spot_img
20 C
Dhaka

৪ঠা ডিসেম্বর, ২০২২ইং, ১৯শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯বাংলা

‘ডার্ক হর্স’ ডেনমার্ককে রুখে দিল তিউনিসিয়া

- Advertisement -

স্পোর্টস ডেস্ক, সুখবর ডটকম: মুহুর্মুহু আক্রমণের পরও গোলের দেখা পায়নি কেউ। শেষ পর্যন্ত ড্রতে সন্তুষ্ট থাকতে হলো ডেনমার্ক-তিউনিশিয়াকে। তবে আক্রমনের কমতি ছিল না কোনো পক্ষের। তিউনিশিয়ার জাল লক্ষ্য করে ১১টি শট নিয়েছে ডেনমার্ক। ৫টি ছিল অন টার্গেট। অন্যদিকে সমানতালে লড়েছে তিউনিশিয়াও। ১৩টি শট নিয়েছে তিউনিশিয়া। ১টি ছিল অন টার্গেট। বল দখলের লড়াইয়ে এগিয়ে ছিল ডেনমার্ক। তাদের পায়ে ৬১ শতাংস সময় বল ছিল। দুই গোলরক্ষক কিছু নিশ্চিত গোল সেভ করেছেন। তাতেই ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দেয়।

কন্ডিশন অনুযায়ী, এশিয়া ও আফ্রিকার দেশগুলো সুবিধা একটু বেশি পাবে। ডাচদের কাছে হারলেও সেনেগালের দুর্দান্ত লড়াই। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সৌদি আরবের রূপকথার জয় ওই কথাই বলছে। এবার উত্তর আফ্রিকার দেশ তিউনিসিয়া রুখে দিল কাতার বিশ্বকাপে ‘ডার্ক হর্স’ হিসেবে পা রাখা ডেনমার্ককে।

খেলা শুরুর থেকেই দুই দলকেই দেখা যায় চাঙ্গা।  গতিময় ফুটবলে দুই দলই চালাতে থাকে আক্রমণ। কিন্তু তেমন সুযোগ আসছিল না। ১১ মিনিটে  প্রথম বড় সুযোগ পায় তিউনেশিয়া। বক্সের বাইরে ফাঁকায় বল পেয়ে গিয়েছিলেন মোহাম্মাদ দ্রেগার। তার নেওয়া শট প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে হয় লক্ষ্যভ্রষ্ট।

পরের কয়েকমিনিট তুমুল চাপ জারি রাখে ডেনমার্ক। তেতে থাকা তিউনেশিয়ার ডিফেন্সে তাদের আক্রমণগুলো হয় বাধাগ্রস্ত।

রক্ষণে সামলে নিয়ে বারবারই প্রতি আক্রমণে ভীতি ছড়ায় তিউনেশিয়া। ৩৮ মিনিটে কর্নার থেকে পাওয়া বল কোনাকোনি শট নিয়েছিলেন আইসা লাইডৌনি। অল্পের জন্য তা যায় বারের উপর দিয়ে। ৪৩ মিনিটে গোল পেয়েই যেতে পারত তিউনেশিয়া। বক্সের ভেতরে ঢুকে ইসাম জেবালীর শট দুর্দান্ত দক্ষতায় কর্নারের বিনিময়ে বাঁচান কেসপার স্মাইকেল।

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে সুযোগ আসে ডেনিশদের। ক্রিস্তিয়ান এরিকসনের নেওয়া সেট পিস যাচ্ছিল গোলের দিকে। তিউনেশিয়ার ডিফেন্ডার আলি আব্দি কর্নারের বিনিময়ে দলকে রক্ষা করেন।

বিরতির পর নেমেই সুযোগ তৈরি করে তিউনেশিয়া। দ্রেগারের ক্রস থেকে জেবালি পাওয়ার আগে ডেনমার্কের ডিফেন্ডার তা বাইরে পাঠান।

৫১ মিনিটে আসে সুর্বণ সুযোগ পায় উত্তর আফ্রিকার দেশটি। প্রতি আক্রমণ থেকে বল নিয়ে তীব্র গতিতে ছুটে যান  লাইডৌনি। তার সামনে ছিলেন কেবল গোলরক্ষক, কিন্তু শেষ মুহুর্তে তালগোল পাকিয়ে পড়ে যান তিনি। ৫৬ মিনিট সুযোগ আসে ডেনমার্কের। ডিফেন্স কাঁপানো আক্রমণ থেকে বল জালেও জড়িয়ে দিয়েছিলেন মিক্কেল দামসগার্ড। কিন্তু অফসাইডের কারণে বিফল হতে হয় তাদের। পরের মিনিটেই .ক্যাসপার ডলবার্গের বা দিক থেকে মারা শট যায় বার ঘেঁষে।

৬৯ মিনিটে এরিকসনকে গোল বঞ্চিত করেন তিউনেশিয়ার গোলরক্ষক আয়মেন ডাহমেন। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড তারকার নেওয়া শট বা দিকে ঝাঁপিয়ে কর্নারের বিনিময়ে ঠেকিয়ে দেন তিনি। সেই কর্নার থেকে গোল পেতে পারতেন আন্দ্রেয়াস ক্রিস্টেনসেন। তার নেওয়া হেড বারে লেগে গিরে আসে। প্রতি আক্রমণ থেকে আবার সুযোগ তৈরির কাছে যায় তিউনেশিয়া।

যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে ডেনমার্ককে আবার হতাশ করেন তিউনেশিয়ার কিপার। জেসপের লিন্ডস্ট্রমের মারা দূরপাল্লার শট দারুণ দক্ষতায় ফিরিয়ে দেন তিনি।

শেষ পর্যন্ত গোল না করার হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়ে গত ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালিস্টরা। অপরদিকে এগিয়ে থাকা প্রতিপক্ষের কাছ থেকে ১ পয়েন্ট নিয়ে সমর্থকদের সঙ্গে উদযাপন করে তিউনেশিয়া।

এম/

আরো পড়ুন:

আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে মরুর বুকে নতুন গল্প লিখলো সৌদি আরব

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ