওই নারীর কঠোর শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভকারীদের মধ্যে পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে পুলিশ ও রেঞ্জার্স বাহিনী ঘটনাস্থলে যায়।

পরে এলাকার এসএইচও আহমেদ নেওয়াজ ডনকে জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতির অবনতি দেখতে পেয়ে বিক্ষোভকারীদের বাধা দেয় এবং ছত্রভঙ্গ করে।

এফআইআর অনুসারে, দুই মহিলা, পুলিশের হাতে আংশিক পুড়ে যাওয়া পবিত্র কোরআন তুলে দেয়।

এই ঘটনার বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ কয়েকটি ভিডিও ইতোমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে যেখানে সন্দেহভাজন নারীকে দেখা যায় কুরআন পোড়ানোর কারণ নিয়ে উত্তর দিতে। তাকে কোরআন পোড়ানোর কারণ জিজ্ঞেস করা হলে তিনি উত্তরে বলেন, “আমি ইহুদি… মুসলিমরা ইহুদিদের বিরুদ্ধে… সে কারণেই।”

যদিও এলাকার এসএইচও নিশ্চিত করেছেন যে সন্দেহভাজন ব্যক্তিটি আদতে একজন মুসলিম এবং সে মূলত দাদুর বাসিন্দা এবং নিউ করাচিতে থাকত।

অ্যাক্টিভিস্টরা স্বীকার করেছেন যে পাকিস্তানের মানবাধিকার ব্যবস্থা এত নিম্ন পর্যায়ে গিয়েছে যে বৈশ্বিক সংস্থাগুলো মোতাবেক এদেশ নারী, সংখ্যালঘু জনগণ, শিশু এবং মিডিয়া ব্যক্তিদের জন্য ভয়াবহ।

দক্ষিণ এশিয়ার এ দেশটিতে হিন্দু ও খ্রিস্টান গোষ্ঠীগুলির পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ। তবে এই সম্প্রদায়ের নারীরা মূলত কর্তৃপক্ষ, রাজনৈতিক দল, ধর্মীয় দল, সামন্ততান্ত্রিক কাঠামো এবং মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠদের বৈষম্যমূলক মনোভাবের শিকার হন সবচেয়ে বেশি।

অপহরণ, হত্যা, ধর্ষণ এবং জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণসহ পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের শোচনীয় অবস্থা উদ্বেগজনক। পাকিস্তানে নারী ও সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে। সাম্প্রতিক দিনগুলিতে দেশটিতে সংখ্যালঘুরা ব্যাপক বিক্ষোভ করেছে। কিন্তু মানবাধিকার লঙ্ঘন রোধে স্থানীয় প্রশাসন বা পাকিস্তান সরকারের কাছ থেকে কোনও রকম পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

আরো পড়ুন:

আইএসআইয়ের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন ইমরান খান

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ