spot_img
23 C
Dhaka

১লা ডিসেম্বর, ২০২২ইং, ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯বাংলা

দুবাইয়ে নজরকাড়া পাঠাগার, থাকছে খাবার ও বিশ্রামের ব্যবস্থাও

- Advertisement -

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, সুখবর বাংলা: বিশ্ববাণিজ্য ও পর্যটনের অন্যতম কেন্দ্র এখন সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই। অত্যাধুনিক নকশায় গড়া গগনচুম্বী সব ভবন, বিলাসবহুল হোটেল, মোটেল, শপিংমল ও অভিজাত আবাসন এলাকাসহ পর্যটকদের জন্য ব্যয়বহুল ও চোখ ধাঁধানো নানা আয়োজনের কারণে দুবাই শহর ধনী ব্যক্তিদের বিনিয়োগ ও অবকাশ কাটানোর জন্য খ্যাতি পেয়েছে। সেই দুবাইয়ে এবার চালু হয়েছে নজরকাড়া একটি পাঠাগার। সমৃদ্ধ সেই পাঠাগারে গিয়ে পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছেন জ্ঞানপিপাসুরা। খবর সিএনএনের।

পাঠাগারটির নাম ‘মোহাম্মদ বিন রশিদ লাইব্রেরি’। দুবাইয়ের শাসক মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাখতুমের নামে এটির নামকরণ করা হয়েছে। দুবাইয়ের আল জাদ্দাফ এলাকায় গত জুনে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়েছে পাঠাগারটি। দুবাইয়ের পর্যটন আকর্ষণে নতুন মাত্রা যুক্ত করেছে পাঠাগারটি।

২০১৬ সালে মোহাম্মদ বিন রশিদ আল মাখতুম পাঠাগারটি নির্মাণের উদ্যোগ নেন। স্থাপনাটি সাততলা, দেখতে পাতা খোলা বইয়ের মতো। স্থপতিরা দুবাইয়ের ধর্ম–সংস্কৃতির সঙ্গে মিল রেখে রেহেলের ওপর থাকা পবিত্র কোরআনের আদলে ভবনটি বানিয়েছেন। এটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১১ কোটি দিরহাম (স্থানীয় মুদ্রা) বা ২৭ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি।

পাঠাগারটিতে বই–সাময়িকীর সংগ্রহ বেশ সমৃদ্ধ। সেখানে রয়েছে ১১ লাখের বেশি মুদ্রিত ও ডিজিটাল বই। দুর্লভ কিছু বইয়ের প্রথম সংস্করণও পাঠাগারটিতে রয়েছে। আরও রয়েছে শিশু, কিশোর ও তরুণদের জন্য বিভিন্ন বইয়ের বিশাল সংগ্রহ। নয়টি স্বতন্ত্র পাঠাগারের সমন্বয়ে এটি কার্যক্রম পরিচালনা করে।

পাঠাগারের ডিজিটাল অংশে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ৭৫ হাজারের বেশি ভিডিও, ৭৩ হাজারের বেশি গান, ৩৫ হাজার আন্তর্জাতিক সাময়িকী, ৫ হাজারের বেশি ঐতিহাসিক নথিপত্র রয়েছে। সেই সঙ্গে রয়েছে একটি ই–বুক স্টোর। স্থানীয় লোকজন ও পর্যটকেরা বিনামূল্যে পাঠাগারটিতে গিয়ে পড়াশোনা করতে পারছেন।

স্বতন্ত্র্য নকশার ভবন, বই–নথিপত্রের বিশাল সংগ্রহের কারণে অনেকেই একে লন্ডনের ব্রিটিশ লাইব্রেরি কিংবা প্রাচীন আমলের মিসরের আলেকজান্দ্রিয়ার পাঠাগারের সঙ্গে তুলনা করছেন। পড়তে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়লেও সমস্যা নেই। সেখানে রয়েছে বড়সড় একটি ক্যাফে। পাঠকেরা সেখানে বসে পেট ভরাতে পারবেন, নিমেষেই ক্লান্তি দূর করে নিতে পারবেন।

আরব আমিরাতের লেখক ও প্রকাশক জামাল আল–শেহহি পাঠাগারটির পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বলেন, আগ্রহী পাঠকেরা এখানে জ্ঞানের রাজ্যে আনন্দের সঙ্গে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটাতে পারবেন।

জামাল আল–শেহহি আরও বলেন, দুবাই ব্যবসা, বাণিজ্য ও পর্যটনের জন্য পরিচিত। অসংখ্য মানুষ যেমন দুবাইয়ে এসে কেনাকাটা করতে পছন্দ করেন, তেমনই অসংখ্য মানুষ রয়েছেন যাঁরা বই পড়তে ভালোবাসেন। তাঁদের জন্যই এই পাঠাগার। স্বতন্ত্র্য এই স্থাপনা সবাইকে দুবাইয়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবে।

এম/

আরো পড়ুন:

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ