spot_img
31 C
Dhaka
spot_imgspot_imgspot_imgspot_img

৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ইং, ১৫ই আশ্বিন, ১৪২৯বাংলা

কোষ্ঠকাঠিন্য, কোলেস্টেরল ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে পটল

- Advertisement -

স্বাস্থ্য প্রতিবেদক, সুখবর বাংলা: পুষ্টিকর সবজির কথা বললে সাধারণত পটলের নাম মাথায় আসে না। কিন্তু বিজ্ঞান বলছে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি সবজি। বিশেষজ্ঞদের মতে, পটল ভিটামিন ও খনিজ পদার্থে সমৃদ্ধ। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করা থেকে ওজন কমানো, হরেক রকমের গুণ রয়েছে পটলের।

. কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায়: পটলে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। ফাইবার পাচনতন্ত্র ভাল রাখতে সাহায্য করে ও মল নির্গমনে সহায়তা করে। ফলে পটল খেলে যেমন একদিকে অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভাল হতে পারে, অন্যদিকে পটল কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতেও সাহায্য পারে।

. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে: পটলে ভিটামিন-সি পাওয়া যায়। ভিটামিন-সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। পাশাপাশি ভিটামিন-সি জারণ প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট বিভিন্ন ক্ষতিকর ‘ফ্রি র‌্যাডিকেলের’ ক্রিয়া থেকে শরীরকে রক্ষা করতেও সাহায্য করে। ঋতু পরিবর্তনের সময় সর্দি-জ্বর প্রতিরোধ করতে কাজে আসতে পারে পটল। লিভারের সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিদের জন্যও পটল বেশ উপকারী।

. ওজন নিয়ন্ত্রণে: পটলে যে ফাইবার পাওয়া যায়, তা পাচিত হতে দীর্ঘক্ষণ সময় লাগে। ফলে দীর্ঘক্ষণ খিদে পায় না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একশ’ গ্রাম পটলে প্রাপ্ত ক্যালোরির মান মাত্র ২০। ফলে যারা ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন, তাদের জন্য পটল বেশ কার্যকরী হতে পারে।

. কোলেস্টেরল কমাতে: পটল রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল বা এলডিএল কমাতে ও ভাল কোলেস্টেরল বা এইচডিএল বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। ফলে হৃদযন্ত্র ভাল থাকে। কমে স্ট্রোকের ঝুঁকিও।

. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে: পটল ও পটলের বীজ ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বেশ উপযোগী। পটলে ‘ফ্ল্যাভিনয়েড’ জাতীয় উপাদান থাকে, থাকে কপার, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামও। এই উপাদানগুলো রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে বেশ কার্যকর। তবে মাথায় রাখবেন সব খাবার সকলের সহ্য হয় না। তাই যেকোনও খাবার নিয়মিত খাওয়ার আগে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ