spot_img
27 C
Dhaka

২৮শে জানুয়ারি, ২০২৩ইং, ১৪ই মাঘ, ১৪২৯বাংলা

ই-পাসপোর্ট : আবেদন করার নিয়ম, কী কী লাগবে ও খরচ কেমন

- Advertisement -

নিজস্ব প্রতিবেদক, সুখবর ডটকম: দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের মধ্যে বাংলাদেশই প্রথম ডিজিটাল পাসপোর্ট কিংবা ই-পাসপোর্ট চালু করেছে। ই-পাসপোর্ট করা নিয়ে সবার মনেই কম-বেশি প্রশ্ন ঘুরপাক খায়। এখানে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানুন।

ই-পাসপোর্টের জন্য কিভাবে আবেদন করবেন, খরচ কত, পাসপোর্ট রেডি হতে সময় কেমন লাগে ইত্যাদি সকল বিষয়। আশা করি আপনাদের সকল প্রশ্নের সঠিক উত্তর পাওয়া যাবে এবং কোনও প্রকার দালালের শরণাপন্ন না হয়ে নিজেই ই-পাসপোর্ট করুন।

ই-পাসপোর্ট করতে কত খরচ?

বাংলাদেশ থেকে ই পাসপোর্ট করতে আপনার সর্বনিম্ন ৪০২৫ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১৩,৮০০ টাকা খরচ হতে পারে। স্মার্ট ফোন কিংবা ল্যাপটপ/কম্পিউটার থেকে আপনি নিজেই আবেদনপত্র পূরণ করতে পারবেন। যদি নিজে করতে না পারেন তবে, যেকোনও অনলাইন সেবার দোকান থেকে বাড়তি ২০০ টাকা খরচ করে আবেদনপত্র পূরণ করিয়ে নিতে পারেন।

পাসপোর্ট করতে কত খরচ পড়বে এটা নির্ভর করে, সাধারণত আপনি কোন ধরনের পাসপোর্ট করতে চাচ্ছেন তার উপর। যেমনঃ আপনি নতুন পাসপোর্ট করবেন নাকি পুরাতন পাসপোর্ট রিনিউ করতে চান, মেয়াদ কতদিন থাকবে, পৃষ্ঠা সংখ্যা কত হবে, ডেলিভারির ধরণ সাধারণ হবে নাকি জরুরি ইত্যাদির উপর নির্ভর করে ফিও ভিন্ন হয়। নীচে পাসপোর্ট ফি দেয়া হলঃ

রেগুলার

৪৮ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদী পাসপোর্ট করতে খরচ পড়বে ৪,০২৫ টাকা

৪৮ পৃষ্ঠার ১০ বছর মেয়াদী পাসপোর্ট করতে খরচ পড়বে ৫,৭৫০ টাকা

৬৪ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদী পাসপোর্ট করতে খরচ পড়বে ৬,৩২৫ টাকা

৬৪ পৃষ্ঠার ১০ বছর মেয়াদী পাসপোর্ট করতে খরচ পড়বে ৮,০৫০ টাকা

এক্সপ্রেস

৪৮ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদী পাসপোর্ট করতে খরচ পড়বে ৬,৩২৫ টাকা

৪৮ পৃষ্ঠার ১০ বছর মেয়াদী পাসপোর্ট করতে খরচ পড়বে ৮,০৫০ টাকা

৬৪ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদী পাসপোর্ট করতে খরচ পড়বে ৮,৬২৫ টাকা

৬৪ পৃষ্ঠার ১০ বছর মেয়াদী পাসপোর্ট করতে খরচ পড়বে ১০,৩৫০ টাকা

সুপার এক্সপ্রেস

৪৮ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদী পাসপোর্ট করতে খরচ পড়বে ৮,৬২৫ টাকা

৪৮ পৃষ্ঠার ১০ বছর মেয়াদী পাসপোর্ট করতে খরচ পড়বে ১০,৩৫০ টাকা

৬৪ পৃষ্ঠার ৫ বছর মেয়াদী পাসপোর্ট করতে খরচ পড়বে ১২,০৭৫ টাকা

৬৪ পৃষ্ঠার ১০ বছর মেয়াদী পাসপোর্ট করতে খরচ পড়বে ১৩,৮০০ টাকা।

বিঃদ্রঃ

উপরোক্ত সকল ফি’র সঙ্গে ১৫% ভ্যাট যুক্ত হবে।

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্যে জরুরি আবেদনের দরকার পড়বে না, তারা রেগুলার ফি দিয়েই জরুরি সুবিধা নিতে পারবেন। তবে তার জন্যে দরকার পড়বে NOC কিংবা অবসর সনদ এর।

কী কী লাগবে?

কী কী কাগজপত্র লাগবে ই পাসপোর্ট করতে, এটা নিয়েও সবার মনে প্রশ্নের শেষ নেই। আসলে ই পাসপোর্ট আবেদনের জন্যে খুব বেশি কাগজপত্রের দরকার হয় না, এবং কাগজপত্র সত্যায়িত করারও কোনও ঝামেলা নেই। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লিস্ট আকারে নীচে দেয়া হলোঃ

আপ্লিকেশন সামারি

আবেদনের কপি

জাতীয় পরিচয়পত্র

ঠিকানার প্রমাণপত্র / ইউটিলিটি বিলের কপি

পূর্ববর্তী পাসপোর্টের ফটোকপি / অরিজিনাল পাসপোর্ট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি (শিশুদের ক্ষেত্রে আবশ্যিক)

পেশাগত সনদের ফটোকপি / চাকরির আইডি কার্ড

নাগরিক সনদ / চেয়ারম্যান সার্টিফিকেট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

*** ই পাসপোর্টের আবেদনপত্র জমাদানের সময়, উপরিউক্ত সকল কাগজের মূলকপি সাথে রাখতে হবে।

জাতীয় পরিচয়পত্র নাকি জন্মনিবন্ধন কোনটি প্রয়োজন?

যাদের বয়স ১৮ বছরের কম, তারা অনলাইন বা ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন দিয়ে পাসপোর্টের আবেদন করতে পারবেন।

১৮-২০ বছরের মধ্যে বয়স হলে, জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) অথবা জন্ম নিবন্ধন (BRC) উভয়টির যে কোনও একটি দিয়ে আবেদন করতে পারবেন।

আপনার বয়স ২০ বছরের বেশি হলে, অবশ্যই আপনাকে জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়েই আবেদন করতে হবে।

পাসপোর্ট করার নিয়ম

ই পাসপোর্ট করার জন্যে ভিজিট করুন, www.epassport.gov.bd এবং অবশ্যই আপনার জন্ম নিবন্ধন কিংবা জাতীয় পরিচয়পত্রে প্রদানকৃত তথ্যের ভিত্তিতে অনলাইন আবেদনপত্রটি পূরণ করুন। মনে রাখতে হবে, আবেদনপত্রটি আপনি পূরণ করছেন, তাই একে নির্ভুল রাখার সকল দায়ভার আপনার। প্রয়োজনে আবেদনপত্র জমা দেয়ার আগে বারবার রিভিশন দিন। কোনও রকম ভুল-ভ্রান্তি হয়ে গেলে, পরে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হবে!

ই পাসপোর্ট আবেদনপত্র পূরণ করার নিয়মঃ

ই পাসপোর্ট আবেদনপত্র পূরণ করতে পাসপোর্ট অফিসের অফশিয়াল ওয়েবসাইটে www.epassport.gov.bd তে ভিজিট করুন

তারপর Apply Online মেন্যু তে ক্লিক করে আঞ্চলিক অফিস ও থানা নির্বাচন করুন

ইমেইল ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করুন

আবেদনপত্রে আপনার ব্যাক্তিগত তথ্য, পূর্ববর্তী পাসপোর্টের তথ্য (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে), ঠিকানা, পিতা-মাতার তথ্য এবং জরুরি যোগাযোগের ঠিকানা পূরণ করুন।

পাসপোর্টের ধরণ ও ডেলিভারির ধরণ সিলেক্ট করুন।

প্রিন্টেড কপি নিন

আপনাদের সুবিধার্থে নিম্নে প্রতিটা ধাপ বিস্তারিত আলোচনা করা হলোঃ

আঞ্চলিক অফিস থানা নির্বাচন

www.epassport.gov.bd তে গিয়ে ক্লিক করুন Directly to online application অপশনে। এবার যে পেইজটি ওপেন হবে, সেখানে আপনার জেলা এবং পুলিশ থানার নাম সিলেক্ট করুন।

ইমেইল ভেরিফিকেশন

আপনার ইমেইল আইডি লিখে, নীচের রোবট ভেরিফিকেশনে টিক দিয়ে Continue বাটনে ক্লিক করুন। পাসপোর্ট ওয়েবসাইট থেকে আপনার ইমেইলে একটি ভেরিফিকেশন লিংক পাঠানো হবে। সেই লিংকে ক্লিক করে ইমেইল ভেরিফিকেশন করুন।

ব্যাক্তিগত তথ্য পূরণ

এবার আপনার ব্যাক্তিগত তথ্যাদি যথাযথভাবে পূরণ করে Save and Continue এ ক্লিক করুন।

আপনার পূর্বের কোনও পাসপোর্ট থাকলে সেই তথ্যও সঠিকভাবে দিন। পাসপোর্ট থাকলে Yes, আর না থাকলে No, I don’t have any previous / handwritten passport দিন।

আপনার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা সঠিকভাবে লিখুন। যদি আপনার দুইটি ঠিকানা একই হয় তাহলে Present address is the same as permanent লেখা বক্সে টিক দিন।

এরপর আপনার পিতা-মাতার নাম ও স্বামী/স্ত্রীর নাম, তাদের জাতীয় পরিচয়পত্র অনুসারে লিখুন।

জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগের জন্য, আপনার পরিবারের যেকোনও একজন সদস্যের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর দিন।

এবার আপনার পাসপোর্টের মেয়াদ, পাতার সংখ্যা ও ডেলিভারির ধরণ বাছাই করুন। এবং আপনার সব তথ্য পুনরায় যাচাই করে Submit বাটনে ক্লিক করুন।

সবশেষে আবেদনপত্রটি প্রিন্ট করে নিন। আবেদনপত্র প্রিন্ট করার জন্যে আপনি ২টি পৃষ্ঠা পাবেন-

১। Application Summary

২। Online Registration Form

কিভাবে ই-পাসপোর্টের ফি প্রদান করা যাবে ?

ই পাসপোর্ট ফি জমা দেয়ার জন্যে আপনি চাইলে সরাসরি ব্যাংকে চলে যেতে পারেন। আবার ইচ্ছে করলে অনলাইন থেকেও জমা দিতে পারবেন।

ব্যাংক কাউন্টার থেকে ই পাসপোর্ট ফি প্রদান

ব্যাংক কাউন্টার থেকে ই পাসপোর্ট ফি জমা দেয়ার জন্যে আপনার প্রয়োজন পড়বে –

পাসপোর্ট আবেদন সামারি ( E Passport Application Summery)

রেজিষ্ট্রেশন ফর্ম (Registration Form)

এবার ব্যাংক থেকে সরবরাহকৃত ফর্মে, পাসপোর্টের আবেদন অনুসারে আপনার নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, মোবাইল নম্বর, পাসপোর্টের পৃষ্ঠা ও মেয়াদ নির্ভুলভাবে লিখে টাকা জমা দিতে হবে। সবশেষে ব্যাংক অফিসার থেকে চালান পরিশোধের প্রিন্ট কপি সংগ্রহ করতে হবে।

***ব্যাংকের মাধ্যমে ই পাসপোর্ট ফি জমা দেয়ার জন্যে, ব্যাংকিং সময়ের মধ্যে যেকোনও সময় গেলেই চলবে।

অনলাইনে ই-পাসপোর্ট ফি প্রদান

অনলাইনে ই-পাসপোর্টের টাকা জমা দেয়ার জন্য আপনার মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে A Challan ওয়েবসাইটে গিয়ে, ই-পাসপোর্ট ফি সিলেক্ট করুন। এরপর পাসপোর্টের পৃষ্ঠা সংখ্যা, মেয়াদ ও ডেলিভারির ধরন সিলেক্ট করুন। এবার আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্ম নিবন্ধন নম্বর, নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর লিখুন। মনে রাখবেন, এই তথ্যগুলো অবশ্যই আপনার পাসপোর্ট আবেদনপত্রে প্রদানকৃত তথ্যের সাথে মিলতে হবে, অন্যথায় চালান গৃহীত হবে না।

এবার সুবিধামত ব্যাংক বাছাই করে পেমেন্ট করুন। সবশেষে চালানের প্রিন্ট কপি সংগ্রহ করুন।

বিকাশ, নগদ ও রকেটের মাধ্যমে টাকা জমা দিতে সোনালী ব্যাংক সিলেক্ট করুন। সোনালী ব্যাংকের অনলাইন একাউন্ট, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড থেকেও পেমেন্ট করতে পারবেন। Save বাটনে ক্লিক করে সোনালী ব্যাংকের পেমেন্ট গেটওয়েতে চলে যাবেন। সেখানে Sonali Bank/Cards/Mobile Banking এই তিনটি অপশনের মধ্যে আপনার জন্য প্রযোজ্য অপশন সিলেক্ট করে পেমেন্ট করুন।

আপনাদের বুঝার সুবিধার্থে আমি যে কোনও একটি পেমেন্ট করার উপায় বিস্তারিত দেখিয়ে দিচ্ছি। ধরুন আপনি বিকাশের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে চাচ্ছেন। সেক্ষেত্রে নিচের ধাপগুলি অনুসরণ করুন।

প্রথমে Mobile Banking অপশনটিতে ক্লিক করে, বিকাশ/নগদ/রকেটের মধ্যে বিকাশ অপশনটি বেছে নিন।

এবার Pay with bkash অপশনে ক্লিক করুন।

বিকাশের পেমেন্ট অপশন আসলে আপনার বিকাশের মোবাইল নম্বর দিন। এ পর্যায়ে আপনার বিকাশ মোবাইল নম্বরে একটি ভেরিফিকেশন কোড আসবে। ভেরিফিকেশন কোড এবং বিকাশের পিন দিয়ে পেমেন্ট সম্পন্ন করুন।

অন্য যে কোনও মাধ্যমে পেমেন্ট করতে চাইলেও, এভাবেই ধাপগুলি অনুসরণ করুন।

বিঃদ্রঃ

অনলাইন পেমেন্টের আগে অবশ্যই নিরবিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট কানেকশন নিশ্চিত করে নিন এবং খেয়াল রাখুন যেন আপনার কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনটি বন্ধ না হয়ে যায়।

পেমেন্ট করার সময় যদি কোনও কারণে এমন হয় যে, আপনাকে Transaction Failed দেখানোর পরও আপনার একাউন্ট থেকে টাকা কেটে নেয়া হয়েছে, তাহলে কোনভাবেই ঐ পেইজটি ক্লোজ করা যাবে না। এক্ষেত্রে ঐ পেইজের লিংক থেকে চালান নম্বর সংগ্রহ করে চালান ডাউনলোড করতে হবে।

পাসপোর্ট ফী প্রদানের পর চালান ডাউনলোড না করতে পারলে কী করবেন?

অনলাইন পেমেন্টের ক্ষেত্রে অনেক সময় যান্ত্রিক ত্রুটি কিংবা ইন্টারনেট কানেকশনের দুর্বলতা অথবা অন্য যেকোনও কারণে, আপনার একাউন্ট থেকে টাকা কেটে নেয়ার পরও লেনদেনটি ব্যর্থ হয়েছে এমন আসতে পারে। এরকম অবস্থায় ঘাবড়ে না গিয়ে কী করতে হবে চলুন দেখে নেয়া যাক –

ভুলেও পেইজটি ক্লোজ করা যাবে না

পেইজের লিংকটা কপি করে Note/Word File/Messenger এরকম কোথাও রাখতে হবে

লিংকের মধ্যে থাকা (2122-00019740571) এ ধরণের নম্বরটি আপনার এ চালান নম্বর

Online Challan Verification ওয়েবসাইটে উপরিউক্ত চালান নম্বরটি দিয়ে সার্চ করুন। তার জন্যে, প্রথম বক্সে ৪ নম্বর এবং পরের বক্সে ১১ নম্বর দিয়ে Verify বাটনে ক্লিক করতে হবে।

আশাকরি আপনার চালানটি পেয়ে যাবেন। চালানের PDF ফাইলটি সেভ করে, প্রিন্ট করে নিন।

তবে, যদি এই পদ্ধতিতে চালান খুঁজে নিতে ব্যর্থ হন, তাহলেও ভয়ের কিছু নেই। সেক্ষেত্রে আপনি সোনালী ব্যাংক পেমেন্ট গেটওয়ের ফেসবুক গ্রুপ (SPG Support Group) এ যোগাযোগ করেও, আপনার চালান নম্বর ও পেমেন্ট স্লিপ সংগ্রহ করতে পারবেন।

এ চালানে ই-পাসপোর্ট ফি এডজাস্টমেন্ট এর নিয়ম কি?

আপনি ৪৮ পৃষ্ঠার পাসপোর্টের জন্য ফি জমা দিয়েছেন, কিন্তু এখন ৬৪ পৃষ্ঠার পাসপোর্ট নিতে চান? অথবা সাধারণ ডেলিভারি ফি জমা দিয়েছিলেন, কিন্তু এখন জরুরি ডেলিভারি নিতে চান? ই পাসপোর্ট অনালাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে, যেকোনও ধরনের ফি এডজাস্টমেন্টের জন্যে কী করতে হবে জেনে নিনঃ

এ চালানে এই পাসপোর্ট ফী এডজাস্টমেন্টটা আপনি চাইলে ব্যাংক থেকেও করতে পারবেন, আবার অনলাইনেও করতে পারবেন।

এ চালান ওয়েবসাইট ভিজিট করে “ই পাসপোর্ট ফি” তে ক্লিক করুন।

“আবেদনের প্রকৃতি” অপশনে ‘ই পাসপোর্ট ইস্যু ফি এডজাস্টমেন্ট’ অপশন সিলেক্ট করে, আপনার আগের পরিশোধ করা চালান নম্বরটি লিখুন। এবং “বিতরণের পরিবর্তীত প্রকৃতি” অপশন থেকে পাসপোর্টের ধরণ পরিবর্তন করুন।

নতুন করে জমা দিতে চাওয়া টাকার পরিমান উল্লেখ করে Ok বাটনে ক্লিক করুন।

সবশেষে আগের নিয়মেই চালান কপি ডাউনলোড ও প্রিন্ট করে নিন।

অনলাইনে কি ই-পাসপোর্ট আবেদন বাতিল করা যায়?

অনলাইনে ই-পাসপোর্টের আবেদন করা হয়ে গেলে, সেটা বাতিল করার কোনও সুযোগ আর আপনার হাতে থাকবে না। আপনার জন্য নির্ধারিত পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক বরাবর লিখিত আবেদন করে, আপনার পাসপোর্টের আবেদন বাতিল করতে পারবেন।

তাছাড়া ই পাসপোর্ট আবেদনপত্রে আপনার করা কোনও ভুলের কারণে, পাসপোর্টের আবেদন বাতিল করার প্রয়োজন নেই। আপনি আবেদনপত্র জমাদানের জন্যে পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার পর, ছবি তোলা ও ফিঙ্গার প্রিন্ট দেয়ার সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে অবহিত করলে তিনি সংশোধন করে দিবেন।

কিভাবে ই-পাসপোর্ট স্ট্যাটাস চেক করা যাবে?

আপনার আবেদনকৃত পাসপোর্টের স্ট্যাটাস জানার জন্যে ভিজিট করতে হবে www.epassport.gov.bd সাইটে। এবার Check Status মেন্যুতে ক্লিক করে আপনার নাম, জন্ম তারিখ এবং অনলাইন রেজিষ্ট্রেশন আইডি দিন। সবশেষে I am human বাটনে টিক দিয়ে, Check বাটনে ক্লিক করে পাসপোর্টের বর্তমান অবস্থা জেনে নিন।

এসি/ আই. কে. জে/

আরো পড়ুন:

পর্যটকদের পদচারণায় মুখর রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ