spot_img
27 C
Dhaka

৩০শে নভেম্বর, ২০২২ইং, ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯বাংলা

সর্বশেষ
***যৌনপল্লীর গল্প নিয়ে পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘রঙবাজার’***কেন ক্ষমা চাইলেন কিংবদন্তি গায়ক বব ডিলান***বিলুপ্তপ্রায় কুমিরের সন্ধান, পুনর্ভবা নদীর তীরে মানুষের ভিড়***সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নয়, নয়াপল্টনেই হবে সমাবেশ : বিএনপি***পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসী দল টিটিপি ইসলামাবাদের গলার কাঁটা?***পাকিস্তান-আফগানিস্তানের সম্পর্ক কি শেষের পথে?***শীত মৌসুম, তুষার এবং বরফকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে রাশিয়া : ন্যাটো***নানা সুবিধাসহ বাংলাদেশ ফাইন্যান্সে চাকরির সুযোগ***বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার সূচি ও আসনবিন্যাস প্রকাশ***পৃথিবীর কিছু অবিশ্বাস্য সৃষ্টি, যা আপনার কাছে খুবই আশ্চর্যজনক লাগবে

‘গোল্ডেন আওয়ারে’ চিকিৎসা করাতে পারলে স্ট্রোকের রোগী বাঁচানো যায় : ঢামেক

- Advertisement -

ডেস্ক রিপোর্ট, সুখবর বাংলা: দেশে অসংক্রামক রোগে মৃত্যুর তৃতীয় কারণ স্ট্রোক। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ এর লক্ষণ বুঝতে না পারার কারণে রোগীকে হাসপাতালে নিতে দেরি করেন। অথচ স্ট্রোকের রোগীর জন্য প্রথম চার ঘণ্টা গোল্ডেন আওয়ার বা অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে হাসপাতালে নিতে পারলে, শুধুমাত্র ওষুধ দিয়েই রোগী একদিন পর সুস্থ শরীরে পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরতে পারেন। কিন্তু দেশে অধিকাংশ সময় চিকিৎসকের কাছে নিতে দেরি হয় বলেই ক্ষতি বেশি হয়।

বুধবার দেশে স্ট্রোকের কারণ ও প্রতিকার নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) আতা এলাহি খান সেমিনার কক্ষে আয়োজিত মিট দ্যা প্রেস অনুষ্ঠানে হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিশেষজ্ঞেরা এসব তথ্য জানান।

আগামী ৩১ অক্টোবর বিশ্ব স্ট্রোক দিবস উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ঢাকা মেডিকেল কলেজের নিউরোসার্জারি বিভাগ। এবারে দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘না না করলে সময় ক্ষেপন, স্ট্রোক হলেও বাঁচবে জীবন।’

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, স্ট্রোক হলো মস্তিস্কে হঠাৎ রক্ত সরবরাহে বাধা সৃষ্ট হওয়া। আর স্ট্রোকের মূল কারণ অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন। যে কারণে বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বেই তরুণদের মধ্যে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ছে। এছাড়া অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ ৫০ ভাগ স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। পাশাপাশি অনিয়ন্ত্রিত ডায়বেটিস, ধূমপান, নিয়মিত মদ্যপান, কায়িক পরিশ্রম না করা, ফাস্টফুড বা জাঙ্ক ফুড গ্রহণও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

বিশেষজ্ঞেরা আরও বলেন, মানুষের অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনে বাড়ছে স্ট্রোকের ঝুঁকি। স্ট্রোকে আক্রান্ত রোগী চেনার উপায় হলো মুখ বেঁকে যাওয়া, হাত একদিকে ঝুলে যাবে বা শক্তি কম পাবে, চোখে ঝাঁপসা দেখা এবং রোগীর কথা জড়িয়ে যাবে। তীব্র মাথা ব্যথা এবং রোগী হঠাৎ ভারসাম্য হারিয়ে ফেলতে পারে।

বাংলাদেশ সোসাইটি অব নিউরোসার্জন্সের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে আরও জানানো হয়, দেশে বেশি মানুষ মারা যায় সড়ক দুর্ঘটনায়। এরপর দ্বিতীয় ও তৃতীয় মৃত্যুর কারণ হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক। দেশে স্ট্রোকে মৃত্যুর হার চার গুণ বেড়েছে। তবে উচ্চরক্তচাপ স্ট্রোকের সবচেয়ে বড় ঝুঁকির কারণ।

এতে আরও জানানো হয়, দেশে প্রতি হাজারে ১২ জন মানুষ স্ট্রোকে আক্রান্ত এবং অসংক্রামক এ ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে প্রতি মিনিটে দশ জন প্রাণ হারাচ্ছেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. অসীত চন্দ্র সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটি অব নিউরোসার্জন্সের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মাদ হোসাইন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজমুল হক, শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের প্রধান সমন্বয়ক অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন প্রমুখ।

স্ট্রোকের আধুনিক চিকিৎসা নিয়ে আলোচনা করেন নিউরোসার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. শফিকুল ইসলাম। ঢামেকে স্ট্রোক চিকিৎসা ব্যবস্থা ও বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন অধ্যাপক ডা. অসীত চন্দ্র সরকার। গত এক বছরের আধুনিক নিউরোসার্জারি চিকিৎসায় ঢামেকের অবদান তুলে ধরেন সহাকারী অধ্যাপক ডা. মো. মোতাশিমুল হাসান শিপলু।

এছাড়া স্ট্রোকের বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন সহকারী অধ্যাপক ডা. সুমন রানা। স্ট্রোকের ঝুঁকি ও প্রতিকার নিয়ে আলোচনা করেন ডা. ফজলে এলাহী মিলাদ। স্ট্রোকের ভুল চিকিৎসা বা স্ট্রোক মিথ নিয়ে কথা বলেন সহকারী অধ্যাপক ডা. রবিউল করিম এবং বিশ্ব স্ট্রোক দিবসের প্রতিপাদ্য ও সচেতনতা নিয়ে আলোচনা করেন সহযোগী অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম।

স্বাগত বক্তব্য দেন নিউরোসার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. পীযুষ কান্তি মিত্র। সূচনা বক্তব্য দেন সহকারী অধ্যাপক ডা. উজ্জল কুমার সাধু খাঁ। স্ট্রোক নিয়ে লার্নিং সেশস পরিচালনা করেন হাসপাতালের এনেসথেশিওলোজি অ্যান্ড পেলিয়েটিভ বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. মোজাফফর হোসাইন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন নিউরোসার্জারির সহাকারী অধ্যাপক ডা. কানিজ ফাতেমা ইশরাত জাহান, রেজিস্টার ডা. সাইফুল হক ও ডা. ইসমে আজম জিকো।

আই/কে/জে

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ