spot_img
27 C
Dhaka

২৯শে নভেম্বর, ২০২২ইং, ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯বাংলা

খুনিদের বিচারের মাধ্যমে বাংলাদেশ অভিশাপ মুক্ত হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

- Advertisement -

ডেস্ক নিউজ, সুখবর বাংলা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকারে এসে ১৫ আগস্ট জাতির পিতাসহ শেখ রাসেল এবং যারা যারা নির্মম হত্যার শিকার হয়েছিলেন তাদের খুনিদের বিচার করতে পেরেছি। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ অভিশাপ মুক্ত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) শেখ রাসেল দিবস-২০২২ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ছোট ভাই শেখ রাসেলকে স্মরণে সরকারপ্রধান বলেন, ‘ছোট্ট রাসেল সেনা সদস্যদের দেখে বড় হয়ে নিজেও সেনাসদস্য হতে চাইত। টুঙ্গিপাড়ায় গেলে সে সমবয়সী শিশুদের জড়ো করত। তাদের প্যারেড করাত। তারপর চাচার কাছ থেকে টাকা নিয়ে শিশুদের হাতে এক টাকা করে দিত। মা ওইসব শিশুদের জন্য চকলেট-বিস্কুট নিয়ে যেতেন। এছাড়া নতুন জামা-কাপড় নিয়ে যেতেন। রাসেল সেগুলো ওই শিশুদের দিত। সেই রাসেলসহ আমার পুরো পরিবারকে ঘাতকরা নির্মমভাবে হত্যা করেছে।’

৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে স্বাধীনতার চেতনাকে হত্যা করা হয়েছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার বাধাগ্রস্ত করতে যারা আইন করেছে তাদের মুখে এখন ভোট, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের কথা শুনতে হয়।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘রাসেল জন্মের পর আমিই প্রথম তাকে কোলে নিয়েছিলাম। আমাদের সেই আনন্দ খুব বেশিদিন টেকেনি। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রচারণা চালানোর সময় চট্টগ্রাম থেকে আব্বা ঢাকায় ফিরলেন। রাসেলকে দেখলেনও। তার পরপরই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন শেষ হওয়ার পরই তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৬৬ সালে জাতির পিতা যখন ছয় দফা ঘোষণা দিলেন, সেই ছয় দফা নিয়ে সারা বাংলাদেশ ঘুরে বেড়ালেন, প্রচার-প্রচারণার জন্য। ফেব্রুয়ারি মাসে ঘোষণা দিলেন, মে মাসেই তাকে গ্রেপ্তার করা হলো। তখন ছোট্ট রাসেল কিছুই বুঝতো না, সে এতোটাই ছোট ছিল। বাবার সঙ্গে দেখা হতো কারাগারে, সেখানে গেলে সে আসতে চাইতো না। তাকে অনেক কষ্ট করে ভুলিয়ে-ভালিয়ে নিয়ে আসতে হতো।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘তারপর যখন আস্তে আস্তে কথা বলতে শুরু করলো, বাবাকে বাবা বলে ডাকবে…। আমার মা বলতো আমাকেই আব্বা বলে ডাক। আবার কারাগারে গেলে আব্বাকে আব্বা বলতো, সঙ্গে সঙ্গে মাকেও আব্বা বলতো। আমরা মাসে দুইবার কারাগারে যাওয়ার সুযোগ পেতাম। যেদিন কারাগার থেকে আসতাম সেদিন রাতে সে ঘুমাতো না, কিছু বলতেও পারতো না, শুধু কান্নাকাটি করতো। আমরা ভাই-বোনরা তার কাছে ছুটে আসতাম। এমনই পিতৃস্নেহ বঞ্চিত হয়ে সে বড় হয়েছে।’

অনুষ্ঠানে তার নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে দেশের ব্যাপক উন্নয়ন হচ্ছে জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ২০০৮ সালের ক্ষমতায় আসার পর থেকে তার সরকার মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। পরপর তিনবার সরকারে আসার কারণেই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। জাতীয় পিতার আদর্শ অনুসরণ করেছি বলেই দেশ এগিয়ে চলছে। স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে পেরেছি।

ওআ/

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ