spot_img
31 C
Dhaka
spot_imgspot_imgspot_imgspot_img

২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ইং, ১৪ই আশ্বিন, ১৪২৯বাংলা

সর্বশেষ
***বিশ্ব হার্ট দিবস আজ***জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়: স্নাতক ভর্তির সর্বশেষ রিলিজ স্লিপের মেধাতালিকা প্রকাশ ২ অক্টোবর***হেপাটোলজি এ্যালামনাই এসোসিয়েশনের উদ্যোগে লিভার ট্রানপ্লান্টেশন বিষয়ক আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত***নাগরিকদের রাশিয়া ছাড়তে বলল মস্কোর মার্কিন দূতাবাস***‘সোনার তরী’র আজকের শিল্পী ইশরাত জাহান***নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী***‘বাঁশরী’তে আজ গাইবেন পূরবী বিশ্বাস এবং মালিহা তাসফিয়া রোদেলা***টিভিতে দেখুন আজকের খেলা***আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আবারো বিজয়ী হবে: কাদের***শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিনে বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের বিভিন্ন কর্মসূচি পালন

কিভাবে ব্যবহার করবেন পাল্‌স অক্সিমিটার || জেনে নিন সঠিক পদ্ধতি

- Advertisement -

ডেস্ক রিপোর্ট, সুখবর ডটকম: করোনা সংক্রমণ ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ায় অক্সিজেন ও হার্টবিট মাপার ছোট্ট যন্ত্র “পাল্‌স অক্সিমিটার” এখন সকলের নিত্য সঙ্গী। কীভাবে কাজ করে এই ছোট্ট যন্ত্রটি?

“থার্মোমিটার যেমন আপনার শরীরের তাপমাত্রা দেখায়, ঠিক তেমনই এই যন্ত্রটি আপনার শরীরের অক্সিজেনের মাত্রা মাপে। পালস অক্সিমিটারে আপনার আঙুল রাখলে কিছুক্ষণের মধ্যে দুটো সংখ্যা দেখা যাবে। একটা এসপিওটু— মানে আপনার শরীরের অক্সিজেন সম্পৃক্ততা। দ্বিতীয়টা আপনার পাল্‌স রেট।”

শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা নিয়ে আমরা সকলেই এখন চিন্তিত। কীভাবে বুঝবেন যে আপনার যন্ত্রটি কাজ করছে? একজন মানুষের শরীরে স্বাভাবিক অবস্থায় অক্সিজেনের মাত্রা থাকে ৯৫ থেকে ১০০-এর মধ্যে। যদি দেখেন পাল্‌স অক্সিমিটারের ফল অনুযায়ী আপনার শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা তারও নীচে, তাহলে কী করবেন? আপনার অবস্থা কি সত্যিই আশঙ্কাজনক? নাকি রিডিংটা ভুল? জেনে নিন।

১। প্রথমেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়বেন না। কিছুক্ষণ একটু স্থির হয়ে থাকুন। ৩০ সেকেন্ড পর ফের পাল্‌স অক্সিমিটার ব্যবহার করুন।

২। যদি দেখেন দ্বিতীয়বারও আপনার অক্সিজেন সম্পৃক্ততা কম আসছে, তাহলে যন্ত্রটি আঙুল থেকে খুলে অন্য একজনের উপর ব্যবহার করুন।

৩। যদি তার শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা স্বাভাবিক দেখায়, তাহলে বুঝতে হবে, যন্ত্রটি ঠিক আছে। আপনার শরীরেই সমস্যা।

৪। তৃতীয়ত, যে আঙুলে আপনি যন্ত্রটি ব্যবহার করছেন, তাতে কোনও নেল পলিশ, মেহেন্দি বা ট্যাটু থাকা যাবে না। অনেক সময় এগুলোর কারণেও ভুল সংখ্যা দেখায়।

৫। যদি এমন হয় যে, জ্বরের কারণে আপনার কাঁপুনি হচ্ছে, আর আপনি হাত স্থির রাখতে পারছেন না, তাহলেও অনেক সময় যন্ত্র কাজ করে না ঠিক করে। চলাফেরা করতে করতে রিডিং নেবেন না।

৬। যদি দেখেন আপনার শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কম, তাহলে একবার হেঁটে নিন। তারপর দেখুন শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমছে না বাড়ছে। যদি দেখেন কমছে, তাহলে বুঝতে হবে, যন্ত্র অকেজো।

৭। বাড়ির লোকেরা যখন ঘুমাচ্ছে, তখন তাদের রিডিং নেবেন না। যাদের ঘুমের সমস্যা রয়েছে, তাদের স্বাভাবিকভাবেই ঘুমনোর সময় শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যায়।

৮। মনে রাখতে হবে অনেক ধরনের রোগের ক্ষেত্রেই শরীরের অক্সিজেনের মাত্রা কম থাকতে পারে। যেমন হাঁপানি রোগী, কিংবা যারা টানা ধুমপান করেন।

৯। অক্সিজেন সম্পৃক্ততা ৯৪-এর নীচে নেমে গেলে চিন্তার বিষয়। এর মানে হয়ত আপনার নিউমোনিয়া হয়েছে এবং সংক্রমণ ফুসফুসে পৌঁছে গিয়েছে। সেক্ষেত্রে পেটের ওপর ভর দিয়ে শুতে পারেন। পাল্স অক্সিমিটার ফের মেপে দেখুন। হয়ত অক্সিজেনের মাত্রা বাড়তেও পারে।

১০। না হলে ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন এবং পরামর্শ নিন। পরিস্থিতি সামাল দেওয়া খুব কঠিন নয়।

“মনে রাখবেন, পাল্‌স অক্সিমিটার নিয়ম মেনে ব্যবহার করায় বহু মানুষের পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার আগেই ধরা গেছে। ওষুধের সাহায্যে তারা সুস্থ হয়েছেন। তাই যন্ত্রটির সদ্ব্যবহার করুন।”

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ