spot_img
27 C
Dhaka

২৯শে নভেম্বর, ২০২২ইং, ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯বাংলা

সর্বশেষ
***যৌনপল্লীর গল্প নিয়ে পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘রঙবাজার’***কেন ক্ষমা চাইলেন কিংবদন্তি গায়ক বব ডিলান***বিলুপ্তপ্রায় কুমিরের সন্ধান, পুনর্ভবা নদীর তীরে মানুষের ভিড়***সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নয়, নয়াপল্টনেই হবে সমাবেশ : বিএনপি***পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসী দল টিটিপি ইসলামাবাদের গলার কাঁটা?***পাকিস্তান-আফগানিস্তানের সম্পর্ক কি শেষের পথে?***শীত মৌসুম, তুষার এবং বরফকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে রাশিয়া : ন্যাটো***নানা সুবিধাসহ বাংলাদেশ ফাইন্যান্সে চাকরির সুযোগ***বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার সূচি ও আসনবিন্যাস প্রকাশ***পৃথিবীর কিছু অবিশ্বাস্য সৃষ্টি, যা আপনার কাছে খুবই আশ্চর্যজনক লাগবে

কি ওয়াদা পূরণ করতে চান শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিপুন?

- Advertisement -

বিনোদন প্রতিবেদক, সুখবর ডটকম: বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি নির্বাচন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে জটিলতায় ছিল। প্রথম দিকে নির্বাচনের ফলাফল প্রশ্নবিদ্ধ হলে সাধারণ সম্পাদকের পদ স্থগিত হয় । এ নিয়ে উচ্চ আ’দালতের মাধ্যমে সম্পাদক হিসেবে নিপুণ আক্তার দায়িত্ব পালনের অনুমতি পান।

সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিপুণ বলেন, দীর্ঘ নয় মাস ধরে আমি ধৈর্য্য ধরে আছি। অ’পেক্ষায় আছি। সত্যের পক্ষে রায় আসার। অবশেষে সত্যের জয় হল।

তিনি বলেন, এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। এখন একটা কথাই বলব, এই বিজয় আমা’র একার নয়, সত্যের জয় হয়েছে।

নিপুণ বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পালনের মধ্যে প্রথম কাজ ছিল সদস্যপদ হা’রানো সদস্যদের পদ ফিরিয়ে দেওয়া। আমি, আমা’র শ্রদ্ধাভাজন সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন এবং নির্বাহী কমিটি মিলে সেই প্রতিশ্রুতি প্রথমে রক্ষা করেছি।

অসহায় সদস্যদের কল্যাণে যা করার সবই করার চেষ্টা করে গেছি। তবে পদ নিয়ে আইনি পথে হাঁটতে গিয়ে সব কাজ সুচারুরূপে পালন করা শতভাগ সম্ভব হচ্ছিল না। এখন সময় এসেছে সব ওয়াদা পূরণের।

আর একটা কথা না বললেই নয়, কাঞ্চন ভাই আমা’র জন্য অনেক প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছেন। তারপরও তিনি হাল ছাড়েননি। সব কথার বাইরে গিয়ে তিনি সমিতির উন্নয়নের জন্য কাজ করে গেছেন।

সমিতির পক্ষ থেকে সুন্দর একটি ইফতার পার্টি করেছি আর ঈদে অসহায় শিল্পীদের জন্য যেভাবে যা করা দরকার সেভাবেই কাজ করেছি। বাকি সব কাজ ইনশা আল্লাহ নির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যে শেষ করার আশা রাখি।

শিল্পীদের এই নেতা বলেন, আমি নির্বাচনের আগেও বলেছি, চলচ্চিত্র যে অবস্থায় আছে, সেই অবস্থা থেকে চলচ্চিত্রের উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। তিনি এফডিসিতে যতদিন না আসবেন ততদিন সিনেমা’র কোনো উন্নতি হবে না। তাই এখন আম’রা প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাব।

তাঁকে এফডিসিতে নিয়ে আসব। চলচ্চিত্র নির্মাণ হচ্ছে না চাহিদা অনুযায়ী। সিনেমা’র লগ্নিকারক সংকট। তাই আম’রা প্রধানমন্ত্রীর কাছে গিয়ে বছরে ৭০ থেকে ৮০টি সিনেমা নির্মাণ করার জন্য অনুদান চাইব। আম’রা দেখেছি, তিনি নিজে যেসব ক্ষেত্রে পদক্ষেপ নেন, সেসব সমস্যা দ্রুত দূর হয়। প্রধানমন্ত্রী এফডিসিতে এলে আমাদের সব সমস্যা শুনে দ্রুত পদক্ষেপ নিলে চলচ্চিত্রের সমস্যাগুলোও দূর হবে।

তিনি বলেন, শিল্পীদের অনুদানের টাকায় নয়, কাজ করে বাঁ’চানোর চেষ্টা করব। তাছাড়া একটা কথা পরিষ্কার বলতে চাই, শুধু সমিতি নিয়ে থাকলেই চলবে না, সবাইকে কাজের মধ্যে আনতে হবে। সেই দায়িত্ব সবাইকে নিয়ে এখন পালনের সময় এসেছে। সব শিল্পীকে সঙ্গে নিয়ে সমিতিকে আরও অনেক ভালো কাজ দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

এসি/

আরো পড়ুন:

জায়েদকে সাধারণ সম্পাদক পদে ফিরে আসার জন্য জাতিসংঘে যেতে হবে : ইলিয়াস কাঞ্চন

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ