spot_img
22 C
Dhaka

২রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ইং, ১৯শে মাঘ, ১৪২৯বাংলা

দেশের কোথাও এখন মঙ্গা নেই : খাদ্যমন্ত্রী

- Advertisement -

নিজস্ব প্রতিবেদক, সুখবর বাংলা: জনসংখ্যা ১৮ কোটি হওয়ার পরও এদেশে মঙ্গা নেই বলে উল্লেখ করেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। তিনি বলেন, ‘কৃষকরা এখন ধানের ভালো দাম পান। তারা ধানের দাম পাওয়া শুরু করেছেন বলেই কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বিভিন্ন জাতের উচ্চ ফলনশীল ধান উদ্ভাবনে আগ্রহী হয়েছে এবং উৎপাদনে সফল হয়েছে। আজ জনসংখ্যা ১৮ কোটি হওয়ার পরও এদেশে মঙ্গা নেই বলে আমি মনে করি।’

শনিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্রের (কারস) ১১১ নং কক্ষে আয়োজিত ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী: খাদ্য ও ভোক্তা স্বার্থ সুরক্ষায় প্রত্যাশা ও অর্জন’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ভলান্টারি অ্যান্ড অ্যাওয়ারনেস সোসাইটি (ভোক্তা) এর আয়োজন করে।

দেশে অন্তত ২৪ হাজার রাইস মিল রয়েছে জানিয়ে সাধন মজুমদার বলেন, এই ২৪ হাজার রাইস মিলের মালিকদের একসঙ্গে হয়ে সিন্ডিকেট করা সম্ভব নয়। তবে এদের মধ্যে যাদের ব্যাপক পুঁজি রয়েছে, তারা বিভিন্ন সময়ে মজুত করে। এই মজুতদারি ব্যবস্থাকে ভাঙতে হবে।

খাদ্যমন্ত্রী চাঁদাবাজি, মজুতদারি ও খাদ্য ভেজাল থেকে দূরে থেকে নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তার জন্য সবাইকে মানবিক হওয়ার আহ্বান জানান।

ভোক্তার সভাপতি অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখরের সভাপতিত্বে সেমিনারে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান এবং গ্লোবাল টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও এডিটর ইন চিফ সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা।

মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন ভোক্তার পরিচালক মহসীনুল করিম লেবু। প্রবন্ধের উপর আলোচনা করেন লিগ্যাল এইড ইকোনোমিস্ট ও বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের উপদেষ্টা এম এস সিদ্দিকী এবং কারসের প্রধান বিজ্ঞানী ড. লতিফুল বারী। স্বাগত বক্তব্য দেন ভোক্তার নির্বাহী পরিচালক মো. খলিলুর রহমান সজল।

সেমিনারে ইশতিয়াক রেজা বলেন, ‘ভোক্তা অধিকার আইনগুলো মানুষের সামনে দৃশ্যমান করা হচ্ছে না। মানুষের সামনে এই আইনগুলো তুলে ধরতে হবে। বাজারে পণ্য যোগানের ঘাটতি নেই। কিন্তু যোগান সম্পর্কে তথ্য ঘাটতির কারণে মানুষ সচেতন হতে পারছে না। একারণে মূল্যবৃদ্ধি হয়। এছাড়া ভোক্তা অধিকার রক্ষায় অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান থাকলেও তাদের সক্ষমতা কম৷ এর ভুক্তভোগী হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এসব প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।’

মূল প্রবন্ধে ভোক্তা অধিকার রক্ষায় আট দফা সুপারিশ তুলে ধরা হয়। সুপারিশগুলো হলো- ভোক্তাদের স্বীকৃত অধিকার সুরক্ষায় দেশের প্রচলিত আইনগুলোর সুষ্ঠু ও কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করাসহ প্রয়োজনে প্রচলিত আইনগুলোর সংশোধনী এনে যুগোপযোগী করা, ভোক্তা স্বার্থবিরোধী কার্যকলাপের জন্য দৃষ্টান্ত সৃষ্টিকারী শাস্তি নিশ্চিত করা, ভয়ভীতির উর্ধ্বে উঠে ভোক্তা স্বার্থ সংরক্ষণে নিবেদিত সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করা, ভোক্তারা যেন প্রচলিত আইনের আওতায় যথাযথ প্রতিকার পেতে পারেন সে ব্যাপারে তাদেরকে সঠিক তথ্য প্রদানসহ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান নিশ্চিত করা, ভোক্তা স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ফোরাম ও কমিটিতে ভোক্তাদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা, দেশের প্রচলিত আনুষ্ঠানিক শিক্ষা পাঠ্যক্রমে ভোক্তা বা ক্রেতা শিক্ষার বিষয়টি অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা, ডিজিটাল আর্থিক সেবা বা ই-কমার্স সেবা গ্রহণে প্রতারণা রোধে সুনির্দিষ্ট আইন প্রণয়ন ও কমিশন গঠন করা এবং সুষ্ঠু বিজ্ঞাপন নীতিমালা প্রণয়ন ও কর্তৃপক্ষ গঠনের মাধ্যমে প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপন সম্প্রচার প্রতিহত করা।

আরো পড়ুন:

ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি রক্ষাই হোক নববর্ষের অঙ্গীকার: তথ্যমন্ত্রী

 

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ