spot_img
27 C
Dhaka

৩০শে নভেম্বর, ২০২২ইং, ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯বাংলা

সর্বশেষ
***আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতলে বাংলাদেশের উচ্ছ্বাস দেখতে আসবেন আর্জেন্টাইন সাংবাদিক***যৌনপল্লীর গল্প নিয়ে পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘রঙবাজার’***কেন ক্ষমা চাইলেন কিংবদন্তি গায়ক বব ডিলান***বিলুপ্তপ্রায় কুমিরের সন্ধান, পুনর্ভবা নদীর তীরে মানুষের ভিড়***সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নয়, নয়াপল্টনেই হবে সমাবেশ : বিএনপি***পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসী দল টিটিপি ইসলামাবাদের গলার কাঁটা?***পাকিস্তান-আফগানিস্তানের সম্পর্ক কি শেষের পথে?***শীত মৌসুম, তুষার এবং বরফকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে রাশিয়া : ন্যাটো***নানা সুবিধাসহ বাংলাদেশ ফাইন্যান্সে চাকরির সুযোগ***বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার সূচি ও আসনবিন্যাস প্রকাশ

কে হবেন পাকিস্তানের পরবর্তী সেনাপ্রধান?

- Advertisement -

ডেস্ক রিপোর্ট, সুখবর বাংলা: পাকিস্তানের সেনা প্রধান কামার জাভেদ বাজওয়ার ক্ষমতার মেয়াদ শেষের সাথে সাথেই পাকিস্তানের রাজনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা কল্পনা। বর্তমান সময়ে এসে পাকিস্তান তার রাজনৈতিক অসঙ্গতির দুই কেন্দ্রস্থল, প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এবং সামরিক বাহিনী উভয়কেই ক্ষমতাচ্যুত করেছে।

এই মতভেদের শুরু তখন থেকে যখন ইমরান খান তার এক বক্তব্যে বলেন, তার দ্বারা নির্বাচিত নয় এমন সেনা প্রধানকে তার দল কিংবা তার সমর্থকেরা গ্রহণ করবে না। ইমরান খান প্রায় সাত মাস আগে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন। এই সাত মাসে তিনি সামরিক বাহিনীর সাথে বিভিন্ন দ্বন্দ্বে জড়িয়েছেন। অন্যদিকে পাকিস্তান মুসলিম লীগ- নওয়াজ (পিএমএল-এন) যারা ২০১৮ সালে সেনাবাহিনীর দ্বারা সামরিক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছিল, তারা এইবার সেনাবাহিনীর আধিপত্য পুনঃনিশ্চিত করার জন্য কাজ করছে।

উল্লেখ্য, ইমরান খান পাকিস্তানের রাজনৈতিক ইতিহাসে প্রথম প্রধানমন্ত্রী যিনি অনাস্থা ভোটে হেরে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন। এ ব্যাপারে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) এর কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি এজাজ চৌধুরী বলেন, “আমাদের দলের রাজনৈতিক ইতিহাস সবারই জানা। দেশের পরিস্থিতি তখনই স্থিতিশীল থাকে যখন সামরিক বাহিনী নিজেদের সীমার মধ্যে থাকে এবং বেসামরিক শক্তি থাকে ক্ষমতায়।”

তবে ইমরান খানের এ হঠাৎ ক্ষমতাচ্যুতির ঘটনাটি ঠিকভাবে মেনে নিতে পারেনি পাকিস্তানের জনগণ। এ ঘটনায় তাদের মনে সেনাবাহিনীর প্রতি বিদ্বেষ জন্মেছে।

পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এবং পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) প্রধান ইমরান খান, সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যুক্ত হয়ে তার পতনের পরিকল্পনা করার অভিযোগ আনেন। এতে সাধারণ জনসাধারণের মনে সেনাবাহিনী বিরোধী মনোভাব জাগরিত হয়। পাকিস্তান জুড়ে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সভা সমাবেশের আয়োজন করা হয়, যেখানে বিক্ষোভকারীরা সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দেয়। তারা সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে আমেরিকার সাথে যোগসাজশের অভিযোগ এনে সেনাবাহিনীকে দেশের শত্রু বলে আখ্যা দেয়।

বর্তমান সময়ে পাকিস্তানে সেনাবাহিনী বিরোধী মনোভাব সৃষ্টি হতে দেখা যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যবহারকারীদের একাউন্ট বন্ধ এবং বিভিন্ন ব্যবহারকারীকে গ্রেফতার করার পরেও সেনাবাহিনী বিরোধী লেখালেখি সেখানে থামছে না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জনগণেরা সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে তাদের মতামত প্রকাশ করছেন। এর উপর সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়ার আমেরিকা ভ্রমণের পর জনআক্রোশ আরো তীব্র হয়ে উঠে। তারা বাজওয়াকে দেশদ্রোহী আখ্যা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন লেখালেখি করে।

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ