spot_img
22 C
Dhaka

৯ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ইং, ২৬শে মাঘ, ১৪২৯বাংলা

উত্তর-পূর্ব ভারতের উন্নয়নে কেন্দ্রীয় সরকারের নানা পদক্ষেপ

- Advertisement -

ডেস্ক রিপোর্ট, সুখবর ডটকম: উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে ভারতকে তার পরিকাঠামো প্রসারিত করা উচিত। দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিনিয়োগ বাড়াতে দেশটির সরকার এই অঞ্চলের উন্নয়নের দিকে মনোযোগ দিয়েছে। সামাজিক এবং ভৌত অবকাঠামোগত ব্যবধান পূরণের জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে কিন্তু সামনের পথটি যতটা সহজ বলে মনে করা হচ্ছে, পথ কিন্তু ততটা সহজ নয়।

উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোর সমস্যা ভারতের অন্যান্য রাজ্যগুলোর তুলনায় একদম আলাদা। পার্বত্য এই অঞ্চলে পরিবহন যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলাটাই অনেক বড় সমস্যা। তাছাড়া এ রাজ্যগুলো স্বাস্থ্য, শিক্ষা, অবকাঠামোসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনুন্নত, ফলে এখানকার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও মন্থর। সরকার গত পাঁচ বছরে উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোতে বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। এগুলো বিমান, রেল, সড়ক ও নৌপথ যোগাযোগের উন্নতির সাথে সম্পর্কিত।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে মানবসৃষ্ট অসংখ্য বিপর্যয়ের খবর পাওয়া যায়। এই বিপর্যয়গুলোর বেশিরভাগই জলবায়ু পরিবর্তনের ফলাফলের কারণে সৃষ্ট। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার গুরুত্বপূর্ণ শিল্প, উদ্ভাবন ও পরিকাঠামো খাতে উত্তর-পূর্বের ৮টি রাজ্য ছাড়া বাকিগুলো অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে।

উত্তর-পূর্ব ভারত ভূমিধ্বস, শিলাপতন, ঢাল কমে যাওয়া, নদীতীর ক্ষয়ের মতো বিভিন্ন প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের শিকার হয়েছে। এ অঞ্চলের রেল-সড়ক অবকাঠামোগুলো এই বিপর্যয়ের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে।

সম্প্রতি, উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে (এনএফআর) নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। এই রেলওয়ের নতুন রেললাইন মেঘালয়ের গারো পাহাড়কে আসামের সাথে সংযুক্ত করেছে। এই প্রকল্পটি হাতে নেওয়ার সময়, এই কাটা ঢালগুলোতে পাথর পড়ার সম্ভাবনার কারণে ট্রেন, ট্র্যাক এবং যাত্রীদের নিরাপত্তার সাথে আপস করে খনন সীমাবদ্ধ করার জন্য পাথরের ঢালগুলোকে খাড়াভাবে কাটাতে হয়েছিল। বর্ষা-মৌসুমে শিলাপাত এবং ভূমিধসের প্রতিক্রিয়া থেকে রক্ষা করার জন্য এই জায়গার জন্য একটি নিরাপদ ড্র্যাপারী সিস্টেম প্রয়োজন।

কপ ২৭ এবং জি ৭ শীর্ষ সম্মেলনের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোতে ভারতের অংশগ্রহণের সাথে, দেশটির সরকার পরিবেশগত ক্ষতি সম্পর্কে সচেতন হয়েছেন। পরিবেশগত ক্ষতির প্রাথমিক উৎস এবং এ সম্পর্কে সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপ কি হওয়া উচিত তা নির্ধারণ করা উচিত। এখন যখন জি ২০ এর সভাপতির দায়িত্বে রয়েছে ভারত, তখন ভারতের জন্য এ জিনিসগুলো আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

২০৪৭ সালের মধ্যে দেশকে পৃথিবীর বুকে উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে তুলে ধরার ঘোষণা করেছে ভারত সরকার। এ লক্ষ্য পূরণে দীর্ঘমেয়াদী, উপযোগী পরিবেশ-বান্ধব সমাধানগুলো চিহ্নিত করা এবং পরবর্তী নির্মাণ অনুশীলনগুলো চিহ্নিত করা অপরিহার্য।

আই. কে. জে/

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ