spot_img
28.3 C
Dhaka

১লা ডিসেম্বর, ২০২২ইং, ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯বাংলা

সর্বশেষ
***ইসলামি গানের মডেল হলেন মিশা সওদাগর***১৮ লাখ টাকার সোনা-হীরা বিক্রি করতে গিয়ে আটক গৃহপরিচারিকা***নিজেদের ওপর বিশ্বাস রাখো, শিষ্যদের প্রতি জাপান কোচ মোরিইয়াসু***ভারতের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে খেলা হচ্ছে না তাসকিন আহমেদের***নানা সুবিধাসহ যমুনা গ্রুপে চাকরির সুযোগ***১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত ‘বিশেষ অভিযান’ চালাবে পুলিশ***সোহরাওয়ার্দীতে পা‌কিস্তান আত্মসমর্পণ করায় বিএনপি সেখানে সমাবেশ করতে চায় না : হাছান মাহমুদ***বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত***জিতের বাড়ির সামনে এক ভিন্নরকম জন্মদিনের চিত্র***বীর মুক্তিযোদ্ধা হত্যা মামলায় এক্সেল কামালের ফাঁসি কার্যকর

টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষের কাছেই ডুবুরিদের নতুন এক আবিষ্কার

- Advertisement -

ডেস্ক রিপোর্ট, সুখবর বাংলা: উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষের দেখা মিলে। এটি এই মহাসাগরের পৃষ্ঠের ৪০০০ মিটার নিচে ছিল। তবে ২৬ বছর আগে এ ধ্বংসাবশেষের কাছ থেকে এক রহস্যময় বস্তু আবিষ্কার করে ডুবুরিরা।

১৯৯৬ সালে, জাহাজের নাবিক এবং টাইটানিক ডুবুরি পি.এইচ. নারজিওলেট ঐ রহস্যময় বস্তুটি আবিষ্কার করেন এবং তলদেশ থেকে সেটিকে তুলে আনেন।

এই বছরের শুরুর দিকে নারজিওলেট আরো চারজন ডুবুরি নিয়ে সে জায়গায় যান। তিনি অনুমান করছিলেন ঐ জায়গায় গেলেই তিনি রহস্যময় কিছু অনুসন্ধান করতে পারবেন। যদিও তার অনুমান ছিল সে জায়গায় হয়তো অন্য কোন জাহাজের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যেতে পারে, তবে তার ধারণার বাইরে গিয়ে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষের মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে তিনি আবিষ্কার করলেন এক বিস্ময়কর সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র।

তিনি সেখানে একটি পাথুরে প্রাচীর খুঁজে পান, যা মূলত আগ্নেয়গিরির উপাদান দ্বারাই গঠিত। সেখানে হাজার হাজার গলদা চিংড়ি, গভীর সমুদ্রের মাছ, স্পঞ্জ এবং বিভিন্ন প্রজাতির প্রবালসহ এক বিস্ময়কর সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র দেখে তিনি অবাক হয়ে যান।

স্কটল্যান্ডের এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত সামুদ্রিক জীববিজ্ঞান এবং বাস্তুবিদ্যার অধ্যাপক এবং অভিযানের অন্যতম গবেষক মারে রবার্টস বলেন, এখানকার সামুদ্রিক প্রাণীরা সমুদ্রে বসবাসরত অন্যান্য প্রাণীদের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।

তিনি বলেন, অতল সমভূমি হলো সমুদ্রের তলদেশের ৩০০০ থেকে ৪০০০ মিটার জলের গভীরতা। এটি পৃথিবী পৃষ্ঠের প্রায় ৬০% জুড়ে রয়েছে। এটি মূলত বৈশিষ্ট্যহীন, কর্দমাক্ত এবং কোন ধরনের কাঠামো ছাড়াই নির্মিত। যদিও কিছু কিছু জায়গায় ডুবুরিরা পাথুরে কাঠামো দেখতে পেয়েছেন। টাইটানিকের কাছের এই অতল সমভূমি অঞ্চল তাই সাধারণ থেকে একটু ভিন্ন।

পাথুরে অঞ্চলগুলো সমুদ্রের তল জুড়ে স্পঞ্জ এবং প্রবালের দূরত্ব ব্যাখ্যা করতেও সাহায্য করতে পারে। কর্দমাক্ত পরিবেশে তারা কিভাবে বাস করছে কিংবা কিভাবে বংশবৃদ্ধি ঘটাচ্ছে সেটাও গবেষণার বিষয়।

গবেষকরা বর্তমানে সেখান থেকে প্রাপ্ত ছবি ও ভিডিও গুলোকে পর্যালোচনা করে তাদের সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজার চেষ্টা করছে। তবে এই আবিষ্কার আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশে বাস্তুতন্ত্রের এক নতুন পরিভাষা যোগ করেছে।

নারজিওলেট আশা করছেন টাইটানিকের কাছে আরো পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তিনি আরো নতুন নতুন তথ্য আবিষ্কার করতে পারবেন। তিনি আশা করছেন যে তিনি আরো একটি প্রাচীর আবিষ্কার করতে সক্ষম হবেন যার আকার এই প্রাচীরের চেয়েও বড় হবে। ২০২২ সালে এসে তার টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ ও প্রাচীরের আবিষ্কারকে তার এবং এ অভিযানের বিশেষজ্ঞ ওইসিন ফ্যানিংয়ের নামে নারজিওলেট-ফ্যানিং সেতুবন্ধ নামকরণ করা হয়েছে।

ওশেনগেইট এক্সপেডিশন এবং তাদের ফাউন্ডেশন ফ্যানিংয়ের সাথে যুক্ত হয়ে এ অভিযানের সমস্ত খরচ বহন করে। এটি ২০২৩ সালেও টাইটানিক ও তার আশেপাশের গবেষণা কাজ চালাতে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করবে।

নারজিওলেট তার আবিষ্কার সম্পর্কে বলেন, “ওখানকার সামুদ্রিক জীবন এতো সুন্দর ছিল যা আমি কখনো কল্পনাও করতে পারিনি।”

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ