spot_img
22 C
Dhaka

২রা ডিসেম্বর, ২০২২ইং, ১৭ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯বাংলা

কুকুরের পেটে জন্ম নিলো নেকড়ে!

- Advertisement -

ডেস্ক নিউজ, সুখবর বাংলাচীনে এক মেরুপ্রদেশীয় স্ত্রী নেকড়ের ডিম্বাণু থেকে প্রস্তুত করা ভ্রুণ রাখা হয়েছে এক নারী কুকুরের জরায়ুতে। এর মাধ্যমে কুকুরের পেটে জন্ম নিয়েছে নেকড়ে শিশু। এ নেকড়ে শিশুর নাম মায়া।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মায়ার জন্মের ১০০ দিন পেরিয়ে গিয়েছে এবং সে এখন সুস্থ আছে। জন্মের ১০০ দিন পর সিনোজিন বায়োটেকনোলজির তরফে মায়ার একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে।

এটা পৃথিবীর প্রথম ক্লোন করা মেরুপ্রদেশীয় নেকড়ে। চীনের সংস্থা সিনোজিন বায়োটেকনোলজি মেরুপ্রদেশীয় নেকড়ের এ ক্লোন তৈরি করেছে। মায়ার জন্ম হয়েছে সিনোজিনের বেজিংয়ের পরীক্ষাগারে।

বন্য মেরুপ্রদেশীয় একটি স্ত্রী নেকড়ের ডিম্বাণু থেকে জন্ম হয়েছে মায়ার। তবে তার ভ্রূণ রাখা হয়েছিল বিগল প্রজাতির একটি কুকুরের জরায়ুতে। ওই মেরুপ্রদেশীয় স্ত্রী নেকড়ের ডিম্বাণু থেকে ১৩০টিরও বেশি নতুন ভ্রূণ তৈরি করা হয়। পরে সাতটি বিগলের জরায়ুতে প্রতিস্থাপন করা হয় ৮০টিরও বেশি ভ্রূণ। এতগুলো ভ্রূণের মধ্যে একমাত্র মায়াই সুস্থভাবে জন্মগ্রহণ করে।

সিনোজিনে কর্মরত বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, বন্য নেকড়ের প্রজাতি থেকে কালক্রমে কুকুরের উৎপত্তি হয়েছে। নেকড়ে এবং কুকুরের জিনে বেশ মিলও লক্ষ্য করা যায়। সে কারণেই কুকুরের জরায়ুতে ভ্রূণগুলো প্রতিস্থাপনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

কেন এমন পরিকল্পনা?

সিনোজিন বায়োটেকনোলজির কর্ণধার জানান, বিপণ্ণ পশুদের বাঁচাতেই এই ধরনের পরিকল্পনা করা হয়। ২০২০ সাল থেকেই মেরুপ্রদেশের নেকড়ের ক্লোনিং করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। অবশেষে দীর্ঘ দুই বছরের নিরলস প্রচেষ্টার পরে সাফল্য এল। বিশ্বে এই প্রথম এই ধরনের ক্লোনিংয়ে সাফল্য এলো বলে দাবি করেন তিনি। মায়া এখন উত্তর চীনের হেইলংগিয়াং প্রদেশের এক ল্যাবে তার ‘জন্মদাত্রী’ মা কুকুরের সঙ্গেই রয়েছে। তাকে চীনের হেইলংজিয়াং প্রদেশের হারবিন পোলারল্যান্ডে পৌঁছে দেওয়া হবে বলেও সিনোজিনের তরফে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞানীরা মায়ার জন্মকে ঘিরে খুবই আশাবাদী। ভবিষ্যতে বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীদের বাঁচাতে এই ধরনের ক্লোনিং বিপুল সাহায্য করবে বলেই মনে করছে বিজ্ঞানী মহল।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৬ সালে এক স্কটিশ বিজ্ঞানীর তত্ত্বাবধানে জন্ম নিয়েছিল প্রথম ক্লোন করা প্রাণী ডলি। সেই ভেড়ার জন্মের পর কেটে গিয়েছে প্রায় তিন দশক। ইতিমধ্যেই ক্লোনিং নিয়ে অনেকটা এগিয়ে গিয়েছে পৃথিবী। যার অন্যতম নিদর্শন মায়া। যা এই সংক্রান্ত গবেষণাকে ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে বলেই ধারণা বিজ্ঞানিদের।

এম এইচ/

আরও পড়ুন:

স্ত্রীর জন্মদিন ভুলে গেলেই যেতে হবে জেলে!

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ