spot_img
28.3 C
Dhaka

১লা ডিসেম্বর, ২০২২ইং, ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯বাংলা

সর্বশেষ
***নানা সুবিধাসহ যমুনা গ্রুপে চাকরির সুযোগ***১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত ‘বিশেষ অভিযান’ চালাবে পুলিশ***সোহরাওয়ার্দীতে পা‌কিস্তান আত্মসমর্পণ করায় বিএনপি সেখানে সমাবেশ করতে চায় না : হাছান মাহমুদ***বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত***জিতের বাড়ির সামনে এক ভিন্নরকম জন্মদিনের চিত্র***বীর মুক্তিযোদ্ধা হত্যা মামলায় এক্সেল কামালের ফাঁসি কার্যকর***চেক ডিজঅনার মামলা : হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগে স্থগিত***‘মিসেস ইউনিভার্সেস বাংলাদেশ-২০২২’ এর আয়োজক গ্রেফতার***করোনার টিকার চতুর্থ ডোজ দেওয়া হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী***যাচাইয়ের পর বিদ্যুতের দাম বাড়ানো নিয়ে সিদ্ধান্ত : নসরুল হামিদ

জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড: তরুণ-তরুণীদের স্বপ্নযাত্রার শুরু যেখানে

- Advertisement -

ডেস্ক রিপোর্ট, সুখবর বাংলা: ‘মফস্বল এলাকায় থেকে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে সামাজিক সংগঠন করলে খুব কম মানুষই সেটাকে উৎসাহিত করে। অনেকে ‌‍‍পাগলামি বলেও অভিহিত করেন। যখন নড়াইলে কাজ করি, একই অবস্থা হয়েছিল আমার ক্ষেত্রে। কিন্তু ২০১৮ সালে যখন আমি জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড পেলাম, এরপর থেকে জেলা প্রশাসক, এসপি সবাই একটা মূল্যায়ন করতে শুরু করেন। তারাও আমাদের কথা শুনতে চান।‌‍‌‌‌‌’ এভাবেই নিজের অভিজ্ঞতার কথা গণমাধ্যমকে বলছিলেন ২০২০ সালে ‘শিশুদের নোবেল’ খ্যাত আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কার লাভ করা সাদাত রহমান। তার মতে, এই পুরস্কার জয়ের পেছনে জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড অর্জনের অনেক অবদান আছে।

ষষ্ঠবারের মতো আয়োজিত হচ্ছে তরুণ সংগঠকদের কাছে জনপ্রিয়তা অর্জন করা ইয়াং বাংলার জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড। শনিবার (১২ নভেম্বর) বিকালে তরুণ ১০ সংগঠনের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেবেন সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) চেয়ারপারসন সজীব ওয়াজেদ জয়। এই অ্যাওয়ার্ড অর্জনকে স্বপ্নযাত্রার শুরু হিসেবেই দেখছেন বিজয়ীরা।

আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করা বেশ কিছু সংগঠক জানিয়েছেন, জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড অর্জন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে স্বীকৃতি অর্জনে রেখেছে বড় ভূমিকা। সিআরআইয়ের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ইয়াং বাংলার নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিগত আট বছরে ছয় বার দেশ গঠনে এগিয়ে আসা তরুণদের হাতে তুলে দেওয়া হয় জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড।

সাদাত বলেন, ‌‘আমরা যারা কাজ করি, তারা তো আসলে অ্যাওয়ার্ডের জন্য কাজ করি না। আমাদের নিজেদের ভালোলাগা থেকে করি। অ্যাওয়ার্ড পেলে আমরা বুঝতে পারি যে, আমাদের মূল্যায়ন করা হচ্ছে। যারা রাষ্ট্র পরিচালনা করছেন, পলিসি মেকিং করছেন তারা মূল্যায়ন করছেন। আমাদের সহকর্মীরা শুধু এলাকা নয়, সারা দেশ নিয়ে স্বপ্ন দেখছেন, যেন সবখানে কাজ করা যায়। স্বীকৃতি পেলে সেটা জেলা, বিভাগ, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে সহায়তা করে।’‌‌‍‍‌

২০১৭ সালে জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড জয় করা বরিশাল ইয়ুথ সোসাইটির (বিওয়াইএস) প্রতিষ্ঠাতা সংগঠক ফায়েজুদ্দিন বেলাল (ফায়েজ বেলাল) ব্রিটিশ রাজপরিবার থেকে সম্মানজনক ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড অর্জন প্রসঙ্গে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‌‘আমার ব্যক্তিগত জায়গা থেকে বলবো, এটি দেশের সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার, যেখান থেকে নিজেকে তুলে ধরতে পেরেছি। অন্যদের কাছেও আমার পরিচয় তুলে ধরা সম্ভব হয়েছে এই অ্যাওয়ার্ড লাভের মাধ্যমে। আমাদের সমাজে যেসব তরুণরা কাজ করছেন, জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড তাদের তুলে ধরছে, পরিচিত করাচ্ছে। সাধারণত আমরা যেসব পুরস্কার দেখি, তাতে শহরের লোকজনকে তুলে ধরা হয়। কিন্তু জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড একেবারেই আলাদা। সেখানে বরিশাল, রংপুরের মতো প্রান্তিক অঞ্চলের তরুণদেরও তুলে ধরা হয়েছে। এই অ্যাওয়ার্ড একটা অনুপ্রেরণা। এই অ্যাওয়ার্ডের মাধ্যমেই আমি বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পেয়েছি। বিবিসিতেও এক ইন্টারভিউয়ে বলেছি, জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড না হলে হয়তো আমরা এমন বিস্তৃতভাবে কাজ করতে পারতাম না। তারা অনেকের সঙ্গে যুক্ত করে দিচ্ছে। এটা সম্ভব হচ্ছে ইয়াং বাংলার জন্য। এ জন্য ছোট বা বড় যে কাজ হোক, এখানে আবেদন করা উচিত। কারণ এখানে পুরস্কার পেলে সেটা আরও বড়ভাবে কাজ করতে সহায়তা করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইয়াং বাংলার মতো একটি প্ল্যাটফর্মকে আমি পেয়েছি জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড অর্জনের মাধ্যমে। বাংলাদেশে তরুণদের সবচাইতে বড় এই প্লাটফর্মের কারণেই দেশজুড়ে আমি কাজ করতে পেরেছি। যেকোনও সংগঠনের জন্য এটি অনেক বড় একটি সুযোগ।’

সমাজ সংস্কার ও নারীর ক্ষমতায়নের পক্ষে কাজ করার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২০ সালে ৩০ বছর বা তার কম বয়সী সামাজিক উদ্যোক্তাদের তালিকা করে ফোর্বস ম্যাগাজিন। তালিকায় এশিয়ার সেরা ৩০ জনের মধ্যে স্থান পান আমাল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ইসরাত করিম ইভা। ২০২১ সালে তিনি অর্জন করেন জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড। এটিকে নিজের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় অর্জন বলে মনে করেন ইসরাত ইভা। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিদেশে অনেক অর্জন রয়েছে, কিন্তু এটি নিজ দেশ থেকে স্বীকৃতি। নিশ্চিতভাবেই এটি বড় বিষয়। জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ডের আরেকটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো, এটি কোনও ব্যক্তিকে প্রদান করা হয় না। একটি সংগঠনকে দেোয়া হয়। অর্থাৎ ব্যক্তিকেন্দ্রিক নয়, প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হচ্ছে। আমি হয়তো আমার প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থাকবো না, অন্য কেউ দায়িত্ব নেবেন, কিন্তু এটি প্রতিষ্ঠানকে স্বীকৃতি প্রদান করছে। একা কিছু করা সম্ভব নয়। এই পুরস্কার সংগঠনের সবাইকে দেওয়া হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ডের সবচেয়ে বড় দিক হলো, আপনি যেখানকারই হোন না কেনো আপনার কাজের মূল্যায়ন হচ্ছে। আমাদের ক্ষেত্রে সেটাই হয়েছে। আমরা এখন চেষ্টা করছি আরও কাজ করার, মানুষের পাশে থাকার। এটি একটি অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।’

এম/

আরো পড়ুন:

আওয়ামী লীগ সরকার একটা টাকাও অপচয় করে না: প্রধানমন্ত্রী

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ