spot_img
24 C
Dhaka

২রা ডিসেম্বর, ২০২২ইং, ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯বাংলা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: দক্ষিণ আফ্রিকার সহজ জয়

- Advertisement -

ক্রীড়া ডেস্ক, সুখবর বাংলা: নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু করেছিল বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশ পেল বড় হারের তিক্ত স্বাদ। বৃহস্পতিবার সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এসসিজি) সুপার টুয়েলভের ম্যাচে প্রোটিয়াদের কাছে ১০৪ রানে হেরেছে সাকিব আল হাসানের দল।

দক্ষিণ আফ্রিকার দেওয়া ২০৬ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে বাংলাদেশ ১০১ রান করতে সক্ষম হয়েছে।

২০৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারে কাগিসো রাবাদাকে পরপর দুটি ছক্কা মেরেছিলেন সৌম্য সরকার। দারুণ দুটি ফ্লিকে টাইমিং ছিল অসাধারণ। প্রথম ওভারে উঠেছিল ১৭ রান। এরপর বাংলাদেশ সমর্থক হিসেবে যদি কোনো আশা পেয়ে থাকেন আপনি, তাহলে ভুল করেছেন। আনরিখ নর্কিয়া শিগগির বুঝিয়ে দিয়েছেন সেটি। নর্কিয়ার প্রথম ৪ বলের মধ্যে ফিরে গেছেন দুই ওপেনার, প্রথম ১০ বলের মধ্যে ফিরে গেছেন সাকিব। বাংলাদেশ সেই যে পথ হারিয়েছে, খুঁজে পায়নি আর।

সাকিবের বিদায়ের পরপরই আউট হন আফিফ হোসেন। ৫ বলে ১ রান করে রাবাদার বলে পার্নেলকে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরন তিনি। অন্যপান্তে লিটন দাস টিকে থাকলেও তাকে সঙ্গ দিতে পারেননি কেউ। দলীয় ৬৬ রানে আউত হন একাদশে ফেরা মেহেদী হাসান মিরাজ। ১৩ বলে ১১ রান করে আউট হন তিনি। মেহেদীর আউটের পর রানের খাতা না খুলেই সাজঘরে ফিরতে হয় মোসাদ্দেক সৈকতকে। কেশভ মহারাজের বলে উইকেট ছেড়ে বেড়িয়ে এসে খেলতে গিয়ে স্ট্যাম্পিং হন এই অলরাউন্ডার।

এরপর উইকেট বিলানোর মিছিলে যোগ দেন উইকেটরক্ষক ব্যাটার নূরুল হাসান সোহান। সামসিকে স্লগ সুইপে উড়িয়ে মারতে গিয়ে স্কায়ার লেগে থাকা নর্থজের হাতে ধরা পরেন। দলীয় ৭৬ রানে ৬ বলে ২ রান করে আউট হন তিনি। এরপর ক্রিজে আসেন তাসকিন আহমেদ। কিন্তু তখনই আউট হন অন্যপান্তে টিকে থাকা লিটন দাস। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩১ বলে ৬৪ রান করে সাজঘরে ফেরেরন তিনি।

ততোক্ষণ ৮৫ রানে ৮ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ক্রিজে নেই কোন স্বীকৃত ব্যাটার। এর মাঝে রান আউটের শিকার হন পেসার হাসান মাহমুদ। ২ বলে খেলে রানের খাতা না খুলেই ফিরে যেতে হয় তাকে। শেষ পর্যন্ত মুস্তাফিজ ও তাসকিনের ব্যাটে ভর করে ১০০ পেরোয় বাংলাদেশ। ১৭ বলে ১০ রান করে তাসকিন আউট হলে মাত্র ১০১ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।

দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে এনরিখ নর্থজে মাত্র ১০ রান খরচায় নেন ৪ উইকেট। আর তাব্রিজ সামসি নেন ৩টি উইকেট।

রানের হিসেবে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ব্যবধানে হার এটি এখন। করাচিতে ২০০৮ সালে ২০৩ রান তাড়ায় ১০১ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। এতদিন রানের হিসেবে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ হারের  ব্যবধান ছিল সেটিই—১০২ রান। রানের হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকার এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যবধানে জয়।

এ ম্যাচশেষে দক্ষিণ আফ্রিকার রানরেট এখন ৫.২০০! ২ ম্যাচে ১ জয় পাওয়া বাংলাদেশের রান রেট -২.৩৭৫।

এম/

আরো পড়ুন:

টিভিতে দেখুন আজকের খেলা

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ