spot_img
32 C
Dhaka
spot_imgspot_imgspot_imgspot_img

৬ই অক্টোবর, ২০২২ইং, ২১শে আশ্বিন, ১৪২৯বাংলা

এশিয়া পেসিফিক লিভার এসোসিয়েশন এর লিভার ক্যান্সার সম্মেলনে আমন্ত্রিত বক্তা অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল

- Advertisement -

নিজস্ব প্রতিবেদকসুখবর বাংলাজাপানে এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় লিভার এসোসিয়েশন এর লিভার ক্যান্সার সংক্রান্ত বিশেষ সম্মেলনে আমন্ত্রিত বক্তা অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল ।

জাপানে এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় লিভার এসোসিয়েশন এর লিভার ক্যান্সার সংক্রান্ত বিশেষ সম্মেলনে আমন্ত্রিত বক্তা হিসেবে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রেখেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারভেনশনাল হেপাটোলজি ডিভিশনের ডিভিশন প্রধান এবং হেপাটোলজি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব (স্বপ্নীল)।

তিনি সম্মেলনে ন্যাসভ্যাক সম্মন্ধে বিভিন্ন তথ্য  উপাত্ত উপস্থাপন  করে আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে ভবিষ্যতে শুধু হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসের চিকিৎসাতেই নয়, লিভার ক্যান্সার চিকিৎসায়ও এই ওষুধটও কার্যকর ভূমিকা রাখতে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে উদ্ভাবিত প্রথম ওষুধ ন্যাসভ্যাক যা বাংলাদেশে এরই মধ্যে অনুমোদন পেয়েছে। আশা করা যায় শিগগিরই দেশের হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের আক্রান্ত রোগীরা ন্যাসভ্যাক ব্যবহার করে সুফল পাবেন।

কিউবাসহ বিশ্বের একাধিক দেশে ন্যাসভ্যাক ব্যবহার করা হচ্ছে। পাশাপাশি জাপানের একাধিক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে জাপানী হেপাটাইটিস বি আক্রান্ত রোগীদের ওপর ন্যাসভ্যাকের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে এবং এর সুফলও পাওয়া যেতে শুরু করেছে।

বাংলাদেশে ডা. স্বপ্নীলের নেতৃত্বে ন্যাসভ্যাকের ফেইজ-১, ২ এবং ৩ ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালগুলো অনুষ্ঠিত হয়েছিল। যা পরবর্তী সময় হেপাটোলজি ইন্টারন্যাশনাল ও প্লস ওয়ানের মত খ্যাতিসম্পন্ন আর্ন্তজাতিক বৈজ্ঞানিক জার্নালে প্রকাশিত হয়। সম্প্রতি প্যাথোজেন্স এবং ভ্যাকসিন্স নামক দুটি শীর্ষ বৈজ্ঞানিক জার্নালে ন্যাসভ্যাকের ২ এবং ৩ বছরের ফলোআপ ডাটাও প্রকাশিত হয়েছে।

এ সমস্ত তথ্য বিশ্লেষন করলে দেখা যায়, লিভার সিরোসিস প্রতিরোধে ন্যাসভ্যাক অন্যতম কার্যকর ওষুধ। এটি একটি ইমিউন থেরাপি যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দিয়ে হেপাটাইটিস বি ভাইরাস ও লিভার রোগকে নিয়ন্ত্রনে রাখে।

ন্যাসভ্যাকই পৃথিবীর প্রথম ইমিউনথেরাপি যা হেপাটাইটিস বি তথা যে কোনো ক্রনিক ইনফেকশনের বিরুদ্ধে কার্যকর ও নিরাপদ হিসেবে প্রথমবারের মতো একটি ফেইজ ৩ ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে প্রমাণিত হয়েছে। শুধু তাই নয় ন্যাসভ্যাকই ক্রনিক ইনফেকশনের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রথম ইমিউনথেরাপি, যা দুই এবং তিন বছরের ফলোআপেও নিরাপদ ও কার্যকর বলে প্রমাণিত হয়েছে।

ন্যাসভ্যাক অনুমোদনের মাধ্যমে  ভারত ও চীনের মতো দেশকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশ এ অঞ্চলের প্রথম দেশ হিসেবে নিজ দেশে নিজস্ব উদ্ভাবিত ওষুধ অনুমোদনের অনন্য কৃতিত্ব অর্জন করেছে।

দেশে সম্প্রতি হেপাটাইটিস বি ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী যারা প্রচলিত ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করছেন, তাদের জন্য ন্যাসভ্যাকের নতুন ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ইন্টারভেনশনাল হেপাটোলজি ডিভিশনে এই ট্রায়ালটি শুরু হয়েছে। আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ।

ট্রায়ালটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন গবেষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারভেনশনাল হেপাটোলজি ডিভিশনের ডিভিশন প্রধান অধ্যাপক ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল।

আরো পড়ুনঃ

প্রতিদিন কাঁচা মরিচ কেন খাবেন? জানুন ১৩টি স্বাস্থ্য উপকারিতা

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ