spot_img
26 C
Dhaka

২৬শে নভেম্বর, ২০২২ইং, ১১ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯বাংলা

সর্বশেষ
***বিজয়ের মাসে ২টি প্রদর্শনী নিয়ে আসছে বাতিঘরের নাটক ‘ঊর্ণাজাল’***মহিলা আওয়ামী লীগের নতুন সভাপতি চুমকি, সাঃ সম্পাদক শবনম***সরকার নারীদের উন্নয়নে কাজ করে চলেছে : মহিলা আ. লীগের সম্মেলনে শেখ হাসিনা***তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া কোনো নির্বাচন হতে দেয়া হবে না : কুমিল্লায় মির্জা ফখরুল***দেশে আর ইভিএমে ভোট হতে দেওয়া হবে না : রুমিন ফারহানা***রংপুর সিটি নির্বাচনে অপ্রীতিকর কিছু ঘটলে ভোটগ্রহণ বন্ধ করে দেয়া হবে : নির্বাচন কমিশনার***সৌদি আরবে চলচ্চিত্র উৎসবে সম্মাননা পাচ্ছেন শাহরুখ খান***ভূমি অফিসে সরাসরি ঘুস গ্রহণের ভিডিও ভাইরাল***আজ মাঠে নামলেই ম্যারাডোনার যে রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলবেন মেসি***স্বাধীনতা কাপের সেমিফাইনালে শেখ রাসেল

তালেবান-পাকিস্তান জোটের সংগে বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসের যোগসূত্র নিয়ে বই প্রকাশ

- Advertisement -

ডেস্ক রিপোর্ট, সুখবর বাংলা: ডেভিড আর উইনস্টনের রচিত ন্যাটো ডিফেন্স এডুকেশন এনহ্যান্সমেন্ট প্রোগ্রাম (ডিইইপি) দ্বারা প্রকাশিত একটি নতুন বই বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসী অর্থায়নে তালেবান এবং পাকিস্তানের সম্পর্ক তুলে ধরেছে।

আফগান ডায়াস্পোরা নেটওয়ার্কের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সম্পর্ক সমগ্র বিশ্বের জন্য এবং বিশেষ করে মানবাধিকার সুরক্ষার ক্ষেত্রে বিপদ ডেকে আনছে।

বইটিতে আফগানিস্তানের পাশাপাশি পাকিস্তানের মাদক শিল্পের বৃদ্ধি এবং মাদক পাচার এবং সন্ত্রাস ও চরমপন্থার মধ্যকার সম্পর্কগুলো নিয়ে বিশ্লেষণ করা করেছে।

আফগানিস্তান থেকে আমেরিকান এবং ন্যাটো সৈন্য প্রত্যাহারের পর, গত বছর, মাদক শিল্প দ্রুত পুরো দেশের প্রাথমিক রাজস্ব আয়ের উৎস হয়ে উঠেছে।

মাদকের ইতিহাস এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সাথে এর সংযোগ সম্পর্কে বিশ্লেষণ করার মাধ্যমে, কীভাবে বিশ্ব এই বিপদজনক পথে নেমে এসেছে বইটি তার সত্যতা তুলে ধরে। এর পাশাপাশি এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করার সম্ভাব্য সমাধানও প্রস্তাব করা হয় বইটিতে।

বইটির মতে এই ধরনের বাণিজ্য পাকিস্তানের সামরিক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর সহায়তাতেই সম্ভব হয়েছিল। এটি জিহাদি গোষ্ঠীগুলির সাথে বেশ কয়েকটি গোপন অভিযান পরিচালনা করে এবং এ অভিযানগুলোর অর্থায়নের জন্য তারা মাদক পাচারের উপরই নির্ভরশীল ছিল। যার ফলে মাদক পাচারের পথ আরও প্রসারিত হয়।

চোরাচালানের সাথে জড়িত আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তের অপরাধমূলক সংস্থা হাক্কানি সংস্থাকে বইটিতে সবচেয়ে বিপদজনক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও আফগান ডায়াস্পোরা নেটওয়ার্ক দাবি করে যে এই সংস্থার সাথে জড়িত ব্যক্তিরা সরকারি প্রধান পদধারী।

পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী সবসময় হাক্কানি সংস্থাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী হিসাবেই দেখেছে। হাক্কানি সংস্থার অসংখ্য জিহাদি গ্রুপের সাথে জোটবদ্ধতা রয়েছে।

তালেবানের বর্তমান নেতৃত্বের মধ্যে হাক্কানি সংস্থার প্রাধান্য পরিলক্ষিত হয়। যদিও আসন্ন বছরগুলিতে সিরাজুদ্দিন হাক্কানির পরে কে এই সংস্থার দায়িত্ব নিবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

গত কয়েক বছরে পাকিস্তান ভারতে চোরাচালানের পথ তৈরি করেছে বলে জানা যায়। ভারতে চোরাচালানের অভিযানে অর্থায়নের ব্যাপারে বর্তমান ক্ষমতাসীন শেহবাজ শরীফের ভাই, পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের নাম উঠে আসে। তিনি দেশটির গোপন সামরিক অভিযানের জন্য অর্থ প্রদান করেন এবং পাকিস্তান থেকে ভারতে হেরোইন পাচারের সাথেও তিনি জড়িত।

মাদক পাচারের সাথে নিজের জড়িত থাকার কথা ১৯৯৪ সালেই একটি সাক্ষাৎকারে শরীফ নিজেই স্বীকার করেন।মার্কিন কংগ্রেসও এ বিষয়টি খুব ভালোভাবেই জানে। কিন্তু মাদক পাচার আটকাতে কেউ কোনো ধরনের পদক্ষেপই নিচ্ছে না।

আফগানিস্তান ও পাকিস্তান উভয় দেশের অর্থনীতির অবস্থা এখন এমন পর্যায়ে রয়েছে যে এখানে অবৈধ আফিম ব্যবসা বন্ধ করা হলে তাদের যেটুকুই অর্থায়ন হতো সে পথটুকুও বন্ধ হয়ে যাবে। তবুও আফগানিস্তানের তালেবান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়েছে যে তারা আফিম বাণিজ্য বন্ধ করবে।

আশা করা যায়, আফিম ব্যবসার পথ ধরে এ দুইটি সার্বভৌম রাষ্ট্র যে সন্ত্রাসবাদ এবং অবৈধ কার্যকলাপের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং বিশ্বের জন্য বিপদ তৈরি করছে, সে ব্যাপারে বিশ্ব সম্প্রদায় নজর দিবে এবং কঠোর হাতে তা দমন করবে।

এম/

আরো পড়ুন:

যুক্তরাষ্ট্রে গণতন্ত্র নিয়ে যা বললেন সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ