spot_img
26 C
Dhaka

৩০শে নভেম্বর, ২০২২ইং, ১৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯বাংলা

সর্বশেষ
***আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতলে বাংলাদেশের উচ্ছ্বাস দেখতে আসবেন আর্জেন্টাইন সাংবাদিক***যৌনপল্লীর গল্প নিয়ে পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘রঙবাজার’***কেন ক্ষমা চাইলেন কিংবদন্তি গায়ক বব ডিলান***বিলুপ্তপ্রায় কুমিরের সন্ধান, পুনর্ভবা নদীর তীরে মানুষের ভিড়***সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নয়, নয়াপল্টনেই হবে সমাবেশ : বিএনপি***পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসী দল টিটিপি ইসলামাবাদের গলার কাঁটা?***পাকিস্তান-আফগানিস্তানের সম্পর্ক কি শেষের পথে?***শীত মৌসুম, তুষার এবং বরফকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে রাশিয়া : ন্যাটো***নানা সুবিধাসহ বাংলাদেশ ফাইন্যান্সে চাকরির সুযোগ***বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার সূচি ও আসনবিন্যাস প্রকাশ

এক দশকেরও বেশি সময় পর পাকিস্তানের সোয়াত উপত্যকায় জঙ্গিদের পুনরুত্থান

- Advertisement -

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, সুখবর বাংলা: সম্প্রতি খাইবার পাখতুনখোয়ার সোয়াত জেলায় ক্রমাগত হামলা হচ্ছে। জঙ্গিদের উপস্থিতি এবং ক্রমাগত সহিংসতার ফলে এই অঞ্চলের মানুষের মনে ভীতি জন্মেছে। তারা এক দশকেরও বেশি সময় পার হয়ে যাওয়ার পর আবার সহিংস পরিবেশে ভীত হয়ে পড়েছে।

সন্ত্রাসীরা একটি স্কুল ভ্যানে হামলা করে, যার ফলে ঐ ভ্যানের চালক নিহত হয় এবং আহত হয় দুই শিশু।পরবর্তীতে সোয়াতের বাসিন্দারা সন্ত্রাসবাদের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসে।

তারা এই অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান জঙ্গি তৎপরতা বন্ধ করার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানায়।

তাদের এ প্রতিবাদ আঞ্চলিক গোষ্ঠী সোয়াত কওমি জিরগা দ্বারা সংগঠিত হয়েছিল। প্রতিবাদে উপত্যকায় শান্তি পুনরুদ্ধারের জন্য বিভিন্ন স্লোগান সহ প্ল্যাকার্ড ধারণ করে প্রতিবাদকারীরা।

সন্ত্রাসবাদের পুনরায় জাগরণের ফলে বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দেওয়ার সময় এবং প্ল্যাকার্ড ধারণ করার সময় তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করে।

“সোয়াত: দ্য ভ্যালি অফ ডুম” শিরোনামের একটি প্রতিবেদনে আল আরাবিয়া বলে, “সোয়াত অঞ্চলটি মালাকান্দ বিভাগে অবস্থিত। এ অঞ্চলটি কেন্দ্রে অবস্থিত এবং এর চারপাশে মালাকান্দ জেলার সীমান্ত রয়েছে।”

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, “যদি জঙ্গিরা এই অঞ্চলে নিজেদের শক্তি প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়, তাহলে তা প্রতিবেশী দেশগুলোর উপরেও প্রভাব ফেলতে পারে।”

সোয়াতের প্রাক্তন উপজাতীয় সংস্থা এবং আফগানিস্তানের সাথে ঘনিষ্ঠতার কারণে, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং সরকারী ভবনগুলো, বিশেষ করে স্কুল এবং হাসপাতালগুলিতে সন্ত্রাসী হামলার ভয় সবসময়ই ছিল।

আল আরাবিয়ার পোস্ট অনুসারে, সোয়াতে টিটিপি-এর ক্রমবর্ধমান তৎপরতা দেখা যাচ্ছে এবং সেই সাথে জঙ্গিরা এই অঞ্চলের নিরীহ মানুষদের হত্যার নেশায় মেতেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “জঙ্গিরা ১২ বছর পর পুনরুত্থিত হয়েছে এবং তারা তাদের কোন কাজে যদি সরকার বাঁধা দেয় তবে তার ফল হিসেবে গ্রামবাসীদের ভয়ানক পরিণতি হবে বলে হুমকি দিচ্ছে।”

এই মাসের শুরুতে, পাকিস্তানের আইন প্রতিমন্ত্রী শাহাদাত হুসেন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বৃদ্ধির কথা স্বীকার করেছেন।

এই বছর পাকিস্তানে সবচেয়ে বেশি সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটেছে সেপ্টেম্বর মাসে। ইসলামাবাদ-ভিত্তিক একটি থিঙ্ক ট্যাঙ্ক বলেছে যে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংস্থা টিটিপি পুনরায় আক্রমণ শুরু করেছে।

পাকিস্তান ইনস্টিটিউট ফর কনফ্লিক্ট অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজ (পিআইসিএসএস) এর কথার উপর ভিত্তি করে বলা যায়, আগস্টের তুলনায় সেপ্টেম্বর মাসে সন্ত্রাসী হামলার সংখ্যা বেড়েছে।

আগস্টের তুলনায় সেপ্টেম্বর হামলার পরিমাণ ৩৫ শতাংশ বাড়ে। সেপ্টেম্বর মাসে ৪২ টি জঙ্গি হামলা পরিলক্ষিত হয়।

অ/

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ